সর্বশেষ আপডেট : ৪ মিনিট ৩০ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সন্ধান মিলেছে সোনাসহ ডুবে যাওয়া জাহাজের!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ১৯০৫ সালে রুশ যুদ্ধ জাহাজ দিমিত্রি ডনস্কই প্রচুর সোনা ও মূল্যবান সম্পদ নিয়ে ডুবে গিয়েছিল বলে গুজব রয়েছে। জাহাজটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেয়েছে উদ্ধারকারী অনেক প্রতিষ্ঠানের এমন দাবিও প্রায় প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু ১১৩ বছর পরে সেই জাহাজের খোঁজ মিলেছে দক্ষিণ কোরিয়ার এক দ্বীপের উপকূলে।

দক্ষিণ কোরীয় ফার্ম দ্য শিনিল গ্রুপ দাবি করেছে, তারা জাহাজটি খুঁজে বের করেছেন। ১৮৮৫ সালে যাত্রা শুরু করে এই যুদ্ধ জাহাজ। প্রশান্ত মহাসাগরে রওয়ানা হবার আগে ভূমধ্যসাগর এবং বাল্টিক সাগরে কাজ করেছে ডনস্কই।

এটি যুদ্ধ জাহাজ হলেও যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। বরং নিজের বহরের পেছনে পড়ে গিয়েছিল এবং জাপানীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিল।১৯০৫ সালে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে ঐতিহাসিক সুশিমা যুদ্ধে জাপানের বিজয় উদযাপনের জন্য ক্রুরা জাহাজটি ফুটো করে দিয়েছিল।

লোকমুখে প্রচলিত আছে, ডনস্কই প্রশান্ত মহাসাগরে রুশ বহরের ক্রুদের বেতন এবং ডক ফি পরিশোধের জন্য জাহাজ ভর্তি সোনা বয়ে নিয়ে আসছিল। অনুমান করা হয়, আজকের দিনে যার মূল্য হতে পারে বিলিয়ন ডলার। কিন্তু জাহাজে সোনা ছিলই এমন প্রমাণ আজও পাওয়া যায়নি।

বরং যুদ্ধ জাহাজে করে সোনা আনার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গবেষক ও শিক্ষাবিদেরা। রাশিয়ার ফার ইস্টার্ন ফেডারেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কিরিল কোলেসনিকেঙ্কো বলেন, রাশিয়া কেন এত বিপুল পরিমাণ সোনা জাহাজে করে পাঠাবে, যখন ট্রেনে বিনা ঝুঁকিতে সেটা পাঠানো যায়?

তবু এই সোনার সন্ধানেই গত শতকে বেশ কয়েকটি নামী জাপানী এবং দক্ষিণ কোরীয় প্রতিষ্ঠান জাহাজটি উদ্ধারের চেষ্টা করেছে। এর মধ্যে ২০০১ সালে কোরীয় এক প্রতিষ্ঠান জাহাজ খুঁজে বের করেছে দাবি করে, যদিও দেউলিয়া হয়ে যাবার কারণে তারা আর সেটি তুলতে পারেনি।

এখন শিনিল গ্রুপ বলছে, তারা ডনস্কইকে খুঁজে পেয়েছে এবং তারা উদ্ধার কাজের ফটো এবং ভিডিও ফুটেজ ইউটিউবে আপলোড করে চলেছে। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠান নিয়েও এখন প্রশ্ন উঠেছে।দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ বিষয়ক একটি ওয়েবসাইট বলছে, ঐ প্রতিষ্ঠানটি মাত্র জুন মাসে গঠিত হয়েছে।

এদিকে শিনিল গ্রুপ বলছে, তারা ১৯৫৭ সালে গঠিত শিনিল কর্পোরেশনের উত্তরাধিকারী। এর মূলধনও খুব কম, মাত্র ৬৭ হাজার পাউন্ড সমপরিমাণ অর্থ। সেই সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে সাগরের নিচে উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য অনুমতিও নেয়নি।

সূত্র: বিবিসি বাংলা







নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: