সর্বশেষ আপডেট : ৮ মিনিট ১৮ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

স্বর্ণে গরমিল বিষয়ে বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী-গভর্নর

নিউজ ডেস্ক:: বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে রাখা স্বর্ণ নিয়ে গরমিলের অভিযোগ ওঠার প্রেক্ষাপটে অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বাংলাদেশ গভর্নর ফজলে কবির। বৈঠকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. ইউনুসুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।আজ বুধবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে এ বৈঠক শুরু হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের গণসাংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) শাহেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বিদেশে অবস্থান করায় প্রতিমন্ত্রী বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে জরুরি এই বৈঠক ডেকেছেন।এর আগে মঙ্গলবার একটি দৈনিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে ভুতুড়ে কাণ্ড শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা।সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এস এম রবিউল হাসান বলেন,দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত একটি সংবাদে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে রক্ষিত সোনার পরিমাপ নিয়ে যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে তা সঠিক নয়। বস্তুনিষ্ঠ নয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর ওই সোনা পরিমাপ করার সময় যন্ত্রের ব্যবহার করেছেন। যা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিসের কারেন্সি অফিসার আওলাদ হোসেন চৌধুরী বলেন,‘আমরা নিজেরাও একটা সময় যন্ত্রের মাধ্যমে সোনার গুণগত মান নির্ণয়ের চেষ্টা করেছি। কিন্তু সেখানে দেখা গেছে কোনো কোনো ক্ষেত্রে পিতলকেও ওই যন্ত্রটি সোনা বলে গণ্য করেছে।এরপর থেকে আমরা ওই যন্ত্র ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছি। শুল্ক গোয়েন্দারা যে যন্ত্র ব্যবহার করেছে সেটাই যে সঠিক তথ্য দিচ্ছে তার কি গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে?’

শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের ২৩ আগস্ট কাস্টম হাউসের গুদাম কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ গোলাকার কালো প্রলেপযুক্ত একটি সোনার চাকতি এবং একটি কালো প্রলেপযুক্ত সোনার রিং বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা করেন। বাংলাদেশ ব্যাংক ওই চাকতি এবং আংটি যথাযথ ব্যক্তি দিয়ে পরীক্ষা করে ৮০ শতাংশ বিশুদ্ধ সোনা হিসেবে গ্রহণ করে প্রত্যয়নপত্র দেয়। তবে দুই বছর পর পরিদর্শন দল ওই চাকতি ও আংটি পরীক্ষা করে তাতে ৪৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ (১১ দশমিক ২ ক্যারেট) সোনা পায়। আংটিতে পায় ১৫ দশমিক ১২ শতাংশ সোনা (৩ দশমিক ৬৩ ক্যারেট)। ধারণা করা হচ্ছে ভল্টে রাখার পর এগুলো পাল্টে ফেলা হয়েছে। এতে সরকারের ১ কোটি ১১ লাখ ৮৭ হাজার ৮৬ টাকা ৫০ পয়সা ক্ষতি হয়েছে।


নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: