সর্বশেষ আপডেট : ৯ মিনিট ২৯ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মানসিক স্বাস্থ্য আইন লঙ্ঘনে ৩ বছর জেল ৫ লাখ টাকা জরিমানা

সবুজ সিলেট ডেস্ক ::
মানসিক স্বাস্থ্য আইন লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ শাস্তি পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ও তিন বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

সোমবার (১৬ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদের সভায় শাস্তির এই বিধান রেখে মানসিক স্বাস্থ্য আইন-২০১৮ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরে এ বিষয়ে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয়-সংস্কার) এন এম জিয়াউল আলম।

সচিব জানান, মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত কোনও পেশাজীবী উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে কারও নামে মিথ্যা সনদ দিলে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা জরিমানা বা এক বছর কারাদণ্ড অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। আর মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির অভিভাবকরা যদি সম্পত্তি ভাগাভাগিতে কারচুপি ও চিকিৎসায় অবহেলা করেন তাহলে শাস্তি হিসেবে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা তিন বছরের জেল অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এছাড়া লঘু দণ্ড হিসেবে ছয় মাসের কারাদণ্ডের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে এই আইনে।

এন এম জিয়াউল আলম বলেন, ‘১৯৯২ সালের আইনটি বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে এবং আইনটিকে যুগোপযোগী করা হয়েছে। চলমান সময়ের প্রেক্ষাপটে মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ও মানুষের নাগরিকদের মর্যাদা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সম্পত্তির অধিকার নিশ্চিত করতে যুগোপযোগী করে আইনটি নতুন করে করা হয়েছে। এটি আজ মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।’

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি আইনের খসড়াটির নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। আইনটিতে ৩১টি ধারা আছে। ধারা-৪ এ মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সকল কার্যক্রম পরিচালনা, সম্প্রসারণ, উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়ের দায়িত্ব সরকারের ওপর অর্পণ করা হয়েছে। মানসিক অসুস্থতায় আক্রান্ত ব্যক্তির দীর্ঘ মেয়াদি চিকিৎসা প্রদান ও এ সংক্রান্ত সক্ষুব্ধতার প্রশ্নে অধিকার সম্পর্কে এ ধারায় বলা হয়েছে।

ধারা-৫ এ স্বাস্থ্য রিভিউ মনিটরিং কমিটি গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে। সরকারি, বেসরকারি পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক হাসপাতাল স্থাপন, পরিচালনা ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা প্রধান করতে বলা হয়েছে। ধারা ৮ ও ৯ এ মানসিক অসুস্থাতায় আক্রান্ত ব্যক্তির অভিভাবক নিয়োগ ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার কথা বলা হয়েছে।

এছাড়া ধারা ২১ ও ধারা ২২ এ অভিভাবকহীন ব্যক্তির চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত বিষয়াদির কথা বলা হয়েছে। কোনো ব্যক্তির মানসিক অবস্থার বিচারিক অনুসন্ধানের বিধান ধারা ২০ এ প্রস্তাব করা হয়েছে। মানসিক অসুস্থতায় আক্রান্ত ব্যক্তির বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিচার পদ্ধতি সম্পর্কে প্রস্তাবনা আছে ২৪ ধারায়। এতে অপরাধ আমল ও বিচারের কথা বলা হয়েছে। ধারা ২৩ এ এই আইনের দণ্ড সুপারিশ করা হয়েছে।

এছাড়া, সভায় জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা ২০১৮ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: