সর্বশেষ আপডেট : ১৮ মিনিট ২১ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

৪ বছর ধরেই আব্দুর জহুর সেতু রাতে অন্ধকারে,নিরাপত্তাহীনতায় সাধরন মানুষ

তাহিরপুর প্রতিনিধি:: সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর উপর নির্মিত আব্দুর জহুর সেতুটি সন্ধ্যার পর নিরাপত্তাহীন অবস্থায় চলাচল করছে ৪টি উপজেলা হাজার হাজার মানুষ। সেতুটিতে ও সেতুর দু-পাশে সড়কে রাতের বেলায় জনসাধারনের চলাচলের জন্য কোন লাইট না দেওয়ায় অন্ধকার থাকে সম্পূন সেতুটি ও দু-পাশের সড়ক। অন্ধকারের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে নিরাপত্তহীনতায় ভুগছে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সর্ব স্থরের জনসাধরন। এ জেলার বহু প্রতিক্ষীত আব্দুর জহুর সেতুটি উদ্বোধনের ৪বছর পার হলেও ব্রীজে বাতি জ্বালাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করে নি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। সবার দাবী থাকলেও এই লাইট লাগানোর বিষয়টি নিয়ে কারো যেন কোন মাথা ব্যাথা নেই। জানাযায়,সন্ধ্যার পর অন্ধকারের মধ্যেই চলাচল করছে ৪টি উপজেলার হাজার হাজার মানুষ।

সেতুটিতে রাতে সিএনজি,ট্রাক,টমটম,মটর সাইকেল,লাইটেস সহ বিভিন্ন যানবাহন চলার সময় কিছু ক্ষনের জন্য আলোয়-আলোকিত হয় তারপর আবার অন্ধকার। সেতুটির দু পাশের ও মাঝ অংশে অন্ধকারের মধ্যে রাতে লোকজনের চলাচল কম থাকায় ছিন্তাই ও যে কোন ধরনের অপ্রতিকর দূঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। আরো জানাযায়,২০১৫সালে ২০আগষ্ট উদ্ভোধন করা এই বহু পতিক্ষিত আব্দুর জহুর সেতুটি। এর পর থেকেই সেতুটি লাইট লাগানো নিয়ে সুনামগঞ্জ পৌরসভার ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের মধ্যে এখনও রশি টানা টানি চলছে। এক পক্ষ অন্য পক্ষের ঘারে দায় চাপিয়ে সময় পার করছে। এখনও এই রশি টানাটানির মধ্যে পড়ে রাতে আতœংকের মধ্য দিয়ে চলাচল করছে সর্বস্থরের জনসাধারন। সেতুটি দৃষ্টি নন্দন হওয়ায় দেখতে সেতুর দু-প্রান্তেই পরন্ত বিকাল বেলায় জেলা সদর সহ বিভিন্ন উপজেলা লোকজনের আগমনে জনসমুদ্রে পরিনত হয়। আর সন্ধ্যার পরও অবস্থান করে শিশু,যুবক,নারী ও মধ্য বয়সী নারী সহ সর্বস্থরের লোকজন। জেলার সচেতন নাগরিকগন জানান-সেতুটিতে নিরাপত্তার স্বার্থে বিশেষ করে সেতুর মাঝের অংশে লাইটের ব্যবস্থা করা খুবেই প্রয়োজন। শুনছিলাম প্রথমে যখন সেতুটি ডিজাইন করা হয় তখন কোনো লাইটিং এর বিষয়টি অর্ন্তভুক্ত ছিল না। সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী কার্য্যালয় থেকে লাইটিং করার কোন সুযোগ নেই। সেতুটি পৌরসভার ভিতরে পরেছে তাই তারা লাইটিং করার কথা নাকি। এই ফান্দেই পড়ে আছে। কে দিবে আর কে দিবে না।

তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়ন থেকে আসা সুহেল আহমেদ সাজু,মেহেদী হাসান ভূঁইয়া(জনমেজর)সাদেক আলীসহ বিভিন্ন এলাকার লোকজন ও সিএনজি,লেগুনা,মটর সাইকেল ড্রাইবার,স্থানীয় এলাকাবাসী জানান-নিরাপত্তার স্বার্থে সেতুটিতে আলোর ব্যবস্থা করা খুবেই প্রয়োজন। সন্ধ্যার পর এখানে ভয় লাগে,অন্ধকার ভূতুরে পরিবেশ সৃষ্টি হয়। যে কোন সময় অনাক্ষাখিত ঘটনা গঠতে পারে।

তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল জানান,আব্দুর জহুর সেতুতে সন্ধ্যার পর লাইট না থাকায় অন্ধকার হয়ে যায়। চলচল করতে ভয় লাগে সবার। এত বড় সেতুতে রাতের বেলায় আলো জ্বালানো খুবেই প্রয়োজন।


নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: