সর্বশেষ আপডেট : ৪৬ মিনিট ১৯ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ১৬ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘আধিপত্য বিস্তারের’ জেরে ফরহাদ খুন, পরিকল্পনায় রমজান

নিউজ ডেস্ক:: রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, অটোরিকশাস্ট্যান্ড ও ডিস ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অবৈধ অর্থ আদায় এবং সেই অর্থ ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বিরোধের জেরে খুন হন স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ আলী। খুনের পরিকল্পনায় ছিলেন শীর্ষ সন্ত্রাসী রমজান- এমন তথ্য দিয়েছে পুলিশ।

শনিবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আবদুল বাতেন সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

media

তিনি আরও জানান, বাড্ডার শীর্ষ সন্ত্রাসী রমজান, মেহেদী ওরফে কলিন্স ও আশিকের পরিকল্পনায় খুন হন ফরহাদ। তারা সবাই এখন বিদেশে পলাতক।

গ্রেফতার হওয়া পাঁচজন হলেন- জাকির হোসেন, আরিফ মিয়া, আবুল কালাম আজাদ ওরফে অনির, বদরুল হুদা ওরফে সৌরভ ও মো. বিল্লাল হোসেন ওরফে রনি।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আবদুল বাতেন বলেন, ‘এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, অটোরিকশাস্ট্যান্ড ও ডিস ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অর্থ ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বিরোধের জেরে ফরহাদ খুন হন। গ্রেফতার সুজন আদালতে এমন স্বীকারোক্তি দেন।’

media

পরবর্তীতে ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা গোয়েন্দা পুলিশকে জানায়, ‘হত্যাকাণ্ডের কয়েকদিন আগে মূল পরিকল্পনাকারী রমজান ভারতে চলে যান। রমজান তার আপন ছোট ভাই সুজন এবং অপর দুই সহযোগী- জাকির ও আরিফের ওপর হত্যাকাণ্ড সংঘটনের দায়িত্ব দেন। অপরদিকে শীর্ষ সন্ত্রাসী মেহেদীর সামরিক কমান্ডার অমিত তাদের ভাড়াটে শ্যুটার নুর ইসলাম, অনির, সৌরভ ও সাদকে গুলি করার দায়িত্ব দেন।’

media

‘পরবর্তীতে শ্যুটাররা তাদের অস্ত্রগুলো শীর্ষ সন্ত্রাসী মেহেদীর সামরিক কমান্ডার অমিতের কাছে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য পল্লবী এলাকায় যান। সেখানে অমিত তার অপর সহযোগী সুজনের মাধ্যমে অস্ত্রগুলো গ্রহণ করেন। হত্যাকাণ্ডের পর অমিত তাৎক্ষণিক এক লাখ টাকা শ্যুটারদের মাঝে বণ্টন করে দেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে এ পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘বাড্ডার শীর্ষ সন্ত্রাসী রমজান ও আশিক বর্তমানে ভারত এবং মেহেদী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। ফরহাদ খুনের পর আরও এক ব্যবসায়ীকে খুন করার পরিকল্পনা করেছিলেন রমজান। তবে ডিবি পুলিশের তৎপরতা ও অভিযানের কারণে তা ভেস্তে যায়।’

ফরহাদ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত নুর ইসলাম ও শীর্ষ সন্ত্রাসী মেহেদীর সামরিক কমান্ডার অমিত গত ৪ জুলাই মধ্যরাতে গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: