সর্বশেষ আপডেট : ১২ মিনিট ৫৭ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

৬৬ বছর পর নখ কেটে রেকর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ২০১৬ সালে রাতারাতি বিশ্ব বিখ্যাত হয়ে গিয়েছিলেন। নাম উঠেছিল গিনেস বুকে। বাম হাতের লম্বা নখের সৌজন্যে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিলেন ভারতের পুনের বাসিন্দা শ্রীধর চিল্লাল (৮২)। কিন্তু এখন সবই অতীত। বয়সের ভারে দীর্ঘ ৯০৯.৬ সেন্টিমিটার নখ আর বহন করতে পারছেন না শ্রীধর। তাই নখ কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। আর সেই নখ কেটেও গড়লেন রেকর্ড। কারণ টানা ৬৬ বছর পর দীর্ঘ নখ কেটে নজির গড়লেন তিনি।

২০১৬ সালে বিশ্বের দীর্ঘতম নখের সৌজন্যে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এবং রিপ্লিজ বিলিভ ইট অর নট-এ নাম লেখান শ্রীধর চিল্লাল। বিশ্ব রেকর্ড গড়তেই বৃদ্ধ শ্রীধরকে নিয়ে শুরু হয় নানান কৌতুহল। নানান অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ আসতে শুরু করে। ধীরে ধীরে বদলাতে শুরু করে শ্রীধরের সাধারণ জীবন। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে।

বয়সে শরীর ভেঙে গেছে। চিকিৎসকের পরামর্শে তাই বাঁম হাতের নখ কাটার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। শেষবার ১৯৫২ সালে
নখ কেটেছিলেন শ্রীধর। কিন্তু নখ কাটার একটাই শর্ত ছিল তার। নখ যেন সংরক্ষণ করা হয়। তার ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিতে খোঁজখবরও শুরু হয়। তাকে সম্মান জানাতে রিপ্লিস বিলিভ ইট অর নট মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ এগিয়ে আসে। সেখানেই সংরক্ষিত হয় শ্রীধরের নখ।

নিউইয়র্কে রিপ্লির সংগ্রহশালায় তা সংরক্ষিত থাকবে। নখ কাটানোর জন্য শ্রীধরকে নিউইয়র্কে নিয়ে যায় রিপ্লি কর্তৃপক্ষ। সেখানে এই নখ কাটা উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। পরে চিকিৎসক আনিয়ে কাটা হয় শ্রীধরের দীর্ঘতম নখ। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের নথি বলছে, এতদিনে শ্রীধরের বাম হাতের নখের মোট দৈর্ঘ্য হয়েছে ৯০৯.৬ সেন্টিমিটার। এর মধ্যে বাম হাতের বুড়ো আঙুলের নখের দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি। ১৯৭.৮ সেন্টিমিটার অর্থাৎ প্রায় ২ মিটার।



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে. এ. রাহিম. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: