সর্বশেষ আপডেট : ৩৩ মিনিট ২৯ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

হাসপাতাল অ্যাম্বুল্যান্স দেয়নি, মোটরবাইকে মায়ের মৃতদেহ মর্গে নিয়ে গেলেন ছেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়া করার মতো টাকা ছিল না৷হাসপাতাল থেকেও সাহায্য পাননি৷ তাই বাধ্য হয়ে কাঁধে করে স্ত্রীর নিথর দেহ নিয়ে ৬০ কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন ওড়িশার দানা মাঝি৷এবারও প্রায় একই ঘটনার সাক্ষী মধ্যপ্রদেশ৷মায়ের দেহ ময়নাতদন্তে নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুল্যান্স পেলেন না ছেলে৷তাই বাইকে করে মায়ের নিথর দেহ ময়নাতদন্তে নিয়ে গেলেন তিনি৷

ভারতের মধ্যপ্রদেশে এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হতেই শুরু হয়েছে হইচই৷ওই গ্রামের বাসিন্দা কুনওয়ার বিবি৷গত রবিবার বাড়িতেই ছিলেন তিনি৷কাজ করার সময় কুনওয়ারা লক্ষ্য করেননি বাড়িতেই তাঁর আশপাশে ওঁত পেতে রয়েছে বিপদ৷কাজের মাঝে আচমকাই যন্ত্রণায় ছটফট করে ওঠেন ওই মহিলা৷কী হল বোঝার আগেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি৷অবাক হয়ে যান পরিজনেরা৷আচমকা কুনওয়ারার অসুস্থতার খবর কানে যেতেই বাড়ির সামনে ভিড় জমান প্রতিবেশীরা৷কিছুক্ষণ পরেই প্রত্যেকে বুঝতে পারেন কুনওয়ারাকে সাপে কামড়েছে।একটু সময়ও অপেক্ষা না করেই মোহনগড় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে৷ কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হয়নি৷সাপের ছোবলে প্রাণ হারান কুনওয়ারা৷

হাসপাতাল থেকে মর্গের দূরত্ব প্রায় ৩৫কিলোমিটার৷সেখানেই মহিলার দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ৷কিন্তু দেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজন অ্যাম্বুল্যান্স৷কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও অ্যাম্বুল্যান্সের বন্দোবস্ত করা হয়নি৷তাই বাধ্য হয়ে মায়ের দেহ বাইকের সঙ্গে বেঁধে মর্গে নিয়ে যান রাজেশ৷ মাতৃহারা রাকেশকে সাহায্য করেন তাঁরই এক খুড়তুতো ভাই৷এরপর মর্গে মায়ের দেহের ময়নাতদন্ত করান রাজেশ৷এরপর মায়ের দেহ নিয়ে গ্রামে ফেরেন তিনি৷

এই ঘটনার পরই আবারও মধ্যপ্রদেশের স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে৷দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানোর বন্দোবস্ত কেন ওই মহিলার পরিবারকে করতে হল, এই প্রশ্নের মুখোমুখি হন জেলা প্রশাসনিক কর্তারা৷মধ্যপ্রদেশের কালেক্টরেট বলেন, ‘‘মন্দিরে নিয়ে গেলে হয় তো মা বেঁচে যাবে, এই আশাতেই রাজেশ তাঁর মাকে নিয়ে মন্দিরে গিয়েছিল৷এরপর জেলা হাসপাতালেও নিয়ে গিয়েছিল সে৷কিন্তু মা প্রাণ ফিরে না পাওয়ায় রাজেশ দেহ মর্গে নিয়ে গিয়েছিলেন৷’’ তিনি আরও বলেন,‘‘গ্রামে দেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুল্যান্সের বন্দোবস্ত করেছিল৷’’







নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: