সর্বশেষ আপডেট : ৪৭ মিনিট ২ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২২ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

অস্বাভাবিক জীবন থেকে ফেরা সেই তিন্নি এখন

বিনোদন ডেস্ক ::
এক সময়কার আলোচিত মডেল ও অভিনেত্রী শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি। আজ থেকে প্রায় ১৩ বছর আগেও বাংলাদেশের বিনোদন জগতে জনপ্রিয়তার শীর্ষ তালিকায় ছিলেন তিনি। যদিও সেই জনপ্রিয়তা থেকে বহু আগেই নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন। বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে কানাডার কুইবেক প্রদেশে বসবাস করছেন এ আলোচিত তারকা।

ক্যারিয়ারের শুরু থেকে তিন্নির ব্যক্তিগত জীবনের উত্থান-পতন কম বেশি অনেকেরই জানা। বিবাহ বিচ্ছেদ, মিডিয়া থেকে আড়াল হওয়া, মাদকের আসক্তি সব মিলেয়ে তার জীবন হয়ে উঠেছিল বিশৃঙ্খল ও বিপর্যস্ত। তবে সেই জীবন থেকে এখন স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছেন তিন্নি।

চলতি বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিন্নির সাম্প্রতিক কালের পোস্ট করা ছবিগুলো তারই প্রমাণ দেয়। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে যেমন গ্ল্যামার আর মাধুর্যতা ছিল তার, তা একটা সময় হারিয়ে গেলেও তিনি আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। ফিরে এসেছে তার সেই গ্ল্যামার। দেশ ছেড়ে কানাডায় গিয়ে জীবনকে সাজিয়েছেন নতুন করে। হারিয়ে যাওয়া সেই রূপলাবন্য অনেকটাই ফিরে পেয়েছেন তিনি।

২০০৪ সালে মিস বাংলাদেশ হয়েছিলেন তিন্নি। এরপর মডেলিং ও অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের মন জয় করে নিয়ে রাতারাতি তারকা বনে যান। ২০০৬ সালে অভিনেতা আদনান ফারুক হিল্লোলকে বিয়ে করেন। তিন্নি-হিল্লোল দম্পতির মেয়ে ওয়ারিশা। ২০০৯ সালে এ তারকা দম্পতি আলাদা হয়ে যান। এরপর মিডিয়া থেকে দূরে সরে পড়েন তিন্নি। ২০১২ সালে তাদের ডিভোর্স হয়। সে সময় মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েন এ অভিনেত্রী। মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রেও চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। ২০১৪ সালে পরিবারের অমতে আদনান হুদা সাদ নামের এক ব্যক্তিকে দ্বিতীয়বারের মতো বিয়ে করেন। ২০১৬ সালে সেই সম্পর্কেরও ইতি ঘটে।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: