সর্বশেষ আপডেট : ৪৬ মিনিট ৮ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ১৬ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:: বাংলাদেশে বর্তমানে ১১টি সিটি করপোরেশন রয়েছে।এই ১১টি সিটি করপোরেশনে বকেয়া হোল্ডিংয়ের পরিমাণ ৭১৯ কোটি ৯৩ লাখ।এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে সর্বাধিক ২৪০ কোটি ৭২ লাখ এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া রয়েছে ২০৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে সবচেয়ে কম ৯৭ লাখ টাকার হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া রয়েছে।আজ রবিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এ তথ্য জানান এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সরকারি দলের সংসদ সদস্য একে এম রহমতুল্লাহ। জবাবে তিনি আরো জানান, বকেয়া এই বিপুল পরিমাণ হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। অর্থবছরের প্রারম্ভে প্রতিটি হোল্ডিংয়ে বিলবহি প্রেরণ করা হয়েছে। এরপর নোটিশ, তাগিদ নোটিশ প্রেরণসহ মাঠ পর্যায়ের কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খেলাপী করদাতাগণের সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। বকেয়া পরিশোধ করার জন্য মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার করে খেলাপী করদাতাগণকে অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বকেয়া কর আদায়ের লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকার তাগিদ নোটিশ ও ক্রোকের নোটিশ বিলি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির লক্ষ্যে হোল্ডিং ট্যাক্স বাবদ বকেয়া আদায়ে কঠোর মনিটরিং করা হচ্ছে। বড় বড় খেলাপীদের ওয়ার্ড ভিত্তিক তালিকা প্রণয়ন করে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ে সহযেগিতা চেয়ে ওয়ার্ড কাউন্সিলর বরাবর তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে।

সরকারি দলের সদস্য পঞ্চানন বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে মশিউর রহমান রাঙ্গা জানান, ইতিমধ্যে সারা দেশে ৪৮৪টি উপজেলায় পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কার্যক্রম নিজস্ব অনলাইন সফটওয়্যারের মাধ্যমে চলমান রয়েছে এবং অবশিষ্ট উপজেলায় নিজস্ব অনলাইন সফটওয়্যারের মাধ্যমে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কার্যক্রম শীঘ্রই চালু করা হবে।

সরকার দলীয় অপর সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, আয়তন ও জনসংখ্যা ঘনত্বের বিবেচনায় রাজধানী ঢাকায় ৩০ জন নগর পরিকল্পনাবিদ প্রয়োজন। বর্তমানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে একজন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন মোট দুইজন পরিকল্পনাবিদ কর্মরত আছেন। নগর পরিকল্পনাবিদের প্রয়োজন অনুযায়ী পদ সৃষ্টির কার্যক্রম ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।

জাসদের বেগম লুৎফা তাহেরের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের অধিকাংশ মানুষ এখনও ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীল। ভবিষ্যতে ভূ-গর্ভস্থ পানির উৎসের ওপর চাপ হ্রাস করতে সরকার ভূ-উপরিস্থ পানির উৎস ব্যবহারের বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকার প্রাকৃতিক জলাধার পুনঃরুদ্ধার, পুকুর খনন, হাওর ও জলাশয়ের পানি ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। আশা করা যায়, ২০২১ সালের মধ্যে ৭০ ভাগ ভূ-পৃষ্ঠস্থ পানি আর ৩০ ভাগ ভূ-উপরিস্থ পানির উৎসের ওপর নির্ভর নিশ্চিত করে ঢাকাবাসীর মধ্যে পানি সরবরাহ করা হবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: