সর্বশেষ আপডেট : ১০ মিনিট ১৯ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কলেজে ভর্তি হতে না পারায় মেধাবী ছাত্রের আত্মহত্যা!

নিউজ ডেস্ক:: এইচএসসিতে ভালোই রেজাল্ট করেছিল ছেলেটি।যা দিয়ে অনায়াসে যে কোনো কলেজে ভর্তি হওয়ার কথা ছিল তার।কিন্তু ছাত্রনেতাদের ভর্তি বাণিজ্য আর নানা অনিয়মে কারণে বার বার বাধাগ্রস্থ হয় তার সে চেষ্টা।শেষে দুঃখ কষ্ট আর হতাশার ভার সহ্য করতে না পেরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই শিক্ষার্থী।বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতায়।নিহতের নাম অম্লান সরকার (১৯)।

তার আসল বাড়ি বনগাঁয়।লেখাপড়ার সুবিধার্থে বছর চারেক আগে ছেলেকে বোড়ালে এক খালার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন অম্লানের বাবা প্রদীপ সরকার।বোড়াল হাই স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে।সেখান থেকে ৮০ শতাংশ নম্বর নিয়ে মাধ্যমিক, এবার ৭৯ শতাংশ নম্বর নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন ছাত্রটি।

খুব ভালো ছবি আঁকতে পারতেন অম্লান।সরকারি আর্ট কলেজে ভর্তি হওয়ার ইচ্ছে ছিল তার।কিন্তু সেখানে প্রবেশিকা পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পরে গড়িয়ার দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজ ও পাটুলির কে কে দাস কলেজে ইংরেজি অনার্সে ভর্তির ফর্ম তুলেছিলেন।

মেধা তালিকায় নাম ওঠায় গত ২২ জুন অ্যান্ড্রুজে কাউন্সেলিংয়ের জন্য যান। কিন্তু ছাত্র সংঘর্ষের জন্য কলেজেই ঢুকতেই পারেননি। পরদিন কে কে দাস কলেজে আধঘণ্টা দেরিতে পোঁছনোর অজুহাত দেখিয়ে তাকে কাউন্সেলিংয়ে ঢুকতে দেননি ছাত্র ইউনিয়নের নেতারা।

এরপর মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়ার জন্য গত বৃহস্পতিবার সোনারপুরের ফিউচার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে গিয়েছিলেন। কিন্তু পদার্থবিদ্যায় নম্বর কম থাকায় সেখানেও ভর্তি হতে পারেননি ওই ছাত্র। এ নিয়ে ভীষণভাবে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন অম্লান।

ওইদিন সকাল ১১টা নাগাদ ফিউচার কলেজ থেকে ফেরার পর খালিবড়িতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন অম্লান। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না-তদন্তে পাঠায় সোনারপুর থানার। শুক্রবার সন্ধ্যায় দাহ করা হয়েছে তার লাশ।

প্রসঙ্গত, কলকাতার কলেজগুলোয় সম্মানশ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের ভর্তিকে কেন্দ্র করে চলছে ‘দাদা’দের নানা দৌরাত্ম।নগদ অর্থ এমনকি এক বোতল মদের বিনিময়েও তারা অযোগ্যদের ভর্তি করছেন।এমনকি বাড়িতে বাড়িতে গিয়েও ভর্তিচ্ছুদের খোঁজ করছেন।আর অম্লানের মত মেধাবীরা ভর্তির কোনো সুযোগ পাচ্ছে না।ফলে বাড়ছে হতাশা আর ক্ষোভ।যে কারণে অকালে ঝড়ে গেল অম্লানের মত একজন মেধাবী ছাত্রের জীবন।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: