সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ১৫ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সবার জন্য পেনশনের রূপরেখা ঘোষণায় অর্থমন্ত্রীর প্রশংসা

নিউজ ডেস্ক:: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়া বলেছেন, প্রস্তাবিত বাজেটে সবার জন্য পেনশনের রূপরেখা ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। বিশেষ করে বেসরকারি কর্মজীবীদের জন্য। এটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারও ছিল। দীর্ঘ প্রত্যাশিত এই বিষয়টি এবার স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে প্রস্তাবিত বাজেটে। এবার বাস্তবায়ন হয়তো সীমিত আকারে শুরু হবে। তবে শুরুটা হয়েছে তার জন্য সরকার এবং অর্থমন্ত্রী প্রশংসা পাবেন।

রোববার জাতীয় সংসদের প্রস্তাবিত বাজেটর ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন কুমিল্লা-১ আসনের এই সংসদ সদস্য।

দুইবারের নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, চাকরিজীবনে বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্য আসার বিরল সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। আমি সরাসরি তার স্নেহের ছোঁয়া পেয়েছি। সেই স্মৃতিময় ঘটনাগুলো নিয়ে আমার একটি গ্রন্থ বাজারে আছে। নাম ‘বঙ্গবন্ধুকে যেমন দেখেছি’।

তিনি বলেন, অনেক আশা, অনেক প্রত্যাশা আছে এই বাজেটে। আছে সমৃদ্ধ আগামীর স্বপ্নও। সম্ভাবনাময় আগামীর স্বপ্ন দেখিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বেশকিছু ইতিবাচক পদক্ষেপও গ্রহণ করেছেন। পদক্ষেপগুলোর বাস্তবায়নে তিনি যে সংকল্পবদ্ধ এমনটাই মনে হয়েছে তার বক্তব্যে।

তিনি বলেন, বিগত সময়ে ব্যাংকিং খাতে যে অনিয়ম হয়েছে সে বিষয়ে এবং ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে ব্যাংকের টাকা আদায়ে কী ব্যবস্থা নেয়া হবে? তার স্পষ্ট ধারণা উঠে আসেনি। দেশের অর্থনীতিতে স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে হলে এসব অনিয়ম ও ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

বাজেটে ঘাটতি মেটাতে কর আদায়ের খাত বৃদ্ধির কথা অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেছেন। একথা সত্য যে, উন্নয়নের জন্য করখাত বাড়াতে হবে। কর আদায় ব্যবস্থা আরও সহজ করা গেলে করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। এই ক্ষেত্রে কিছু পরামর্শও দেন তিনি।
তিনি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় গত সাড়ে নয় বছরে ২০০০ কোটি টাকার উন্নয়ন হয়েছে। ব্রিজ, কালভার্ট, স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, কবরস্থান, মন্দিরসহ বিভিন্ন স্থাপনা সংস্কার ও নির্মাণে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। আমি একটি দাবি এই মহান সংসদে গত নয় বছর ধরে করে আসছি। দাউদকান্দিকে হেড কোয়ার্টার করে কুমিল্লা উত্তর সাংগঠনিক জেলাটিকে পূর্ণাঙ্গ জেলা ঘোষণা। আশির দশকে তৎকালীন সরকার দেশের সকল মহকুমাকে জেলা ঘোষণা করলেও কুমিল্লা উত্তর মহকুমাকে জেলায় রূপান্তর করেনি। সময়ের প্রয়োজনে এটি এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দাবি।

তিনি বলেন, ঐতিহ্যগতভাবে কুমিল্লা একটি বর্ধিষ্ণু অঞ্চল। এই জনপদে অনেক ঐতিহাসিক নিদর্শন রয়েছে। ৩০৮৫ বর্গ কি.মি. আয়তনের এই জেলায় প্রায় ৬০ লাখ লোকের বসবাস। ১৬টি উপজেলা নিয়ে গঠিত জেলাটি সাংগঠনিকভাবে দু’ভাগে বিভক্ত হলেও প্রশাসনিকভাবে এখনও একটি। বিশাল এই প্রশাসনিক জেলাটি জনগণের সেবায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। কেননা হোমনা, তিতাস, মেঘনা, দাউদকান্দি, মুরাদনগর, চান্দিনার সুবিধাবঞ্চিত মানুষ এতে নানাভাবে বিড়ম্বিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, কুমিল্লা উত্তর সাংগঠনিক জেলাটি দাউদকান্দি, মেঘনা, হোমনা, তিতাস, চান্দিনা, মুরাদনগর এবং দেবীদ্বার উপজেলা নিয়ে গঠিত। জনসংখ্যা, যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত কারণে ৭টি উপজেলার মধ্যে দাউদকান্দি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একসময় নদীবন্দর ছিল এই দাউদকান্দি। মেঘনা, গোমতি, তিতাসসহ ছোট ছোট নদী এই উপজেলাটির বুক চিরে নিজ গন্তব্যে পৌঁছেছে। সড়কপথে দেশের যেকোনো অঞ্চলে যাতায়াতের সুব্যবস্থাও রয়েছে এই উপজেলাটিতে থেকে। আমার প্রস্তাবিত জেলাটির চেয়ে জনসংখ্যা ও আয়তনে অনেক ছোট একাধিক জেলা আমাদের দেশে রয়েছে।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: