সর্বশেষ আপডেট : ২৫ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ

সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেছেন- অবৈধ ফ্যাসিবাদী সরকার রাজনীতি থেকে মাইনাস করতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ষড়যন্ত্রমুলক মামলার ফরমায়েসী রায়ে কারাগারে আটকে রেখেই ক্ষান্ত হয়নি। কারাগারে বিনা চিকিৎসায় গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়ার মাইল্ড স্ট্রোক হয়েছে এছাড়া তিনি ৫ জুন কারাগারে মাথাঘুরে পড়ে যান এসময় তিনি ৫-৭ মিনিট অজ্ঞান ছিলেন। চিকিৎসক ও দলের পক্ষ থেকে বার বার দাবী জানানো স্বত্ত্বেও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত রেখে বাকশালী সরকার আইন ও মানবাধিকারের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেছে। বিএনপি চেয়ারপার্সনের প্রতি অবৈধ ফ্যাসিস্ট সরকারের বর্বরতা ও অমানবিক আচরণ পাক বাহিনীর বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। কোন টালবাহানা ষড়যন্ত্র নয়, অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে তাঁর সুকিচিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। জনতার শান্তিপূর্ণ কর্মসুচীকে দুর্বলতা মনে করলে সরকারকে কঠোর মুল্য দিতে হবে।

রবিবার বিকেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসুচীর অংশ হিসেবে ষড়যন্ত্রমুলক মামলার ফরমায়েসী রায়ে কারান্তরীণ বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসা নিশ্চিতের দাবীতে নগরীতে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি। মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন। মিছিলটি নগরীর কোর্ট পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নগরীর জিন্দাবাজার পয়েন্টে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়। মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত চৌধুরী সাদেক। মিছিলে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ ছাড়াও যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল, মহিলা দল, জাসাস ও ওলামা দল সহ অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জেলা সহ-সভাপতি একেএম তারেক কালাম, মহানগর সহ-সভাপতি আমির হোসেন, জেলা উপদেষ্ঠা মাজহারুল ইসলাম ডালিম, জেলা সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মুকুল মোর্শেদ, বিএনপি নেতা নজিবুর রহমান নজিব, মহানগর দফতর সম্পাদক সৈয়দ রেজাউল করিম আলো, জেলা দফতর সম্পাদক এডভোকেট মোঃ ফখরুল হক, প্রচার সম্পাদক নিজাম উদ্দিন জায়গীরদার, মহানগর প্রকাশনা সম্পাদক জাকির হোসেন মজমুদার, জেলা শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সুরমান আলী, মহানগর স্বাস্থ্য সম্পাদক ডাঃ আশরাফ আলী, শ্রম সম্পাদক ইউনুছ মিয়া, আপ্যায়ন সম্পাদক আফজাল উদ্দিন, পরিবেশ সম্পাদক আবুল কালাম, জেলা সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠন সমুহের মধ্য থেকে বুরহান উদ্দিন, ফখরুল ইসলাম, আব্দুল মালেক, সেলিম আহমদ রনি, নজির হোসেন, সরোয়ার হোসেন, আব্দুস সবুর, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, উজ্জল রঞ্জন চন্দ, কয়েস আহমদ সাগর, মাহবুবুল হক চৌধুরী, শফিকুর রহমান টুটুল, এম মখলিছ খান, শামসুর রহমান শামীম, আশরাফ বাহার, মকসুদুল করিম নোহেল, কামরুজ্জামান দিপু, জিয়াউর রহমান দিপন, খোকন ইসলাম, ইসমাইল আলী, মুজিবুর রহমান মুজিব, মাহবুব আহমদ চৌধুরী, আশরাফ সিদ্দিকী রাহাত, নুরুল ইসলাম লিমন, মঈনুল হক স্বাধীন, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, রাশেদুল হাসান খালেদ, ফখরুল ইসলাম, আক্তার আহমদ, আজিজুল হোসেন আজিজ, রোমান আহমদ, মির্জা জাহেদ, আলতাফ হোসেন সুমন, আফসর খান, কামরান হোসেন হেলাল, জিএম সেলিম চৌধুরী, ইসহাক আহমদ, সুদীপ সেন, নজরুল ইসলাম, বদরুল ইসলাম, শিহাব খান, আব্দুল হাসিব, সুহেল ইবনে রাজা, কামরান আহমদ, বেলাল আহমদ, আলী আকবর রাজন, মিজানুর রহমান মিজান, রুবেল ইসলাম, সুমন আহমদ বিপ্লব, মোহাম্মদ আলী দিলোয়ার, শেখ সোহান, মঈন খান, মহসিন তালুকদার, হুমায়ুন রশীদ, শিবু হাসান, জুনেদ আহমদ, আল আমীন, মুজাহিদুল ইসলাম মহি, আবু সালেহ, ফাহাদ আহমদ হাবীব, মিসবাহ উদ্দিন ইমন, আব্দুল কাদির, মাসুম আহমদ লস্কর, খালেদ আহমদ, শিপন চন্দ ও জুনেদ আহমদ প্রমুখ।

সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ বলেন- তিন বারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রীকে ফরমায়েসী রায়ে সাজা দিয়ে কারাগারে আটকে রেখে ফ্যাসিবাদী সরকার তাঁকে পরিকল্পিতভাবে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। আওয়ামী বাকশারী সরকার আইন ও মানবাধিকারের কোন তোয়াক্কা না করেই তাঁকে বিনা চিকিৎসায় কারাগারে আটকে রেখেছে। তাঁর মুক্তি বিলম্বিত করতে দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। সাজা প্রাপ্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীরা জামিনে বের হয়ে দেশ থেকে পালিয়ে যায় আর তিন বারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রীর জামিন দিতে কালক্ষেপনই তার প্রমাণ। ইতিহাস কোন স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্টকে ক্ষমা করেনি। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে গণতন্ত্রের পথে ফিরে আসার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত চৌধুরী সাদেক বলেন- ষড়যন্ত্রমুলক মামলায় কারান্তরীণ তিন বারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রীর কারাগারে মাথা ঘুরে পড়ে ৫-৭ মিনিট অজ্ঞান থাকা এবং মাইল্ড স্ট্রোক এর খবর জাতির জন্য এক কলংকজনক অধ্যায়ের সুচনা করেছে। একটি ভুয়া মামলায় ফরমায়েসী রায় দিয়ে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার পাশাপাশি গণতন্ত্রের মা কে দুনিয়া থেকে মাইনাস করার ষড়যন্ত্র চলছে। এর পরিনতি ভাল হবেনা। অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিঃর্শত মুক্তি দিয়ে তাঁর প্রয়োজনীয় সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। – বিজ্ঞপ্তি

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: