সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বিশ্বের বৃহত্তম বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর মধ্যে বাংলাদেশ পঞ্চম

নিউজ ডেস্ক:: বিশ্বের বৃহত্তম বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর মধ্যে বাংলাদেশের স্থান পঞ্চম। বাস্তুচ্যুত মানুষের কারণে ঢাকার পরিবেশ বিপন্ন হচ্ছে, সেবার মান কমছে এবং নগর অর্থনীতির উপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

বুধবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের আর আই খান মিলনায়তনে ‘জলবায়ু পরিবর্তন জনিত নগর সমস্যা ও বাস্তুচ্যুত মানুষের নগরে অভিগমন ও অভিযোজন: ঢাকা মহানগরের উপর গবেষণার ফলাফল প্রকাশ’ শীর্ষক সেমিনারে এই তথ্য জানানো হয়। ঢাবি ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের নজরুল ইসলাম আরবান স্টুডিও এবং বাংলাদেশ জলবায়ু ট্রাস্ট যৌথভাবে এই সেমিনারের আয়োজন করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ ও বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীপক কান্তি পাল। সেমিনারে গবেষণার সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন গবেষণা প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলাম নাজেম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন।

পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের ঝুঁকি বেশি। গবেষণার মাধ্যমে সম্ভাব্য ঝুঁকিসমূহ চিহ্নিত করতে হবে এবং সমাধানের উপায় বের করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ পরিবেশের সার্বিক উন্নয়নে মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় কার্যকর ও টেকসই প্রকল্প গ্রহণের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বিশ্বের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বৃহত্তম বাস্তু-চ্যুত দেশসমূহের কর্ম-পরিকল্পনাও এক্ষেত্রে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনসহ পরিবেশ বিষয়ক সার্বিক গবেষণা গতিশীল করতে শীঘ্রই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘গ্রিন হাউজ’ নির্মাণ করা হবে বলে তিনি জানান।

গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়- নদী ভাঙ্গন, বন্যা, সাইক্লোন, জলাবদ্ধতা ও খরার কারণে বাংলাদেশে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। ঢাকা মহানগরের ২০ শতাংশ এলাকাকে জলবায়ু বিপদাপন্ন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা ঢাকার জলাবদ্ধতার জন্য দায়ী। প্রতিবেদনে ঢাকামুখী অভিবাসনের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন, গ্রামে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বার্থে ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং সর্বত্র সুশাসন প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করা হয়।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: