সর্বশেষ আপডেট : ৩৯ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

আবারও লড়াইয়ে নামছেন আরিফ-কামরান

ডেইলি সিলেট ডট কম:: সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী ডামাঢোল বেজে উঠেছে। ১৩ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে নির্বাচনের দিন গণনা। বেশ কিছুদিন ধরে আওয়ামী লীগ-বিএনপি থেকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে বেশ ক’জনের তৎপরতা লক্ষ্য করা গেলেও সময়ের স্রোতে সে অবস্থা এখন আর লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। ভোটের লড়াইয়ের ক্ষণ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে বাস্তবতার নিরিখে এগিয়ে চলার পক্ষে চিন্তা করছেন সবাই। ধীরে ধীরে পরিস্কার হয়ে উঠছে এবারের সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ধানের শীষ নিয়ে বর্তমান মেয়র আরিফুল হক

চৌধুরী ও নৌকা নিয়ে সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানই মুখোমুখি হচ্ছেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে যে, অক্টোবরে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হবে। এ অবস্থায় ১৩ মার্চ থেকে ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচন করতে হবে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) নুরুল হুদা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই অর্থাৎ চলতি বছরের জুলাইর মধ্যেই সিলেটসহ দেশের পাঁচ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে কখন কোনদিন তা এখন

বলা যাচ্ছেনা। এদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধীদল বিএনপির মেয়র-প্রার্থী প্রায় চূড়ান্তই বলা যায়।

সিলেট সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আরিফুল হক চৌধুরী ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সদস্য ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দীন আহমদ কামরান দু’জনই মেয়র প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে পুরোপুরি আশাবাদি ও আত্মবিশ্বাসী। দু’জনই বলছেন হাইকমান্ডের নির্দেশনায় তারা তৃণমূল পর্যায় থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।

২০১৭ সালের ৮ জুলাই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বৈঠকে বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে তৈরী হওয়ার জন্য ইতোমধ্যে গ্রীন সিগন্যাল দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি তাকে লন্ডনে টিউলিপের অসাধারণ বিজয়ের প্রতি ইঙ্গিত করে ঘরে ঘরে মানুষের সাথে সু-সম্পর্ক গড়ে তোলারও আহবান জানান নির্বাচনী প্রার্থীদের।

এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেন, কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা মাঠে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন কামরানকে। এটা কামরানের জন্য একধরনের গ্রিন সিগন্যাল। এ ব্যাপারে কামরান বলেন, জনগণের জন্যই আমার রাজনীতি। দল ও নেত্রীর প্রতি আনুগত্য রেখে সব সময়ই জনমানুষের পাশে আছি।

অপরদিকে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমি দলের মূল্যায়ন চাইব। দল নিশ্চয়ই আমাকে মূল্যায়ন করবে। দল অবশ্যই যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেবে বলে আমার বিশ্বাস। এক্ষেত্রে মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর আমার কারান্তরীন হওয়া, মেয়র হিসেবে নগরবাসীর জন্য আমার অবদান, কর্মতৎপরতা সবকিছুই বিবেচিত হবে।

এদিকে সিটি মেয়র পদে নির্বাচন করেত বিএনপি ও আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা নিজেদের যোগ্যতা ও দলের জন্য তাদের অবদানের বিষয়টি তুলে ধরে মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ বলেন, প্রায় চার বছর ধরে মেয়র পদে নির্বাচনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। দল থেকে আমি মনোনয়নপ্রত্যাশী। দল থেকে এখনো কাউকেই প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। সবার জন্য সুযোগ রয়েছে।’ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী আজাদুর রহমান আজাদ ও মাহিউদ্দিন সেলিম বলেন, দলীয় সভানেত্রী মনোনয়ন দিলে তারা নির্বাচন করতে প্রস্তুত রয়েছেন।

এদিকে, সিসিক নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরাও নিজেদের প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। দল থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী আরো রয়েছেন সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম ও সিটি কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। তবে এ দৌড়ে আরিফই এগিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সিসিকের গত নির্বাচনে জয়ী হয়ে মেয়র আরিফ স্বস্তিতে ছিলেন না। সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে তাকে প্রায় দুই বছর কারান্তরীণ থাকতে হয়েছে। এ জন্য তার প্রতি দলের নেতা-কর্মীদের সহানুভূতি রয়েছে। এ ছাড়া নগরীর উন্নয়নে আরিফের কিছু পদক্ষেপ সাধুবাদ পেয়েছে নগরবাসীর কাছে। এসব বিবেচনায় বিএনপির হাইকমান্ড আগামী নির্বাচনেও আরিফের ওপর আস্থা রাখতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সিসিকের গত নির্বাচনে জয়ী হয়ে মেয়র আরিফ স্বস্তিতে ছিলেন না। সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে তাকে প্রায় দুই বছর কারান্তরীণ থাকতে হয়েছে। এ জন্য তার প্রতি দলের নেতা-কর্মীদের সহানুভূতি রয়েছে। এ ছাড়া নগরীর উন্নয়নে আরিফের কিছু পদক্ষেপ সাধুবাদ পেয়েছে নগরবাসীর কাছে। এসব বিবেচনায় বিএনপির হাইকমান্ড আগামি নির্বাচনেও আরিফের ওপর আস্থা রাখতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে আরিফের দলীয় মনোনয়ন কঠিন করে তুলতে পারেন অন্যান্য প্রার্থী। নিজেদের অবস্থান আরো দৃঢ় করতে তারা জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: