সর্বশেষ আপডেট : ২৪ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ঢাকাসহ ৯ জেলায় বন্দুকযুদ্ধে ১২ জন মাদক ব্যবসায়ী নিহত

ডেইলি সিলেট ডেস্ক: সারাদেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে রবিবার (২৭ মে) রাতে ১২ জন মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম নজু নিহত হয়েছে। কুমিল্লা ও পিরোজপুরে গোলাগুলিতে চার জন এবং ঝিনাইদহ, চাঁদপুর, মুন্সীগঞ্জ, পাবনা ও নাটোরে একজন করে ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। এছাড়া সাতক্ষীরা থেকে আরই দুই মাদক ব্যবসায়ীল গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঢাকা: রাজধানীর মিরপুরের চলন্তিকা বস্তি এলাকার পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম ওরফে নজু সর্দার (৪২) নিহত হয়েছে। রবিবার (২৭ মে) রাত ২টার দিকে রূপনগরের ‘ট ব্লক’ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান একথা জানিয়েছে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, বন্দুকযুদ্ধের পর তাদের কাছে থাকা শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের ছবি মিলিয়ে দেখে প্রাথমিকভাবে তারা নিশ্চিত হয়েছেন নিহত ব্যক্তি নজু সর্দার।ডিবি জানিয়েছে, মিরপুরের রূপনগরের ‘ট ব্লক’র ওই আস্তানায় নজু অবস্থান করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতেই ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালায়। এসময় তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয় নজরুল।

রূপনগর থানার এসআই মিজান জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০ বছর ধরে মিরপুর এলাকায় মাদক বিক্রি করছিল মাদক ব্যবসায়ী নজু। গাঁজা বিক্রি দিয়ে মাদক ব্যবসায়ীর খাতায় নাম লেখালেও সর্বশেষ সব ধরনের মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিল সে। মিরপুরের রূপনগর থানাধীন চলন্তিকা বস্তিতে ভাই-বোন-স্ত্রীসহ পরিবারের সবাইকে নিয়ে মাদক বিক্রি করতো।

কুমিল্লা: কুমিল্লায় পুলিশের সঙ্গে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। রবিবার (২৮ মে) রাত ১টায় কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলার পশ্চিম ভিংলাবাড়ি এলাকায় গোমতী নদীর বাঁধে উপর এনামুল হক ভূইয়া ওরফে দোলন (৩৫) এবং রাত পৌনে ২টায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলায় গলিয়ারায় মো. নুরু (৫৫) বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়।

দেবিদ্বার থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক উদ্ধার করতে সহকারী পুলিশ সুপার (দেবিদ্বার-ব্রাহ্মণপাড়া সার্কেল) শেখ মোহাম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপজেলার পশ্চিম ভিংলাবাড়ি এলাকায় গোমতী বাঁধে অবস্থান নেন। পরে সেখানে মাদক ব্যবসায়ী দোলনসহ তার সহযোগীরা পৌঁছলে তাদের আটকের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় দোলন ও তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও আত্মরক্ষায় ২৩ রাউন্ড শটগানের গুলি চালায়। এতে মাদক ব্যবসায়ী দোলন গুলিবিব্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে কুমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, এনামুল পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী ছিল। তার বিরুদ্ধে দেবিদ্বার ও মুরাদনগর থানায় ১২টি মাদকের মামলা রয়েছে। অপরদিকে রাত পৌনে ২টার দিকে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মো. নুরু নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে।

সদর দক্ষিণ থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, মাদকবিরোধী অভিযানকালে তার ফোর্স নিয়ে উপজেলার সীমান্তবর্তী গলিয়ারা এলাকায় অবস্থান নেন তিনি। এসময় পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে মাদক ব্যবসায়ী নুরু ও তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও আত্মরক্ষায় গুলি চালালে ঘটনাস্থলে গুলিবিব্ধ হয়ে নুরু গুরুতর আহত হয়। তাকে উদ্ধারের পর কুমেক হাসপাতালে নেওয়ার পর ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরও জানান, নিহত নুরু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী এবং তার বিরুদ্ধে ১১টি মাদক ও ১টি অস্ত্র মামলা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত এক সপ্তাহে কুমিল্লায় বন্দুকযুদ্ধে ১০ জন মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে।

চাঁদপুর: চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আবু সাঈদ বাদশা ওরফে লাল বাদশা নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। রবিবার মধ্যরাতে ফরিদগঞ্জের গুপ্টি ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তার বিরুদ্ধে ১০টি মাদকের মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, পুলিশের একটি দল অভিযানে বের হয়ে ফরিদগঞ্জের গুপ্টি ব্রিজ এলাকায় গেলে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের ওপর হামলা ও গুলি চালায়। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে বাদশা গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায় তাকে ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে ১১১ পিস ইয়াবা, ১টি একনলা বন্দুক, ৪ রাউন্ড গুলি ও ১টি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পিরোজপুর: পিরোজপুরে পৃথক বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। রবিবার (২৭ মে) দিবাগত রাতে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশের আট সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন পিরোজপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জি. এম. আবুল কালাম আজাদ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুরে উত্তর কৃষ্ণনগর এলাকা থেকে মো.অহিদুজ্জামান ( ৪০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে পিরোজপুর ডিবি পুলিশের একটি দল। তার দেওয়া তথ্য অনুসারে রাত ১টার দিকে সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নের টোনা ব্রিজ সংলগ্ন কৈবর্তখালী গ্রামে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে যায় পুলিশ। সেখানে গেলে অহিদুজ্জামানের সঙ্গীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় এবং অহিদুজ্জামানকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। পরে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এসময় মাদক ব্যবসায়ী অহিদুজ্জামান পালাতে গেলে পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এ ঘটনায় পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ১টি পাইপগান, ৫ রাউন্ড গুলি, ২টি দা, ১৭৫ টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫০ গ্রাম গাঁজা, অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি ও মাদক সেবনের সরঞ্জামাদি উদ্ধার করে পুলিশ।

অন্যদিকে, রাত ২টার দিকে মাদক উদ্ধার অভিযানের অংশ হিসেবে জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার বড় মছুয়া এলাকার খায়ের গনিপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযান চলাকালে মাদক ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান (৩৬) ও তার সঙ্গীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সে সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই মিজানুর রহমান মারা যায় ও অন্যরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মঠবাড়িয়া থানার ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়। পরে সেখান থেকে নিহত মিজানুর রহমান ও আহত ৬ পুলিশ সদস্যকে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে পুলিশ।

মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ছরোয়ার জানান, নিহত মিজানুর রহমান মঠবাড়িয়া আঞ্চলিক ডাকাতদের নেতা ও স্থানীয় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতিসহ ৬ টি মামলা রয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ: মুন্সীগঞ্জের মীরকাদিম পৌরসভায় মাদক ব্যবসায়ীদের দুই পক্ষের গোলাগুলিতে সুমন বিশ্বাস (৩৬) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি তদন্ত গাজী সালাউদ্দিন একথা জানিয়েছেন।রবিবার (২৭ মে) রাত ২টার দিকে পৌরসভার মুড়মা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

তিনি জানান, মীরকাদিম পৌরসভার মুড়মা এলাকায় দুই দল মাদক ব্যবসায়ীদের মাঝে গোলাগুলি হয়। এসময় প্রতিপক্ষের গুলিতে সুমন বিশ্বাস উরফে কানা সুমন নিহত হয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সুমনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সুমনের বিরুদ্ধে মাদকসহ ২০-২৫টি মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তবে কী পরিমাণ ইয়াবা রয়েছে তা এখনও গণনা করা হয়নি।

সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরায় দুই ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, মাদক ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে মাদক ব্যবসায়ীদের গোলাগুলিতে এ ঘটনা ঘটতে পারে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান ও ১০৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার সকালে সাতক্ষীরা পৌরসভার বাকাল আগুনপুর গ্রামের একটি মৎস্য ঘের সংলগ্ন কাঁচারাস্তা থেকে মরদেহ দু’টি উদ্ধার করা হয়। সাতক্ষীরা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রবীর জানান, সকালে গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে মরদেহ দু’টি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

ঝিনাইদহ: ঝিনাইদহে মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে গোলাগুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। রবিবার (২৭ মে) রাত দেড়টার দিকে সদর উপজেলার জাড়গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। সদর থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ এই তথ্য জানিয়েছেন।

ওসি জানান, রাত দেড়টার দিকে জাড়গ্রামে গোলাগুলির শব্দ শুনে টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেখানে একজনের গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকতে দেখে। তার পাশ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি, কেজি খানেক গাঁজা, ২০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় একজন মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। তার নাম ঠিকানা এখনও পাওয়া যায়নি।প্রসঙ্গত, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান শুরুর পর ঝিনাইদহে এ নিয়ে মোট চারজন নিহত হয়েছে।

নাটোর: নাটোরের সিংড়া উপজেলার ভাগনগরকান্দি এলাকায় র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। এসময় র‍্যাবের ২ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি রিভলবার ও বেশ কিছু ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।রবিবার রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে নিহতের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

পাবনা: পাবনার বেড়ায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ইজ্জত আলী প্রামানিক (২৮) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, ইজ্জত আলী সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও ডাকাত। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, চাঁদাবাজী ও অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধে ১৪টি মামলা রয়েছে।

পাবনার পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির জানান, রবিবার রাত ১টার দিকে বেড়া থানা পুলিশের একটি দল টহল দিচ্ছিল। এসময় তারা পৌর এলাকার তেঘরী মহল্লার গিয়ে দেখতে পায় একটি ডাকাত দল ডাকাতির উদ্দেশ্যে কাঠের গুড়ি ফেলে গাড়ি থামানোর চেষ্টা করছে। এসময় পুলিশ সদস্যরা গাড়ি থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। কিছু সময় বন্দুকযুদ্ধ চলার এক পর্যায়ে ডাকাত দল পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে ইজ্জত আলীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে বেড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: