সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ২৭ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

তামাকে কর বৃদ্ধি জরুরি

নিউজ ডেস্ক:: আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতার পাশাপাশি তামাক নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে সর্বোপরি জনস্বার্থে তামাকজাত দ্রব্যের মূল্য নির্ধারণ এবং তামাকের কর বৃদ্ধি জরুরি বলে মনে করছে তামাক বিরোধী সংগঠনগুলো।

সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেঞ্জ লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের প্রোগ্রাম ম্যানেজার সৈয়দা অনন্যা রহমান।

ব্যুরো অব ইকোনোমিক রিসার্চ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটি, ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট, বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশন, তামাকবিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ), বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোট এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লউবিবি) ট্রাস্ট যৌথভাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

অনন্যা বলেন, তামাক থেকে বিপুল পরিমাণে রাজস্ব আসে এই যুক্তি দিয়ে তামাক কোম্পানিগুলো দীর্ঘদিন ধরে তামাকজাত দ্রব্যের কর বৃদ্ধির বিরোধিতা করে আসছে। তার পাশাপাশি আছে তামাকজাত দ্রব্যের কর কাঠামোয় শুভঙ্করের ফাঁকি। বাংলাদেশে এখনও স্বল্পমূল্যে তামাক পাওয়া যায়। প্রয়োজনীয় সকল দ্রব্যের মূল্য বাড়লেও সে অনুপাতে বাড়েনি তামাকজাত দ্রব্যের দাম। বাংলাদেশে এখনো পৃথিবীর সবচেয়ে কম মূল্যে চর্বণযোগ্য তামাক পাওয়া যায।

ডব্লউবিবি ট্রাস্টের এই ম্যানেজার জানান, গ্লোবাল অ্যাটলাসের সর্বশেষ তথ্যানুসারে তামাক ব্যবহারজনিত রোগে প্রতিবছর বাংলাদেশে ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ মারা যায়। বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৮ (১) অনুসারে জনগণের পুষ্টির স্তর উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করবে এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা নেবে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশই তরুণ। অর্থাৎ ১০ থেকে ২৪ বছর বয়সী মানুষের সংখ্যা হলো চার কোটি ৭৬ লাখ। ২০৬১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রবীণ মানুষের সংখ্যা পাঁচ গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে। ২০১১ সালে যে সংখ্যাটি ছিল ১ কোটি ১২ লাখ, তা ২০৬১ সালে আনুমানিক ৫ কোটি ৬৭ লাখ হবে। বর্তমান যুবদের অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সচেতন করতে পারলে আগামী দিনের প্রবীণদের মাঝে এ রোগ কমে আসবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) চেয়ারম্যান আবু নাসের খান, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. গোলাম মহউদ্দিন ফারুক, তামাক বিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ) আহ্বায়ক ফরিদা আখতার, বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের সমন্বয়কারী সাইফুদ্দিন আহমেদ, ব্যুরো অফ ইকোনোমিক রিসার্চ ফোকাল পার্সন অধ্যাপক ড. রুমানা হক প্রমুখ।


নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: