সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ৪৮ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মেয়েরা কেমনে পারে?

কবিয়াল বাঙালি:: ২য় রোজার সেহরি খেয়ে ফজর নামাজ পড়ে উঠলাম। নামাজের জায়গাটা ছিল ভাবির রুমে। এক ভাতিজি ও ১১ মাসের ভাতিজা নিয়ে ভাবি শুয়ে আছে। নামাজ শেষ করে ভাতিজাকে ডাক দিলাম। ভাতিজা আমার ডাক শুনে ভাবির কাছ থেকে আমার নিকটে চলে আসল।
ভাতিজাকে নিয়ে অন্য রুমে চলে গেলাম। যেখানে আমার সাথে রাতে আরো দুইজন ছিল। একজন ৯ বছরের ভাগিনা, আরেকজন ৭ বছরের ভাতিজি। সাথে ভাতিজাকে নিয়ে শুয়ে পড়লাম। আসার পূর্বে আম্মা ছোট একটা কাঁথা দিলেন ভাতিজার নিচে বিছানোর জন্য। যেন হিসু করলে বিছানার চাদর ভিজে না যায়।
১১ মাসের দুধের বাচ্চাকে নিয়ে ভোর রাতের সেহরির পর ঘুমাতে আসলাম। বিছানায় এনে কাঁথা ভাজ করে শুয়াইলাম। আমার চোখে ঘুম কিন্তু ভাতিজার চোখে ঘুম নাই। তাকে জড়িয়ে ধরে পিঠ চাপড়ে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করলাম। আধা ঘন্টা পর নিজেই ঘুমিয়ে পড়লাম। ভাতিজাও হয়তোবা ঘুমিয়েছে।
ঘন্টা খানেক পর ঘুম ভেঙে গেল। উঠে দেখি ভাতিজা হাত পা নেড়ে খেলা করতেছে। তাকে আবার ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করলাম। আধা ঘন্টার মত কেটে গেল। কিন্তু ভাতিজা আর ঘুমায় না। পরে দেখি শরীর নড়াচড়া করতেছে। কাঁথায় হাত দিয়ে দেখি সর্বনাশ। কাঁথা ভিজিয়ে ফেলেছে। সাথে হিসুর ঘ্রান তো আছেই। এখন নতুন কাঁথাও পাচ্ছিনা। কারন মা ভাবি সবাই ঘুমিয়ে আছে। তাই কাঁথাটাকে আরেকটা ভাজ করে নিচে দিলাম।
ভাতিজাকে আবার ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করলাম, কোন লাভ হলো না। ভাবলাম, কাঁথা ভিজা তাই ঘুমাচ্ছেনা। তাই কাঁথাটা নিচ থেকে সরিয়ে আরেকটু দূরে গিয়ে দুইজনে শুইলাম। না, ভাতিজা এবারো ঘুমাচ্ছেনা। সে আমার নাকে মুখে হাত দিয়ে খামচি দিচ্ছে। আমিও হজম করে যাচ্ছি। অবশেষে বালিশের নিচ থেকে মোবাইলটা বের করে ভাতিজার হাতে দিলাম। সে তো পেয়ে মহাখুশি। একবার এটা দিয়ে মাথায় আঘাত করে, আরেকবার নাকে মুখে আঘাত করে। ওর দুষ্টমিতে পাশে ঘুমিয়ে থাকা ভাতিজি ও ভাগিনার ঘুম ভেঙে গেল।
এইদিকে আমার চোখে রাজ্যের ঘুম, অন্যদিকে ভাতিজাকে ঘুম পাড়ানো। অবশেষে পাশে থাকা ভাতিজিকে দিয়ে ভাতিজাকে ভাবির রুমে পাঠিয়ে রাজ্যের ঘুম দিলাম। আর ভাবতেছি একটা বাচ্চাকে এক ঘন্টা কাছে রেখেই আমার অবস্থা খারাপ।
মেয়েরা সারাজীবন কেমনে পারে??







নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: