সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ৩৬ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

রাজীবের হাত বিচ্ছিন্ন : দুই বাসচালকের জামিন নামঞ্জুর

নিউজ ডেস্ক:: রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বেপরোয়া দুই বাসের চাপায় তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীব হোসেনের হাত বিচ্ছিন্ন এবং পরবর্তীতে মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দুই বাসচালকের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল ইসলামের আদালতে দুই বাসচালকের জামিনের আবেদন করেন তাদের আইনজীবীরা। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

দুই বাসচালক হলেন- বিআরটিসি বাসের চালক ওয়াহিদ এবং স্বজন পরিবহনের চালক মো. খোরশেদ।

উল্লেখ্য, গত ৩ এপ্রিল দুপুরে রাজধানীর কাওরান বাজারের সার্ক ফোয়ারার কাছে বিআরটিসি’র একটি দ্বিতল বাসের পেছনের ফটকে দাঁড়িয়ে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন সরকারি তিতুমীর কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রাজীব হোসেন। বাসটি হোটেল সোনারগাঁওয়ের বিপরীতে পান্থকুঞ্জ পার্কের সামনে পৌঁছালে হঠাৎ পেছন থেকে স্বজন পরিবহনের একটি বাস বিআরটিসি’র বাসটিকে ঘেঁষে অতিক্রম করে।

সে সময় দুই বাসের প্রবল চাপে গাড়ির পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা রাজীবের ডান হাত কনুইয়ের ওপর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এতে তার মাথায়ও প্রচণ্ড আঘাত লাগে। দুর্ঘটনার পর তাকে প্রথমে শমরিতা হাসপাতাল এবং পরে ঢামেক হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। ১৭ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় রাজীব মারা যান।

৩ এপ্রিল রাজীব বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় পেনাল কোডের ২৭৯/৩৩৮ এর ‘ক’ ধারায় মামলা দায়ের করেন। রাজীব মারা যাওয়ার পর ২৩ এপ্রিল মূল মামলার ধারার সঙ্গে পেনাল কোডের ৩০৪ এর ‘খ’ ধারা সংযোজন করা হয়।

মামলার পরই দুই বাসের চালককে গ্রেফতার করে পুলিশ।







নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: