সর্বশেষ আপডেট : ১ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করতেই নানা কুৎসা রটাচ্ছে ছাতকের বাবুল’

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করতেই একটি মহলের সহযোগিতায় সংবাদ সম্মেলনসহ বিভিন্ন ভাবে তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার জামুরাইল গ্রামের হাজী ইদ্রিস আলীর ছেলে ও নগরীর আম্বরখানার আল-রহমান ট্রাভেল ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী আশিকুর রহমান। তিনি এও দাবি করেন, শাহীনুর রহমান বাবুলের সাথে তার কোন ব্যক্তিগত বিরোধ নেই এবং তিনি তার নুন্যতম ক্ষতিও করেননি। তারপরেও গত ১৫ মে সংবাদ সম্মেলন করে আমার বিরুদ্ধে নানা অপবাদমূলক অপ-প্রচার চালায় সে; যা বিভিন্ন গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে। মূলত বাবলুর এমন অপপ্রচারের প্রতিবাদ এবং তার জীবনের নানা অপকর্ম তুলে ধরতেই তিনি এ পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করছেন বলে দাবি করেন।

শনিবার বিকেলে সিলেট প্রেসক্লাবের আমীনুর রশীদ চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত সংবাদ সম্মেলনে আশিকুর রহমান বলেন, ‘তিনি বাংলাদেশ সরকারের সিভিল এভিয়েশন-এর অনুমোদন নিয়ে ট্রাভেল ব্যবসা করে আসছেন। পাশাপাশি তিনি মেঘনা গ্রুপের ছাতক থানার ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে ব্যবসা করে আসছেন। এছাড়া শাহজালাল এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকও তিনি। তিনি কোন ধরনের অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত নন।’
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, ‘বাবলুর সাথে তার কোন বিরোধ নেই এবং ব্যক্তিগতভাবে কোনদিন তার কোন ক্ষতিও করেননি। তা সত্বেও বাবলু প্রেস কনফারেন্সের নামে তার বিরুদ্ধে বিষেদাগার প্রচার করেছে যার কোন যৌক্তিক কারণ ও হেতু নেই। তিনি বাবলুকে প্রতারক ও দালাল আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘বাবলুর পেশা হচ্ছে দালালী। আমার টাকা আত্মসাতকারী প্রতিপক্ষ আরজ আলীর পক্ষ হয়ে সে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করিয়েছে। মূলত আরজ আলীর ভাড়াটিয়া দালাল হয়েই বাবলু মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করে।’

আশিকুর রহমানের দাবি, ‘জামুরাইল গ্রামের মৃত আনজুব আলীর পুত্র আরজ আলীর ভাতিজা ফরিদ আলী তার মালিকানাধীন ট্রাভেলস এর মাধ্যমে বিদেশ পাড়ি জমায় এবং তিনিই তার ভিসা প্রসেস করেন। আরজ আলীর নিকট নগদ টাকা না থাকায় এবং নিজ গ্রামের হওয়ার কারণে সরল বিশ্বাসে বাকিতে ভিসা প্রসেস করে দেন তিনি। এতে আরজ আলীর কাছ থেকে তার প্রতিষ্ঠানের পাওনা থাকে ১ লাখ ২০হাজার টাকা। এ টাকা আরজ আলী এখনও পরিশোধ করেনি। এ নিয়ে গ্রামে সালিশ বিচার হয়েছে এবং বিচারকগণ পাওনা টাকা পরিশোধের রায়ও দিয়েছেন। সালিশের রায়ের পর আরজ আলীর খালাতো ভাই আশিক মিয়া ও আলী হোসেনকে সাথে নিয়ে ৩০হাজার টাকা পাঠিয়ে বাকি টাকা মওকুফ করার জন্য বলে। কিন্তু এত টাকা আমি মওকুফ করিনি এবং ওই টাকাও রাখিনি। ফলে তার কাছে এখনও ওই টাকা পাওনা রয়েছে। পাওনা টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাত করতেই আরজ আলী বাবুলকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধচারণ করাচ্ছে।’

সংবাদ সম্মেলনে বাবুল আমার বাড়ি হতে পুলিশ কর্তৃক ২টি গরু উদ্ধারের যে বর্ণনা দিয়েছে তা সঠিক নয় বলেও উল্লেখ করেন আশিকুর। এছাড়া তার বিরুদ্ধে কবরস্থান দখলের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তাও অস্বীকার করেন। এছাড়া আরজ আলীর বোনের উপর হামলা মূলত গ্রামের মাঠে ফুটবল খেলায় দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা থেকে কেন্দ্র করে হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি নিজে বাদী হয়ে গত ৫ মে ছাতক থানায় একটি মামলাও দায়ের করেছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন। তিনি হুন্ডি ব্যবসায় জড়িতও নন। সর্বোপরি তার বিরুদ্ধে প্রতারক-দালাল বাবুলের এহেন অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে এ মিথ্যাচারের প্রতিকারে সরকার ও প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- মো. সমুজ মিয়া, মো. নুরুল হক, আবু বক্কর, আমরু মিয়া, মাওলানা আক্তার হোসেন, আব্দাল মিয়া, আবু সহিদ, আব্দুস সালাম। – বিজ্ঞপ্তি




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: