সর্বশেষ আপডেট : ৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ১৭ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মৌলভীবাজারে বধ্যভূমি নিশ্চিহ্ন করতে অপচেষ্টা প্রতিহত করলো মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড

মৌলভীবাজার সংবাদদাতা:: মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলায় পাঁচগাও ইউনিয়নের ১৯৭১ সনের রাজাকার আলবদর ও পাক হানাদার বাহিনীর বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের একমাত্র সাক্ষী পাঁচগাও গণকবরের মাটি ভারী যন্ত্রের সাহায্যে খনন করে নিয়ে যাচ্ছে স্বাধীনতার বিরোধী চক্র। মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের বাধা প্রদানে মাটি স্থানান্তর কাজ বন্ধ হলেও এঘটনায় এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, ১৯৭১ সনে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রাজাকার আলবদর বাহীনির সহযোগীতায়, পাক হানাদার বাহীনির দ্বারা পরিচালিত উক্ত উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় বড় ধরনের গণহত্যা সংঘটিত হয়। সেই হত্যা করা গণশহীদদের পাঁচগাও এলাকায় সমাহিত করা হয়। বর্তমান সরকার এটিকে একটি চিহ্নিত বৈধ্যভুমি হিসাবে কিছু সংস্কার করেন। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস সহ বিভিন্ন জাতীয় দিবসে রাজনগর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কামান্ড, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ও বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক সংগঠন এখানে ফুল দিয়ে ৩০ লক্ষ শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। কিছুদিন যাবত একটি কুচক্রী মহল স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি এই বধ্যভূমিকে নানান ভাবে দখল আত্মসাৎ করতে অপচেষ্টা করছে।

এব্যপারে রাজনগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সজল কুমার চক্রবর্তী বলেন; যুদ্ধাপরাধীর বিচার বাধাগ্রস্থ ও সাক্ষী নিশ্চিহ্ন করার জন্য একটি কুচক্রী মহল স্বাধীনতার বিরোধীশক্তি হেন কার্যকলাপ করে যাচ্ছে। আমরা সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছি এদেরকে প্রতিহত করার। যুদ্ধাপরাধীর বিচার কার্যক্রম শুরু ও ৫ জন যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায় হওয়ার পর থেকে এরা বিভিন্ন ভাবে চেষ্ঠা করছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি এবং ৭১ সনে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপরাধের সাক্ষী বিনষ্ট করতে লিপ্ত রয়েছে কতিপয়রা। এরা রাজাকারদের বংশধর ও স্বাধীনতার বিরোধীগোষ্ঠি যুদ্ধাপরাধীর বিচার বাধাগ্রস্থ ও সাক্ষীদের মনে ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে এসব কাজ করছে।
তিনি বলেন, অদ্য ১৫ মে আমরা খবর পাই কুচক্রী মহল এই বধ্যভুমিকে এক্সেভেটারের সাহায্যে খনন করে মাটি অন্য জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে। সাথে সাথে আমি রাজনগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের আহ্বায়ক অনুপম দাশ ও সদস্য সচিব আব্দুল আহাদসহ মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় এবং বাধা প্রদান করি। কুচক্রী মহল আমাদের কথা না মানায় আমরা নিরাপত্তাহীন হলে আমরা প্রশাসনের সাহায্য নেই। রাজনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও রাজনগর থানার ওসি মহোদ্বয়ের সহযোগীতায় এদেরকে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছি।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: