সর্বশেষ আপডেট : ১৫ মিনিট ২৬ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ১৮ জুলাই ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

খুলনার ফল প্রত্যাখ্যান, সিইসির পদত্যাগ দাবি বিএনপির

নিউজ ডেস্ক:: খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন প্রত্যাখ্যান ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করেছে বিএনপি। বুধবার বেলা ১২টার দিকে নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ এ দাবি জানান।

রিজভী আহমেদ বলেন, ‘ভোট ডাকাতি, ভোট সন্ত্রাস, জাল ভোট, ভোট কেন্দ্র দখল, অবৈধ অস্ত্রের আস্ফালন ছাড়া আওয়ামী লীগের বিজয় নিশানে হাওয়া লাগে না। গতকালের ভোট নিরস্ত্র ভোটারদের ওপর অবৈধ সরকারের অবৈধ ক্ষমতা প্রদর্শন। আমি দলের পক্ষ থেকে গতকালের খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করছি এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করছি।’

তিনি বলেন, ‘গতকাল ভোট শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার লজ্জায় গণমাধ্যমের সামনে না আসলেও ইসি সচিব গণমাধ্যমকে বলেছেন, খুলনায় চমৎকার ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। উনি ঠিকই বলেছেন উল্লিখিত ভোটের পরিবেশই হচ্ছে ‘শেখ হাসিনা মার্কা’ নির্বাচন, যে নির্বাচনে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে একই সঙ্গে বাবার সঙ্গে ভোট দিতে পারে। কেন্দ্রে যাবার আগেই ভোটারদের ভোট দেয়া হয়ে যায়। পুলিশের সহায়তায় ভোট কেন্দ্র দখল করে ভোট ডাকাতির উৎসব চলে। ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও ব্যালট পেপার আগেই শেষ হয়ে যায়। কেন্দ্র দখল করে আধা ঘণ্টায় ১২০০ ভোট দেয়া হয়। কেন্দ্র দখল করে লাইন ধরে জালভোটের উৎসব চলে। সে রকম নির্বাচনকে তো চমৎকার বলবেনই নির্বাচন কমিশন।’

রিজভী আহমেদ আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন বলেছে, ভোটারদের উপস্থিতি ছিল ৬৫ শতাংশের ওপরে। মূলত সেখানে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৩০ শতাংশেরও কম। সন্ত্রাসীদের বাধা ও সন্ত্রাসী হামলার মুখে খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অধিকাংশ ভোটারকে ভোট দিতে না পেরে ফিরে যেতে হয়েছে। ভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশনের সদিচ্ছা নেই, সামর্থ নেই আর যোগ্যতাও নেই।’

বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, গতকাল খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এক নজিরবিহীন ভোট ডাকাতির যজ্ঞ জনগণ প্রত্যক্ষ করলো। নির্বাচনে ভোট দিতে গিয়ে ধানের শীষের ভোটার ও সমর্থকরা যেভাবে নিগৃহীত হয়েছেন তা কোনো সুস্থ নির্বাচন পদ্ধতি হতে পারে না। গতকাল ভোটের দিন নৌকার প্রার্থীর লোকজনদের ছিল সীমাহীন আধিপত্য ও বেপরোয়া চলাফেরা। গ্রুপে গ্রুপে বিভক্ত হয়ে লাইন ধরে বিভিন্ন কেন্দ্রে জালভোট প্রদান করে। অনেক কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসাররা আওয়ামী ঝটিকা বাহিনীকে একচেটিয়া ‘ভোট কাষ্টিং’ এ সহায়তা করে। তারা কয়েক মিনিটের মধ্যে ব্যালট পেপারের বান্ডিলে সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভর্তি করে। কোথাও কোথাও অবশ্য আওয়ামী সন্ত্রাসীরা প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের বল প্রয়োগ করে বের করে দেয় এবং মারধরও করে। পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটরা এসব দেখেও না দেখার ভান করে।’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, ভাইস-চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সহ-দপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন, তাইফুল ইসলাম টিপু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক: লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: