সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ২৬ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ২০ মে, ২০১৮, খ্রীষ্টাব্দ | ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কাশ্মীরিদের নিয়ে আপত্তিকর টুইটে চাকরি গেল ভারতীয়র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: একটি মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানির এক ভারতীয় কর্মী খুবই আপত্তিকর এবং বিদ্বেষপূর্ণ ভাষায় পোস্ট করা কিছু টুইটে কাশ্মীরি মুসলমানদের হত্যা এবং ধর্ষণে সমর্থন এবং উস্কানি দেয়ার পর তার চাকরি গেছে।

আশীষ কাউল নামের এই ভারতীয় কাজ করতেন মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি ডেডেভলপমেন্ট ডাইমেনশন্স ইন্টারন্যাশনালে। তিনি নিজেও কাশ্মীরি পণ্ডিত।

কাশ্মীরি মুসলমানদের বিরুদ্ধে তার পোস্ট করা তীব্র ঘৃণা এবং বিদ্বেষপূর্ণ কয়েকটি টুইট নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা চলছিল।

আশীষ কাউল একটি টুইটে লিখেছিলেন, কাশ্মীরি মুসলমানদের অর্থনৈতিকভাবে হত্যা করা দরকার, যাতে তারা মুখের খাবার জোগানোর জন্য নিজেদের স্ত্রী-কন্যাদের দিল্লি, মুম্বাই বা চেন্নাইতে বিক্রি করতে বাধ্য হয়!

তার আরেকটি টু্ইট ছিল, কাশ্মীরের নারীদের যখন রাস্তায় কাঁদতে দেখি, আমার ভালোই লাগে। আহা কত নিম্পাপ, নিরপরাধ! গত এক বছরের নিহতের তালিকা কি বলে? দু:খিত, গত ২৮ বছরের? হা হা হা- স্বাধীনতা বলে আওয়াজ দাও!

আশীষ কাউলের এসব টুইট নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়। যে মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানিতে তিনি কাজ করেন, সেই ডিডিআইর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ নিয়ে টুইট করেন কয়েকজন। এরপরই ডিডিআই তাদের কর্মী আশীষ কাউলকে বরখাস্ত করে।

ডিডিআই এক বিবৃতিতে বলেছে, বিষয়টি তাদের নজরে আনার সঙ্গে সঙ্গে তারা ব্যবস্থা নিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব পোস্ট দেখে আমরা স্তম্ভিত এবং ক্ষুব্ধ। এসব কথাবার্তা আমাদের মিশন এবং মূল্যবোধের সম্পূর্ণ লংঘন। যখনই আমরা এই বিষয়ে জানতে পেরেছি, আমরা সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে বরখাস্ত করেছি এবং পুরো বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি। গত ১২ মে আমরা তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। পোস্টে এই ব্যক্তি যেসব মন্তব্য করেছেন সেসব তার ব্যক্তিগত মত, এবং এগুলো ডিডিআই এর মূল্যবোধ প্রতিফলন করে না।

ডিডিআই এই পদক্ষেপ নেয়ার পর একে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেকে। নিধি রাজদান নামে একজন লিখেছেন, এই ঘটনা অন্যদের সতর্কবার্তা দেবে এটাই আশা করি।

তবে সবাই যে আশীষ কাউলের বিরুদ্ধে নেয়া ব্যবস্থায় খুশি তা নয়। হরি ওম নামে একজন মন্তব্য করেছেন, প্রিয় হিন্দুরা, এখন আর ঘুমানোর সময় নেই। এখন আশীষ কাউলের পাশে দাঁড়াতে হবে। যাকে কিনা তার টুইটের কারণে একটি মার্কিন কোম্পানি তার পদ থেকে অপসারণ করেছে। কাশ্মীরের যে মুসলিমরা ধর্ষণ, হত্যায় লিপ্ত তাদের কি যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোন দেশ কিছু করেছে?

কয়েকটি ভারতীয় সংবাদপত্রের খবরে বলা হচ্ছে, কাশ্মীরি মুসলমানদের বিরুদ্ধে ঘৃণা এবং সহিংসতায় উস্কানি দেয়া বক্তব্যের কারণে সেখানকার পুলিশ আশীষ কাউলের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। বিবিসি বাংলা।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: