সর্বশেষ আপডেট : ১৭ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিলেটে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ: নগরীর যতরপুরে দেড় শ’ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি ভূমি আত্মসাতের চেষ্টা করছে একটি চক্র

সিলেট নগরীর যতরপুর এলাকায় জাল দলিলের মাধ্যমে দেড় শ‘ কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ৩ একর ভূমি আত্মাসের অপচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। যতরপুর নবপুষ্প আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে সিলেট নগরীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়েছে। জনৈক মনিন্দ্র চন্দ্র দে‘র নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ জালিয়াত চক্র এ অপচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে সংবাদ সম্মেলনে।

নবপুষ্প আবাসিক এলাকার বাসিন্দা মামুন উদ্দিন চৌধুরীর পক্ষ থেকে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন যতরপুরস্থ গৌরাঙ্গ মহাপ্রভূ আখড়া কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাতুলেন্দু দত্ত।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, যতরপুর এলাকায় সিলেট মিউনিসিপ্যালিটি মৌজার জে. এল. নং- ৯১ স্থিত এসএ দাগ নং-১১১৪৬, ১১১৪৭, ১১১৪৮, ১১১৪৯, ১১১৫০ সহ মোট ১৩টি দাগে মোট ২ একর ৯৪ শতক ভূমি ১৯৬৮-৬৯ সালে সরকারের নির্বাহী আদেশে শত্রু সম্পত্তি বা অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে ঘোষিত হয়। এরপর এই জমি ইজারা গ্রহণ করে ৫০ বছরেরও বেশী সময় ধওে এই জমিতে বসবাস করনে প্রায় অর্ধ শতাধিক পরিবার। লীজ গ্রহিতাগণের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী মরহুম সৈয়দ মহসীন আলীর বোন, প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, একাধিক সংখ্যালঘু পরিবার ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কমকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। এসব বাসার বর্তমান বাসিন্দাদের পূর্ব পুরুষরা সরকার কর্তৃক অর্পিত সম্পত্তি ঘোষিত এই জায়গা বৈধভাবে ইজারা নিয়ে বসবাস শুরু করলে বর্তমানে এখানে ১৮ জন লীজগ্রহীতার উত্তরাধিকারী হিসেবে অর্ধ শতাধিক পরিবার বসবাস করছেন। ২০১২ সালে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পন আইনের মাধ্যমে সরকার সারা দেশের অর্পিত সম্পত্তির গেজেট প্রকাশ করে এবং এসব সম্পত্তি অবমুক্তির জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। এই ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর পরই একটি প্রতারক চক্র জাল ও ভুয়া কাগজাত তৈরী করে সংঘবদ্ধ হয়ে এই ভূমি অবমুক্তির অপচেষ্টা শুরু করে। এ সময় শ্রী বিশ্বেশ্বর জিউ দেবতার নামে ভূয়া কমিটি গঠন করে ও কিছু সম্পত্তি নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি দাবী করে অবমুক্তির জন্য মোকদ্দমা করে মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার শর্ষাসুতা গ্রামের সুরেশ চন্দ্র দের পুত্র, পেশাদার জালিয়াত মনিন্দ্র রঞ্জন দে। সে নিজেকে ভুমিহীন ও ক্ষুদ্র সেলুন ব্যবসায়ী দাবী করে আমাদের এলাকায় ৬ শতক ভূমি ইজারা নেয়ার জন্য ২০০৭ সালে জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করে। কিন্তু, জেলা প্রশাসক মহোদয় তাকে কোন ভূমি লীজ দেননি। ফলে, সরকারের ভূমি আত্মসাতের হীন ফন্দি আঁটে মনিন্দ্র।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, উক্ত মনিন্দ্র রঞ্জন দে দুটি জাল দলিল সৃষ্টি করে দুটি দাগের মোট ৪৭ শতক ভূমি তার পিতার খরিদা দাবী করে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পন ট্রাইব্যুনাল, সিলেট-এ একটি মোকদ্দমা দায়ের করে (মোকদ্দমা নং- ৩০৫/২০১২)। সে ঐ মামলায় মিউনিসিপ্যালিটি মৌজার গেজেটের ১৮ নং ক্রমিকের ১১১৪৯ ও ১১১৫০ নং দাগের ভূমি তার পৈত্রিক দাবী করে এগুলো অবমুক্তির আবেদন করে। পরবর্তীতে এই মোকদ্দমার বিচার হয়। বিচারে বিজ্ঞ আদালত (বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালত) মনিন্দ্র রঞ্জন দে’র দাখিলা দুটি দলিল (নং-১০৯৮/১৯৬১ ইং ও ৯৮৬৫/১৯৬০) জাল হিসেবে চিহ্নিত করে ৬/৬/২০১৭ ইং তারিখে তার অবমুক্তির আবেদন খারিজ করে দেন।

এই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে মনিন্দ্র রঞ্জন দে সিলেটের বিজ্ঞ অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পন আপীল ট্রাইব্যুনালে অর্পিত আপীল মোকদ্দমা নং-২১১/২০১৭ ইং দাখিল করে।
অপরদিকে, জালিয়াত মনিন্দ্র রঞ্জন দে’র ইন্ধনে একই গেজেটের ১ থেকে ১৪ ও ১৭ থেকে ১৮ নং ক্রমিকের ভূমি অবমুক্তির দাবীতে দেবতার পক্ষে ভূয়া একটি কমিটি করে উক্ত ভূয়া কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনোজ কপালী মিন্টু আরেকটি মোকদ্দমা (নং-৩৩৮/২০১২) অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পন ট্রাইব্যুনাল, সিলেট-এ দাখিল করে। ঐ মামলার বিচার শেষে বিজ্ঞ আদালত ৬/৬/২০১৭ ইং তারিখে মনোজ কপালী মিন্টুর আবেদন আংশিক মঞ্জুর করে সরকারকে ৮ আনা ও দেবতার পক্ষে আবেদনকারীকে ৮ আনা হিস্যা দিয়ে রায় ডিক্রি প্রদান করেন।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সরকার পক্ষে জেলা প্রশাসক মহোদয় ট্রাইব্যুনালের ঐ রায়ের বিরুদ্ধে পুরো সম্পত্তির ষোল আনা ডিক্রি পাওয়ার দাবীতে অর্পিত আপীল নং- ২২৪/২০১৭ ইং দাখিল করেন। ঐ আপীলের রায়ে বিগত ১৬/১১/২০১৭ ইং তারিখে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা জজ ৪র্থ আদালত সরকারের আপীলটি পরিবর্তন/সংশোধনক্রমে নামঞ্জুর করে দেন। বিজ্ঞ আদালত ঐ রায়ে দুটি দাগের ৪৭ শতক ভূমি জালিয়াত মনিন্দ্র রঞ্জন দে’কেও বাকী ১১টি দাগের সমুদয় ভূমি দেবতাকে প্রদান করেন। কিন্তু, একই ট্রাইব্যুনালে জনৈক আব্দুল মতিন গং পক্ষে দায়ের করা অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পন মোকদ্দমা নং-৩৯৩/২০১২ মোকদ্দমায় উক্ত আব্দুল মতিন গং ৪৭ শতক ভূমি খরিদা দাবী করে আদালতে কাগজাত দাখিল করলেও আদালত আব্দুল মতিনের আবেদনটি শুনানী অন্তে খারিজ করে দেন। উক্ত আব্দুল মতিন গং সংক্ষুব্ধ হয়ে প্রত্যার্পন আপীল ট্রাইব্যুনাল, সিলেট-২৪১/২০১৭ ইং মামলা দায়ের করলে তা শুনানী অন্তে খারিজ করে দেন একই বিচারক।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নি¤œ আদালতে মনিন্দ্র রঞ্জন দে’র দাখিলা মোকদ্দমা নং-৩০৫/২০১২ এর দলিলাদি জাল মর্মে প্রমাণিত হয়। এর বিরুদ্ধে মনিন্দ্র অর্পিত আপীল ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা অর্পিত আপীল মোকদ্দমা -২১১/২০১৭ ইং দায়ের করে। এই মামলায় বিগত ১৬/১১/২০১৭ ইং তারিখে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা জজ ৪র্থ আদালত রায় প্রদান করেন, যেখানে বিজ্ঞ আদালতও মনিন্দ্রের দাখিলা দলিলাদিকে ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এর ফলে বিচার বিভাগের সুবিবেচনা প্রশ্ন বিদ্ধ হয়েছে। এমনকি, সরকারের নিযুক্ত আইনজীবী বিজ্ঞ ভিপি জিপি এডভোকেট মোহাম্মদ রাজ উদ্দিন তার আপীল শুনানীকালে রহস্যজনকভাবে সরকারের স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে নালিশা ১৭৮২ নং খতিয়ানের ভূমি দেবোত্তর সম্পত্তি বলে স্বীকার করে নেন। ফলে আমাদের সন্দেহ, জালিয়াত মনিন্দ্র যোগাযোগী মূলে সরকারের প্রায় দেড় শ’ কোটি টাকার সম্পত্তি এখন বেহাত হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনৈ আরো বলা হয়, সিলেটের অর্পিত আপীল ট্রাইব্যুনালের বিচারক, বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা জজ ৪র্থ আদালতের বিগত ১৬/১১/২০১৭ ইং তারিখের আপীল মোকদ্দমার রায় স্থগিত/রায় ডিক্রি রদ/রহিতকরণ এবং বাতিল করা একান্ত আবশ্যক হয়ে পড়ে জেলা প্রশাসনের জন্য। কিন্তু, আপীল ট্রাইব্যুনালেররায়ের বিরুদ্ধে আপীলের সুযোগ না থাকায় সিলেটের বিজ্ঞ জিপি মহোদয়ের মতামত গ্রহণ করে জেলা প্রশাসক মহোদয় উচ্চ আদালতে রীট আবেদন দাখিলের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এ লক্ষ্যে সিলেটের মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয় সরকারের পক্ষে রীট আবেদন দাখিলের জন্য সরকারের সলিসিটর উইংসয়ে প্রেরণ করেন। সলিসিটর উইং বিগত ৪/৩/২০১৮ ইং তারিখে সরকারী স্বার্থ রক্ষার্থে জালিয়াতির মাধ্যমে মনিন্দ্র গংয়ের হাসিল করা রায়ের বিরুদ্ধে রীট আবেদন দাখিলের সুপারিশ প্রেরণ করেন এটর্নি জেনারেলের রিট শাখায় প্রেরণের সুপারিশ করা হয়। কিন্তু, এখন পর্যন্ত সরকার পক্ষে এ রীট দাখিল করা হয়নি।

অভিযোগকারীরা বলেন, আমরা জানতে পেরেছি যে, কৌশলে বিষয়টি বিলম্বিত করে মনিন্দ্র গং যোগাযোগীমূলে রাষ্ট্রের আইন বিভাগকে বিভ্রান্ত করার জন্য এ রীট না করার জন্য বিগত ৩/৪/২০১৮ ইং তারিখে একটি পরিপত্র জারি করিয়েছে। ফলে, সরকারের দেড় শ’ কোটি টাকার সম্পত্তি বেহাত হওয়ার উপক্রম হলেও সিলেটের জেলা প্রশাসক রীট দায়ের করতে পারছেন না।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আইনগত অবস্থান না থাকায় আমরা ইজারাগ্রহীতাগণ নি¤œ আদালতের মোকদ্দাগুলোতে পক্ষভূক্ত হইনি। কিন্তু, সিলেটের অর্পিত আপীল ট্রাইব্যুনালের রায় বাতিল প্রার্ণনায় আমরা লেসিগণ হাইকোর্টে ৪০৬৬/২০১৮ ইং দাখিল করলে বিজ্ঞ হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেছেন।
অন্যদিকে, জনৈক আব্দুল মতিন গং অর্পিত আপীল ট্রাইব্যুনালের রায় বাতিলের প্রার্থনা করে হাইকোর্টে আরেকটি রিট নং- ১১৩/২০১৮ দাখিল করলে বিজ্ঞ হাইকোর্ট বেঞ্চ বিগত ১৫/১/২০১৮ ইং তারিখে অর্পিত আপীল ট্রাইব্যুনালের রায় ডিক্রি স্থগিত করে রুল জারি করেন। কিন্তু, আব্দুল মতিনং গংয়ের রিটের তথ্য গোপন রেখে জালিয়াত মনিন্দ্র মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে আরেকটি রিট নং-১৮৮৬/২০১৮ দাখিল করে তার দাবীকৃত দুটি দাগের ৪৭ শতক ভূমি অবমুক্তির নির্দেশনা হাসিল করতে সক্ষম হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। এই নির্দেশনার আলোকে সে ঐ দুই দাগের ভূমি নিজ নামের নামজারি করিয়ে নেয়ার পাঁয়তারা শুরু করেছে। দুটি রিট থাকাবস্থায় তথ্য গোপণ করে নামজারির অপচেষ্টার বিষয়টি জানতে পেরে বিগত ২২/৪/২০১৮ ইং তারিখে আব্দুল মতিন উক্ত নামজারি প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার জন্য মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবরে আবেদন করেছেন। আমরা রীটকারীগণও বিগত ৮/৫/২০১৮ ইং তারিখে উক্ত নামজারি প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়েছি। কিন্তু, এরপরও মনিন্দ্র ও তার সহযোগিরা নামজারি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।

সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকরা বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ সিলেটের যতরপুর এলাকার প্রায় দেড় শ’ কোটি টাকার ভূমি জালিয়াত চক্রের কবল থেকে রক্ষার জন্য আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় অর্থমন্ত্রী ও মাননীয় আইনমন্ত্রীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি। বিজ্ঞ হাইকোর্টে দুটি রিট বিচারাধীন থাকা অবস্থায় সব ধরনের অবমুক্তি ও নামজারি প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার জন্য আমরা সিলেটের জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি। পাশাপাশি জালিয়াত মনিন্দ্র রঞ্জন দে’র বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাতের অপচেষ্টার দায়ে অবিলম্বে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন ও পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

সংবাবদ সম্মেলনে মনিন্দ্র রঞ্জন দে একজন পেশাদার জালিয়াত আখ্যায়িত করে বলা হয়, উক্ত মনিন্দ্র সিলেটের কোতয়ালী থানার সিআর মামলা নং- ৭৯৯/২০১৫ এর এক বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামী। ২০০৪ সালে মিরাবাজারস্থ মৌসমী আগপাড়া এলাকায় মনিন্দ্রের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে পুলিশ বিপুল পরিমাণ জাল টাকা ও জালা পাসপোর্ট উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মনিন্দ্র তার তার ভাই সুকেশ রঞ্জন দে ওরফে সুবাশ দের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়, যা বিচারাধীন আছে। এছাড়া, মনিন্দ্রের ভাই সুকেশ জাল টাকাসহ গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে জেল খাটে। ক্বারী আব্দুল মতিনের দায়ের করা ৪টি মামলায় মনিন্দ্রের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। পেশাদার জালিয়াত মনিন্দ্রকে অবিলম্বে গ্রেফতার করার জন্যও আমরা পুলিশ প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মামুন উদ্দিন চৌধুরী, গৌরাঙ্গ আখড়া কমিটির আহবায়ক অরুণ কুমার রায়, সাবেক মন্ত্রী মরহুম সৈয়দ মহসিন আলীর বোন সৈয়দা মহিদুন্নছা খানম, জুয়েল আহমদ চৌধুরী, চৌধুরী আলী আখতারুজ্জামান বাবুল, নারায়ন পুরকায়স্থ ফনি, আব্দুল মতিন, আাব্দুল মানিক, ওহিদ উদ্দিন প্রমুখ। – বিজ্ঞপ্তি

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: