সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ২৩ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

রায়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ে গোপনে ম্যানেজিং কমিটি গঠন করলেন প্রধান শিক্ষক : এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া

বিশেষ প্রতিনিধি ::
মৌলভীবাজার সরদ উপজেলার রায়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ে চলমান কমিটির মেয়াদ থাকাকালীন সময়ে গোপনে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ মে সারা দেশে এস.এস.সি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে মানুষ উল্লাসিত ছিলেন। এই সুবাদে বিদ্যালয়ের প্রধান আব্দুল মতিন কৌশলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সামাদ আহমেদের সহযোগীতায় নতুন এই কমিটি গঠন করেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ চলমান সভাপতির অবর্তমানে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনের নিয়মবিধি না মেনে এবং অভিভাবক গণের অজান্তে এই কমিটি গঠিত হয়েছে।

এব্যাপারে বর্তমান সভাপতি অবসর প্রাপ্ত এএসপি আব্দুল খালেক বলেন, বর্তমান কমিটির মেয়াদকাল এখনো শেষ হয়নি। মেয়াদ থাকাকালে আমরা একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিবো যাতে করে একটি সর্বজন গ্রহণযোগ্য কমিটি গঠিত হয়। গতমাসেই নেয়া এই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি পুর্নাঙ্গ ভোটার তালিকা তৈরির জন্য প্রধান শিক্ষককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি গোপনে নতুন কমিটি গঠন করায় আমি এর তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

প্রধান শিক্ষক আব্দুল মতিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কোড মেনেই নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে তিনি বর্তমান কমিটির মেয়াদ আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত বহাল আছে বলে স্বীকার করেন।
নির্বাচন প্রস্তুতি কালে অভিভাবক সাধারণ সভা, নির্বাচন কমিশন নিয়োগ, তফসিল ঘোষণা, প্রচার প্রচারণা যথাযথ হয়েছিল কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেল, সময় সল্পতায় অভিভাবক সাধারণ সভা করা হয় নি। তবে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সামাদ আহমেদ তিনিই তফসিল ঘোষণা করেন। প্রচার প্রচারণা যথেষ্ট হয়েছে, প্রজ্ঞাপন বিজ্ঞপ্তি যথাসময়েই জারী হয়েছে।

বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের সামনে নোটিশ বোর্ড স্থাপন করা আছে, সেখানে কোন বিজ্ঞাপন পাওয়া যায়নি এমন পশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রতিদিন বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে আলাদা নোটিশ বোর্ডে বিজ্ঞাপন লাগিয়ে রাখা হত এবং শিক্ষার্থীদের জানানো হয়েছে। তবে এসব নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি বিদ্যালয় সীমানার বাহিরে প্রচার নিয়ম নেই বলে মন্তব্য করেন প্রধান শিক্ষক আব্দুল মতিন।

এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক রণজিৎ ঘোষ বলেন, আমার মেয়ে এই বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণীতে পড়ে, আমি একজন অভিভাবক। আমি এবার নির্বাচনে অভিভাবক সদস্য হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবো বলে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছি। আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের দূরত্ব প্রায় ১০০ফুট, প্রতিদিনই আমি বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসা করি। কিন্তু এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। প্রধান শিক্ষক বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে গোপন রেখে এ কমিটি গঠন করেছেন বলে এই অভিভাবক অভিযোগ করেন।

বর্তমান কমিটির মেয়াদ বহাল থাকা অবস্থায় কেমন করে নতুন কমিটি গঠন করা হলো -এই প্রশ্ন এখন এলকার সর্বত্র আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: