সর্বশেষ আপডেট : ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

চিনির বেশি দাম : দেশি কলগুলোকে দুষলেন অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক:: দেশের ১০/১১টি চিনিকলের জন্য বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলায় আমাদের তিন-চারগুণ বেশি দামে চিনি কিনতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবুল মুহিত।

আজ (বুধবার) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাক্ষে অর্থনীতি বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি একথা বলেন। এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম. এ. মান্নান, রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, ইআরএফের সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলাল, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রিজভী নেওয়াজ, সাবেক সভাপতি মনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘চিনি দুনিয়াতে যত টাকায় পাওয়া যায় আমরা তার চেয়ে তিন-চারগুন বেশি দিয়ে কিনি। এটা করতে হয় শুধুমাত্র ১০ অথবা ১১টা চিনিকলের জন্য। চিনি এখন শুধু আখের ওপর নির্ভরশীল নয়। এখন চিনি তৈরির জন্য বিট খুবই সস্তায় পাওয়া যা। তাই চিনি শিল্পকেই আমাদের দেশে রাখা উচিত নয়। এখনও যে চিনিকলগুলো রাখা হয়েছে সেটা একেবারেই খামাখা।’

কালো টাকার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে অনেক আগেই আইন আছে যে বড় ধরনের ফাইন দিয়ে কালো টাকা সাদা করা যায়। অনেক সময় দেখা যায় কারো কাছে অপ্রদর্শীত অর্থ (কালো টাকা) রয়েছে। সেটা যদি সরকারের কোষাগারে আসে তাহলে ভাল।’

তিনি বলেন, ‘টাকা পাচার নিয়ে আমাদের দেশে যতটা কথাবার্তা হয় আসলে ততটা টাকা পাচার হয় না। এক সময় হতো যখন মালোয়েশিয়া সেকেন্ড হোম হিসেবে গড়ে উঠেছিল। এখন মালোয়াশিয়া আমাদের এ বিষয়ে সহায়তা কাছে। তাছাড়া দুবাইও এ বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। সুরাং টাকা পাচারের কথা যতটা বলা হয় এটা আসলে ততটা নয়।’

সঞ্চয়পত্রের সুদ হার পুনর্নিধারণ করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা সামাজিক নিরাপত্তার অংশ হিসেবে কাজ করে। তাই বাজারে যদি কেউ সুদ ১০ শতাংশ পায় তাহলে আমরা সঞ্চয়পত্রের সুদহার সাড়ে ১০ বা ১১ করে দেই। এখন পার্থক্যটা হয়ে গেছে সাত আর সাড়ে ১১ শতাংশ।’

এ সময় মন্ত্রীর পাশে বসে থাকা এনবিআর চেয়ারম্যান বর্তমানে ব্যাংক ঋণে সুদহার বেড়ে ১০ কাছাকছি হয়েছে জানালে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তাহলে তো সঞ্চয়পত্রের সুদ হার পুনর্নিধারণ করার প্রয়োজন হবে না।’

তিনি বলেন, বর্তমানে বৈষম্য বড়েছে। তবে একটা বড় অংশ দারিদ্রের হাত থেকে উত্তীর্ণ হয়েছে। এখন আমি যে কোনো মুহূর্তে অবসর নিতে প্রস্তুত। একান্ত তৃপ্তির সঙ্গে।’




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: