সর্বশেষ আপডেট : ২০ মিনিট ৫ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

চলচ্চিত্রে শ্রমিকদের জয়গান

বিনোদন ডেস্ক:: সারা বিশ্বে পালিত হয় শ্রমিক দিবস। ১৮৮৬ সালে আমেরিকার শিকাগোতে মে মাসের প্রথম দিনটিতে যে ইতিহাসের সূচনা হয়েছিলো সেই ইতিহাস আজ পৃথিবীজুড়ে শ্রমিকের কাছে অনুপ্রেরণার। অধিকার আদায়ের আন্দোলনের সাহসের মানচিত্র।

আর যুগে যুগে এইসব সাহসী গল্প উঠে এসেছে চলচ্চিত্রের রঙিন পর্দায়। কখনো আবার সাহসী কাল্পনিক গল্পের চলচ্চিত্রগুলোই উঠে এসেছে শ্রমিকদের অনুপ্রেরণা ও সচেতনতায়। দেশে দেশে নির্মিত হয়েছে বহু চলচ্চিত্র। যেখানে শ্রমিকের কথা বলা হয়েছে, শ্রমিকের অধিকার আদায়ের কথা বলা হয়েছে। তেমনি কিছু চলচ্চিত্র নিয়ে বিশ্ব শ্রমিক দিবসের এই বিশেষ আয়োজন-

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র

হাউ গ্রিন ওয়াজ মাই ভ্যালি
১৯৪১ সালে হলিউডে মুক্তি পায় এই ছবিটি। এখানে একজন ভাল শ্রমিক ভাল বেতনের অধিকার রাখে এবং সে তার অধিকার নিয়েই ছাড়বে- চিরকাল ধরে পুঁজিপতিদের শোষণ এবং বঞ্চনার বিপরীতে নিজেদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে যে আপ্তবাক্যটি শ্রমিকদের সাহস জুগিয়ে এসেছে, সেই কথাটিকেই নতুনভাবে চিনিয়েছিলেন জন ফোর্ড। চারবার অস্কারজয়ী এই নির্মাতা এর আগেও পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের সংগ্রাম এবং বিশ্বমন্দার প্রভাব নিয়ে তৈরি করেছিলেন ‘দ্য গ্রেইপস অফ র্যাথ’-এর মতো কালজয়ী সিনেমা। কিন্তু সেরা সিনেমা, সেরা পরিচালক, পার্শ্ব-চরিত্রে সেরা অভিনেতাসহ পাঁচটি অস্কার জয় করা এই সিনেমার আবেদন বরাবরই অন্যরকম শ্রমজীবী মানুষের কাছে।

‘দ্য গ্রেইপস অফ র্যাথ’-এর মতোই এই সিনেমাটিও জন ফোর্ড তৈরি করেছিলেন একটি উপন্যাস থেকে। রিচার্ড লিউলিনের সেই গল্পে উঠে আসে দক্ষিণ ওয়েলশের এক খনি শ্রমিক পরিবারের কাহিনি। খনির মালিকদের পরিবেশের উপর অত্যাচারে কিভাবে নিজেদের জীবিকা ও জীবন দুটোই খোয়াতে বসে মরগ্যান পরিবার- সিনেমাটি সেসব ঘটনারই আখ্যান। একই সঙ্গে নিজেদের অধিকার আদায়ে সংঘবদ্ধ হওয়াটা কত জরুরি, আর সে কারণেই শ্রমিক ইউনিয়নের গুরুত্ব কতখানি- তার ওপরও জোর দেয় সিনেমাটি।

নেটিভ ল্যান্ড
১৯৪২ সালে মুক্তি পাওয়া ছবিটি চল্লিশ দশকে যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমিকদের সংঘবদ্ধ থাকার গল্প বলেছে। ছবিতে বার্তা দেয়া হয়েছে- সকল মার্কিন, সে যে জাতের কিংবা যে বর্ণেরই হোক না কেন, তাদের সবারই অধিকার রয়েছে জীবিকার, বাসস্থানের, পর্যাপ্ত খাদ্যের, চিকিৎসার, সংঘবদ্ধভাবে কোনো কিছুর দাবি তোলার, সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষের জন্য সর্বোচ্চ ভালো করার, শান্তিতে থাকার, হুমকির সম্মুক্ষিণ না হওয়ার এবং হুমকিতে না পড়ার।

লিও হারউটজ এবং প্রখ্যাত আলোকচিত্রী পল স্ট্র্যান্ডের এই প্রামাণ্যচিত্রটির শেষে ভেসে আসে এই কথাটি। পল রবসনের জাদুকরী কণ্ঠে এই ঘোষণাই যেন মনে করিয়ে দেয় মৌলিক অধিকারের দাবি তুলতে পারে সমাজের যে কোনো স্তরের মানুষ। খেটে খাওয়া মানুষও যার ব্যতিক্রম নয়।

চল্লিশের দশকের শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমিকরা যেমন একাধারে সংঘবদ্ধ হচ্ছিলেন নিজেদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে, ঠিক তেমনি ভাবেই বুর্জোয়া মালিকপক্ষ তৈরী হচ্ছিল তাদের দমনে। শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর পেছনে গুণ্ডা লেলিয়ে, গুম খুন করে ছত্রভঙ্গের অনেক চেষ্টাই সেসময় করেছে মালিকপক্ষের ‘ইউনিয়ন বাস্টার্স’রা। তখনকার সেসব সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি হয় প্রামাণ্যচিত্রটি, যার অন্যতম সম্পদ ছিল পল রবসনের কণ্ঠে এর নেপথ্য বয়ান।

অন দ্য ওয়াটারফ্রন্ট
নিউ জার্সিতে বন্দর শ্রমিকদের সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল লংশোরমেন্স অ্যাসোসিয়েশন কিভাবে মালিক পক্ষের চক্রান্তে একটি সন্ত্রাসী দলে রূপান্তরিত হয়, সেই সত্যি ঘটনা নিয়েই সিনেমাটি তৈরি করেছিলেন হলিউডের কিংবদন্তী নির্মাতা এলিয়া কাজান। ১৯৫৪ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তারই প্রিয় শিষ্য মার্লোন ব্র্যান্ডো। এই সিনেমার মাধ্যমেই অভিষেক ঘটে অভিনেত্রী ইভা মারিয়া সেন্টের। চিত্রনাট্য লিখেছিলেন বাড শুলৎজ।

১২টি মনোনয়নের মধ্যে সেরা সিনেমা, সেরা পরিচালক, সেরা অভিনেতা এবং পার্শ্ব-চরিত্রে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারসহ আটটি অস্কার জিতে নিয়ে ‘অন দ্য ওয়াটারফ্রন্ট’ পরিণত হয় কাজানের ক্যারিয়ারের অন্যতম সফল সিনেমায়। সমালোচকদের পাশাপাশি দর্শক মহলেও দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল সিনেমাটি।

দ্য অর্গানাইজার
১৯৬৩ সালে মুক্তি পাওয়া ইতালি, ফ্রান্স আর যুগোস্লাভিয়ার যৌথ প্রযোজনার এই সিনেমাটি গল্প বলে এক পালিয়ে বেড়ানো অধ্যাপকের। যিনি ঘটনাচক্রে একটি শ্রমিক সংগঠনের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের নেতা বনে যান। সিনেমাটি আরও তুলে ধরে শ্রমিকদের বিপজ্জনক পরিবেশে দিনে ১৪ ঘণ্টা খাটুনির অমানবিক পরিস্থিতিকেও।

মারিও মনচেল্লির পরিচালনায় সিনেমার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রখ্যাত ইতালীয় অভিনেতা মার্সেলো মাস্ত্রোয়ানি। সিনেমাটি সে বছর সেরা চিত্রনাট্যের জন্য মনোনীত হয়েছিল অস্কারের আসরে।

নরমা রে
বারবার বাধার সম্মুখিন হয়েও ন্যায়ের দাবিতে অটল থাকা, নিজের কাজের মাধ্যমে অন্যদেরকেও অনুপ্রাণিত করা এবং শেষমেষ লড়াইয়ে জয়ী হওয়া- সত্তরের দশকে পোশাক শিল্পকর্মী থেকে ইউনিয়ন সংগঠক বনে যাওয়া ক্রিস্টাল লি সুটনের গল্পটা এরকমই। তার জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই ১৯৭৯ সালে মার্ন রিট তৈরি করেন ‘নরমা রে’ সিনেমাটি।

ক্রিস্টালের কাছ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সৃষ্ট চরিত্র ‘নরমা’র ভূমিকায় অভিনয় করে স্যালি ফিল্ড জিতে নেন তার প্রথম অস্কার। ৪৫ লাখ ডলার বাজেটের ওই সিনেমা সে বছর ব্যবসাও করেছিল দারুণ। সবমিলিয়ে ২২ কোটি ডলারের বেশি ব্যবসা করা সিনেমাটি সমালোচক, দর্শক- দুই মহলেই অর্জন করেছিল সমান গ্রহণযোগ্যতা।

মেইটওয়ান
সময় ১৯২০, স্থান পশ্চিম ভার্জির্নিয়ার মেইটওয়ান নামের এক ছোট্ট শহর। এখানেই কয়লাশ্রমিকদের অসন্তোষের বিষ্ফোরণ ঘটেছিল যা পরে রূপ নেয় ব্যাটেল অফ মেইটওয়ান নামের রক্তক্ষয়ী এক সংগ্রামে। ছয় দশক পরে এই ঘটনাকে উপজীব্য করেই নির্মীত হয় মার্কিন ড্রামা ফিল্ম ‘মেইটওয়ান’।

দারুণ সিনেমাটোগ্রাফি, অসাধারণ গল্প এবং তার থেকেও অসাধারণ অস্কারজয়ী অভিনেতা ক্রিস কুপারের অভিনয়। সব মিলিয়ে জন সেইলসের পরিচালনায় শ্রমিক সংগ্রামের ওপর অনবদ্য এক সিনেমা হিসেবেই ধরা হয় এটিকে। ছবিটি মুক্তি পাওয় ১৯২০ সালে।

নয়া দৌড়
ভারতে স্বাধীনতার আগে ছবিটি মুক্তি পেয়েছিলো ১৯৫৭ সালে। বি আর চোপড়া পরিচালিত এই ছবিটি বলিউডে ইতিহাস হয়ে আছে। দীলিপ কুমার অভিনীত এই ছবিতে উঠে এসেছে ঘোড়ার গাড়ির গাড়োয়ানদের গল্প। এখানে নায়িকা ছিলেন বৈজয়ন্তীমালা। এই ছবিতে অভিনয় করে তৃতীয়বারের মতো ফিল্মফেয়ারে সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেছিলেন দিলীপ কুমার।

মজদুর
১৯৮৩ সালে মুক্তি পায় বলিউডের এই ছবিটি। এতে অভিনয় করেছিলেন বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা দীলিপ কুমার। এখানে তার বিপরীতে ছিলেন নান্দা। রবি চোপড়া অভিনীত এই ছবিটি মিল-কারখানার শ্রমিকদের গল্প দেখিয়েছিলো। বেশ ব্যবসা সফল হয়েছিলো এই চলচ্চিত্রটি।

কালা পাহাড়
যশ চোপড়া পরিচালিত এই ছবিটি মুক্তি পায় ৯৭৯ সালে। এখানে অভিনয় করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন, শশী কাপুর, শত্রুঘ্ন সিনহা। নায়িকা হিসেবে ছিলেন রাখী, পারভিন ববি ও নীতু সিং। ছবিটিতে কয়লা খনির শ্রমিকদের জীবনচিত্র তুলে ধরা হয়েছিলো। ছবিটি সেরা পরিচালক, সেরা নায়ক ও নায়িকাসহ মোট ৯টি বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছিলো।

কয়লা
শাহরুখ খান ও মাধুরী দিক্ষীত জুটির অনবদ্য একটি সিনেমা কয়লা। এখানে অভিনয় করে দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো এই জুটি। এই ছবিতে শাহরুখ অভিনয় করেছিলেন অমরিশ পুরীর দাস হিসেবে। এই ছবিটিকে বলিউডে শ্রমিকদের উজ্জীবীত করার সিনেমা হিসেবে অভিহিত করা হয়। যেখানে দেখা যায় মালিকপক্ষের নানা অন্যায়ের শিকার শাহরুখ খান প্রতিবাদী হয়ে উঠেন এবং মালিকের সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৯৭ সালে।

চিল্লার পার্টি
২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবিটি প্রযোজনা করেছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। এই ছবিটি মূলত শিশু শ্রমের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করেছিলো।

বাংলাদেশি চলচ্চিত্র

বাংলাদেশি চলচ্চিত্রে সরাসরি শ্রমিক দিবস বা শ্রমিকদের উপলক্ষ করে কোনো চলচ্চিত্র দেখা যায় না। তবে শ্রমজীবী মানুষ ও শ্রমিকদের জীবনের নানা গল্পের চিত্রায়রণ দেখা গেছে। অসংখ্য ছবিতে খেটে খাওয়া মানুষের হাহাকার, অধিকার আদায়ের গল্প ফুটে উঠেছে। সেইসব ছবি ভিড়ে কিছু চলচ্চিত্র কালজয়ী হয়ে আছে।

ভাত দে
আমজাদ হোসেন অভিনীত এই ছবিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছিলেন আলমগীর-শাবানা। এখানে দেখা গেছে অকালে বাবা হারোনো জরি চরিত্রে শাবানার বেঁচে থাকার সংগ্রাম। বাউল স্বামীর সংসারে অভাবের তাড়নায় অন্যের বাড়িতে শ্রম বেচে জীবন ধারণ করেন তিনি। তাকে কাজ করতে গিয়ে নানা প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হয় তাদেরকে। এটি মুক্তি পেয়েছিলো ১৯৮৪ সালে।

পদ্মা নদীর মাঝি
বিখ্যাত বাঙালি কথা সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত জনপ্রিয় উপন্যাস থেকে ছবিটি নির্মাণ করা হয়েছে। এটি পরিচালনা করেন গৌতম ঘোষ। বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনায় এতে অভিনয় করেন আসাদ, চম্পা, রূপা ব্যানার্জী, উৎপল দত্ত প্রমূখ। ছবিটিকে প্রান্তিক মানুষের জীবনযাপন নিয়ে অনবদ্য এক নির্মাণ বলে মনে করা হয়। এখানে শ্রমিক হিসেবে অন্যের নৌকায় মাছ ধরে বেড়ানো কুবেরসহ সকল মাঝিদের বঞ্চিত হওয়ার গল্প ফুটে উঠেছে। এখানে আছে জোতদার নিষ্ঠুর মালিক চরিত্ররা। ছবিটি দর্শকের হৃদয় ছুঁয়ে যায় খুব সহজেই।

সারেং বউ
সারেং বৌ ১৯৭৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র। ছবিটি পরিচালনা করছেন বাংলাদেশের বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার আবদুল্লাহ আল মামুন। এই ছবিতে আবদুল জব্বারের কণ্ঠে গাওয়া ‘ওরে নীল দরিয়া আমায় দেরে দে ছাড়িয়া’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবন সংগ্রামের গল্পে নির্মিত এই ছবিটিতে অভিনয় করেছেন ফারুক, কবরী, আরিফুল হক, জহিরুল হক, বিলকিস, বুলবুল ইসলাম, ডলি চৌধুরী সহ আরো অনেকে।

এখানে ফুটে উঠেছে খেটে খাওয়া মানুষরা দিনের পর দিন কেমন করে শোষিত হয়েছে গ্রামের প্রভাবশালী মোড়লদের দ্বারা।

এছাড়াও ‘কাজের বেটি রহিমা’, ‘লাট সাহেবের মেয়ে’, ‘শ্রমিক নেতা’, ‘বিদ্রোহী গার্মেন্টস কন্যা’সহ আরও অনেক ছবিতেই নানাভাবে বলা হয়েছে মেহনতি মানুষের গল্প।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: