সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

হাকালুকি হাওরের কৃষকরা এবার দুর্যোগের পূর্বে গোলায় ধান তোলতে চায়

তারেক হাসান:: হাকালুকি হাওরে এবার বোরো ধানের ফলন ভালো হয়েছে। বৃষ্টিপাত ও আগাম বন্যার ফলে গত ২বছর কৃষকরা হারিয়েছিলো তাদের একমাত্র সম্বল বোরা ধান। এবার বৃষ্টিপাতের কথা মাথায় রেখে কয়দিন থেকে হাওরের বিভিন্ন অংশে ধুম পড়েছে বোরো ধান কাটার। চলছে মাড়াই ও ধান শুকানো তাই হওরাঞ্চলে এখন উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। তবে আকাশে কালো মেঘ দেখলেই তাদের মনে আতঙ্ক বিরাজ করে। চাষিদের মনে করিয়ে দেয় বিগত বছরের অকাল বন্যায় ফসল হারানোর ব্যাথার কথা। তাই শিলাবৃষ্টি কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বেই নিরাপদে গোলায় ধান তোলাই এখন তাদের মূল লক্ষ্য।

হাকালুকি হাওরের বোরো চাষি হাবিবুর রহমান, কলা মিয়া ও জিহাদি জানান বোরো ধান’ই হাকালুকি হাওরের মানুষের একমাত্র সম্বল। গত ২বছরের ক্ষতিকে পুষিয়ে নিতে এবার কৃষকরা অন্য বছরের চেয়ে জমিতে বোরো আবাদ বেশি করেছেন। তারা জানায় আরো ১০থেকে ১৫দিন সময় পেলে পরিশ্রমের ফসল গোলায় তুলতে পারবে। স্বল্প সময়ে উৎপাদন হওয়ায় অধিকাংশ বোরো চাষি এবার বোরো ব্রি-২৮ধান লাগিয়েছে। ধানের ফলন ভাল হলেও ব্রি-২৮ধানে চিটার পরিমান বেশী দেখা যাচ্ছে ফলে অনেক কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হবে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

কুলাউড়া উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর হাকালুকি হাওরে বোরো ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬হাজার ৫শত হেক্টর তবে উৎপাদন হয়েছে ৬হাজার ৮শত হেক্টর। লক্ষ্যমাত্রার অধিক ৩শত হেক্টর জমি চাষাবাদ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে হাওরের ৩০ভাগ ধান পেকে গেছে এবং ১৫ থেকে ২০ভাগ ধান কাটা হয়েছে। ব্রি-২৮ পাকতে সময় লাগে ১৪০থেকে ১৫০দিন এবং ব্রি-২৯ধান পাকতে ১৬০থেকে৭০দিন সময় লাগে। কুলাউড়া উপজেলা কৃষি অফিসার জগলুল হায়দার চৌধুরী জানান হাকালুকি হাওরে এবছর লক্ষ্যমাত্রার অধিক জমি চাষা করা হয়েছে। কিছু জমির ধান কোল্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়েছে। ব্রি-২৮ধানে এবার চিটার পরিমান বেশী থাকায় চাষিরা কিছু ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। দিন রাতের তাপমাত্রার তারতম্যের কারনে এমনটা হতে পারে। হাকালুকি হাওরের বোরো ধান দ্রুত কাটা ও মাড়াইয়ের সুবিদার্থে এ বছর কৃষি বিভাগ থেকে ৫টি কম্বাইন্ড হারভেসটার মেশিন চাষিদেরকে বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। প্রতিটি মেশিনের দাম ৭লাখ ৫০হাজার টাকা হলেও সরকার ভুর্ত্তুকি দিয়েছে ৫লাখ টাকা। এবছর হেক্টর প্রতি ২৩থেকে ২৪হাজার মেট্টিক টন চাল উৎপাদন হবে বলে আশাবাদী।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: