সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ৫৯ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৮, খ্রীষ্টাব্দ | ৭ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মুসলমান তাড়াতেই জম্মুতে ধর্ষণের পর খুন করা হয় ৮ বছরের শিশুকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ভারত শাসিত জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যে একটি আট বছরের কন্যা শিশুকে অপহরণ, ধর্ষণ এবং হত্যার যে মামলার তদন্ত করছিল সেই রাজ্যের পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ, তারা আদালতের কাছে চার্জশীট পেশ করেছে। তদন্তে ঘটনার যে বিবরণ উঠে এসেছে, তা এক কথায় বীভৎসতার চূড়ান্ত পর্যায়।

চার্জশীটে বলা হয়েছে, ইসলাম ধর্মাবলম্বী যাযাবর সম্প্রদায়কে হিন্দু প্রধান এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য আর তাদের মনে আতঙ্ক তৈরি করার জন্য ঐ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। অপহরণ, ধর্ষণ আর হত্যার ঐ মামলায় আট জন অভিযুক্তের মধ্যে চার জন পুলিশ কনস্টেবল। এদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তবে তাদের মুক্তির দাবীতে আর গোটা ঘটনা কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো সিবিআইকে দিয়ে তদন্ত করানোর দাবীতে জম্মু অঞ্চলে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো বিক্ষোভ দেখিয়েছে। এদিন রাস্তায় নেমেছিলেন জম্মু বার এসোসিয়েশনের সদস্যরা। ওই সব বিক্ষোভে দেখা গেছে ভারতের জাতীয় পতাকাও।

এবছরের ১০ জানুয়ারি যাযাবর গুজ্জর জাতি-গোষ্ঠীর আট বছরের ঐ কন্যা শিশুকে জম্মুর কাঠুয়া জেলায় তার বাড়ির কাছ থেকে অপহরণ করা হয়। অপহরণের সাত দিন পরে তার মৃতদেহ পাওয়া যায় কাঠুয়া জেলারই বসানা গ্রামে।

চার্জশীটে যে অভিযোগ আনা হয়েছে

চার্জশীটে পুলিশ বলছে, অপহরণের পর শিশুটিকে বসানা গ্রামের একটি মন্দিরে আটকে রেখে দিনের পর দিন ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের আগে ঐ মন্দিরে কিছু পুজোও করা হয়। মন্দিরের দেখভালের দায়িত্বে থাকা ৬০ বছর বয়সী সাঞ্জি রাম, তার ছেলে বিশাল আর অপ্রাপ্ত বয়স্ক এক ভাইপো, চার পুলিশ কর্মী এবং আরেক ব্যক্তি গোটা ঘটনায় সরাসরি যুক্ত।

চার্জশীটে পুলিশ এটাও উল্লেখ করেছে, শিশুকে অপহরণ করে নিয়ে আসার পরে তাকে মাদক খাইয়ে অচেতন করে রাখা হয়েছিল। তার মধ্যেই তাকে একাধিকার ধর্ষণ করা হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ভাইপোকে বিশাল উত্তর প্রদেশের মীরঠ শহর থেকে ফোন করে ডেকে আনে যাতে, সে-ও ওই শিশুটিকে ধর্ষণ করতে পারে।

চার্জশীটে আরো উল্লেখ করা হয়, টানা ধর্ষণ করার পরে যখন তারা ঠিক করে যে এবার তাকে মেরে ফেলার সময় হয়েছে, তখন একজন অভিযুক্ত পুলিশ অন্যদের বলে, ‘‘এখনই মেরো না। দাঁড়াও। আমি ওকে শেষবারের মতো একবার ধর্ষণ করে নিই।’’

তারপরে ওই পুলিশ কর্মী নিজে চেষ্টা করে কন্যা শিশুটিকে হত্যা করতে, কিন্তু সে ব্যর্থ হয়। শেষে সাঞ্জি রামের ভাইপো ওই কন্যা শিশুকে হত্যা করে। তার মৃত্যু নিশ্চিত করতে মাথা থেঁতলে দেওয়া হয় একটা পাথর দিয়ে।-বিবিসি।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: