সর্বশেষ আপডেট : ৩ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

অরুণাচলে ফের মুখোমুখি ভারত ও চীনের সেনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ডোকলামে ৭৩ দিনের টানাপোড়েনের পরে এবার অরুণাচলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) বরাবর ফের মুখোমুখি ভারত ও চীনের সেনা। অরুণাচলের আসাফিলা এলাকায় ভারতীয় বাহিনীর টহলদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে চীন। অভিযোগ এনেছে সীমান্ত লঙ্ঘনের। তবে ভারতীয় সেনা এই দাবি পুরোপুরি বাতিল করে দিয়ে জানিয়েছে, ওই এলাকায় তারা নিয়মিত টহল দিয়ে থাকে। ফলে সীমান্ত পেরোনোর দাবি ভিত্তিহীন। -খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

দুই দেশের সীমান্ত সমস্যা মেটানোর জন্য যে বর্ডার পার্সোনেল মিটিং (বিপিএম) হয়ে থাকে, সেখানেই গত ১৫ মার্চ বিষয়টি নিয়ে সরব হয় চীন। তাদের দাবি, আসাফিলা ও ফিসটেল-এ গত ২১ ডিসেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতীয় সেনাকে বড় ধরনের টহলদারি করতে দেখা গেছে। তবে বৈঠকে ভারতীয় সেনা জানিয়ে দেয়, অরুণাচলের আপার সুবানসিরি এলাকাটি ভারতের। আর সেখানে নিয়মিত টহল দিয়ে থাকে তারা। চীন একে ‘সীমান্ত লঙ্ঘন’ আখ্যা দেওয়ায়, তার প্রতিবাদ করা হয়। সেনা সূত্রের মতে, বেইজিংয়ের তরফে সীমান্ত লঙ্ঘনের এমন অভিযোগ অবাক করার মতো ব্যাপার। কারণ, অতীতে ওই এলাকায় চীনা অনুপ্রবেশ নিয়ে বারবার প্রতিবাদ জানিয়েছে নয়াদিল্লি। তবে বৈঠকে চীনা সেনার তরফে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়, আসাফিলায় সীমান্ত লঙ্ঘন দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়াতে পারে। জবাবে ভারতের প্রতিনিধিরা বলেন, এলএসি সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা হয়েছে নয়াদিল্লির। ফলে ভবিষ্যতেও ওই এলাকায় ভারতীয় সেনাকে টহল দিতে দেখা যাবে।

ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত সংঘাত এড়াতে এলএসি-র পাঁচটি জায়গায় বিপিএম হয়ে থাকে। এগুলো হলো, অরুণাচলের বুম লা ও কিবিথু, লাদাখের দৌলত বেগ ওলডি, চুশুল ও সিকিমের নাথু লা। ১৫ মার্চ ভারত ও চীনের মধ্যে বিপিএম-এর বৈঠকটি বসেছিল কিবিথু এলাকায় চীনের দিকে দাইমাই পোস্টে। বৈঠকে চীনা সেনা আরো অভিযোগ করেছে, টুটিং-এ ভারতীয় সেনা তাদের রাস্তা তৈরির সরঞ্জাম নষ্ট করে দিয়েছে। ভারত অবশ্য এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সেনা সূত্রের দাবি, ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে, টুটিং-এ রাস্তা তৈরির জন্য এলএসি-র এক কিলোমিটার ভিতরে ঢুকে পড়েছিল চীন। ভারতের সেনারা বাধা দিলে রাস্তা তৈরির কাজ বন্ধ হয়। ওই এলাকা ছেড়ে যায় চীনা সেনা। পরে তাদের রাস্তা তৈরির সরঞ্জাম ফেরত দিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেই জানিয়েছে ভারতীয় সেনা।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: