সর্বশেষ আপডেট : ১১ মিনিট ১১ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৮, খ্রীষ্টাব্দ | ৭ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে আসছে বড় ধরণের পরিবর্তন

শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক::
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বড় ধরণের পরিবর্তন আসছে। এরই মধ্যে এ সংক্রান্ত বিধিমালা খসড়া প্রণয়ন করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। এখন ওই খসড়া যাচাই-বাছাই করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে শিক্ষাগত যোগ্যতায় পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থাৎ সহকারী শিক্ষক পদে পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক প্রস্তাব করা হয়। তবে ৬০ শতাংশ কোটা বহাল থাকছে নারীদের জন্য।

২০১৩ সালের নিয়োগ বিধিমালায় পুরুষ ও নারীর জন্য আলাদা শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে। যেখানে সহকারী শিক্ষক পদে পুরুষের জন্য স্নাতক আর নারীদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক পাস হতে হয়। এখন এই বিধি পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে।

নতুন বিধিমালায় বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগেও জোর দেয়া হয়েছে। এ কারণে নতুন বিধিমালায় সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মোট পদের শতকরা ২০ ভাগ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের মধ্য থেকে নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এদিকে এত দিন স্নাতক পাস হলেই সরাসরি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে আবেদন করা যেত। তবে নতুন বিধিমালার খসড়ায় এই শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ছিল ২৫ থেকে ৩৫ বছর। কিন্তু এখন তা ২১ থেকে ৩০ বছর করার প্রস্তাব আনা হয়েছে। এ জন্য বলা হচ্ছে, উক্ত পদটি দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) নীতিমালার সঙ্গে সংগতি রেখে এমনটি করা হচ্ছে।

তবে আগের মতো সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে ৬৫ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক হওয়ার বিধান থাকছে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলযোগ্য হবে। বাকি ৩৫ শতাংশ পদে সরাসরি নিয়োগ দেয়া হবে।

নতুন বিধিমালার খসড়ায় বলা হয়েছে, দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেডে থাকা শিক্ষক নবম বা তদূর্ধ্ব গ্রেডের কোনো পদে পদোন্নতির সুপারিশ পেতে পারেন। আর ১৩তম থেকে ১৬তম বেতন গ্রেডের কোনো পদে থাকা শিক্ষককে দশম থেকে দ্বাদশ বেতন গ্রেডের কোনো পদে পদোন্নতির সুপারিশ করা যেতে পারে। তবে উভয় ক্ষেত্রেই পিএসসির সুপারিশ প্রয়োজন হবে।

নতুন বিধিমালা কার্যকর হলে শিক্ষক নিয়োগ আগের মতোই উপজেলা বা থানাভিত্তিক হবে। তবে কোনো ব্যক্তিকে কেন্দ্রীয়ভাবে গঠিত সহকারী শিক্ষক নির্বাচন কমিটির সুপারিশ ছাড়া সহকারী শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগ দেয়া যাবে না।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. রমজান আলী জানান, ২০১৩ সালের বিধিমালা থেকে নতুন বিধিমালায় বেশ কিছু পরিবর্তন আসছে। আমরা আশা করছি দ্রুতই নতুন বিধিমালা পাস হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: