সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

জানাজা শেষে নিহতদের কফিনে শ্রদ্ধা

নিউজ ডেস্ক:: নেপালে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় নিহতদের কফিন আর্মি স্টেডিয়ামে নেয়ার পর জানাজা শেষে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। ২৩ জনের মরদেহের কফিন ১৯টি মরদেহবাহী ফ্রিজিং গাড়িতে করে বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যায়। বিকেল ৫টায় আর্মি স্টেডিয়ামে পৌঁছায় মরদেহগুলো।

এর আগে সোমবার বিকেল ৩টা ৫৫ মিনিটে মরদেহগুলো নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি কার্গো বিমান। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ১ নম্বর ভিভিআইপি টার্মিনালে অবতরণ করে মরদেহবাহী ৬১-২৬৪০ নম্বর বিমানটি।

মরদেহ আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তার সঙ্গে ছিলেন বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী শাহজাহান কামাল।

আনুষ্ঠানিকভাবে নেপাল থেকে আসা মরদেহ গ্রহণের জন্য বিমানটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কিছুক্ষণ আগে সেখানে উপস্থিত হন সড়ক, পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এর আগে সকালে নেপালে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কাছে ২৩ বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর করেছে নেপাল কর্তৃপক্ষ। এরপর দূতাবাসের আঙ্গিনায় লাশের কফিনগুলো সারিবদ্ধ করে রাখা হয়। সকাল ৯ টায় জানাজা শেষে নিহতদের নাম লেখা কফিনের পাশে স্বজনরা কিছুক্ষণ থাকার সুযোগ পান। সেখানে আপনজনের নাম লেখা কফিন দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তারা। এরপর সোয়া ৯টার দিকে বিমানবন্দরে নেওয়ার জন্য গাড়িতে তোলা হয় কফিনগুলো।

নেপালে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা যায়, নিহত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে ২৩ জনের লাশ শনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন-বেগম হুরুন নাহার বিলকিস বানু, এস এম মাহমুদুর রহমান, ফয়সাল আহমেদ, বিলকিস আরা মিতু, নাজিয়া আফরিন চৌধুরী, আখতারা বেগম, মো. রকিবুল হাসা, মো. রফিকুজ্জামান, সানজিদা হক, অনিরুদ্ধ জামান, মো. হাসান ইমাম, তামারা প্রিয়ন্ময়ী, তাহারা তানভীন শশী রেজা, ফ্লাইটের পাইলট আবিদ সুলতান, কো-পাইলট পৃথুলা রশীদ ও মিনহাজ বিন নাসির, আঁখি মনি, এফ এইচ প্রিয়ক, শারমীন আক্তার নাবিলা, উম্মে সালামা, মো. মতিউর রহমান, খাজা হুসাইন ও মো. নুরুজ্জামান। নিহত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে ৩ জনের মরদেহ শনাক্ত করা যায়নি। তারা হলেন- আলিফউজ্জামান, পিয়াস রায় ও মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, ১২ মার্চ ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিমান কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় ৪৯ আরোহীর মৃত্যু হয়, যাদের মধ্যে চার পাইলট-ক্রুসহ ২৬ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ২৩ জনকে শনাক্ত করে আজ দেশে নিয়ে আসা হয়। এদিকে রবিবার পর্যন্ত এ ঘটনায় আহত ১০ বাংলাদেশির মধ্যে ৬ জন দেশে ফিরেছেন। তারা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছেন। তারা হলেন- শাহরিন আহমেদ মুমু, মেহেদী হাসান, সাঈদা কামরুন্নাহার স্বর্ণা, আলমুন নাহার অ্যানি, রাশেদ রুবায়েত ও শাহিন ব্যাপারী। বাকি চার জন সিঙ্গাপুর, নেপাল ও ভারতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: