সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ২২ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবসে জাগরণমুলক গণজমায়েত : নদীর জন্যে কাঁদে প্রাণ

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

অবিরাম ছুটে চলাই নদীর ধর্ম। ছুটে চলার পথে সে বয়ে আনে পলি, মাটিকে করে উর্বর। প্রকৃতি ও জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে নদী। আবহমান কাল থেকেই নদী মানুষের বন্ধু হিসেবেই কাজ করছে। কিন্তু দখল, দূষণ আর অপব্যবহারের কারণে মানুষের চিরসখা সে নদীকেই আমরা মৃত্যুর কোলে ঠেলে দিচ্ছি। এখনই সচেতন না হলে নদীগুলো ক্রমশ: মৃত্যুর পথে এগিয়ে যাবে।

সারি নদী বাঁচাও আন্দোলন ও সুরমা রিভার ওয়াটারকিপারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ’নদীর জন্য কাঁদে প্রাণ’ শীর্ষক এক জাগরণমুলক গণজমায়েতে বক্তারা একথা বলেন। আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবস’১৮ উপলক্ষ্যে শুক্রবার বিকেল ৪ টায় জৈন্তাপুরের দামড়িস্থ ক্ষ্যাপা নদীর তীরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সারি নদী বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি আব্দুল হাই আল-হাদীর সঞ্চালয় ও মাহবুবুল উল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন । প্রধান বক্তা হিসেবে নদীর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তার উপর বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপা, সিলেটের সেক্রেটারী ও সুরমা রিভার ওয়াটারকিপার আব্দুল করিম কিম। জমায়েতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দরবস্ত ইউপি চেয়ার‌্যান বাহারুল আলম বাহার, চারিকাটা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েল, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি, সাবেক চেয়াম্যান এনায়েত উল্ল্যাহ, এডভোকেট আলতাফ হোসেন, সাংবাদিক সমির মাহমুদ, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাব সভাপতি শাহেদ আহমদ, যুবলীগ আহবায়ক কুতুব উদ্দিন, যুবনেতা সাইফুল আলম, ইউপি সদস্য আব্দুর রকিব, মুদচ্ছির আহমদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জয়নাল আবেদীন বলেন, জৈন্তাপুরের হাওর-বাওর,বিল-ঝিলের প্রাণভোমরা হচ্ছে এখানকার নদী-নালা। সেগুলোর জীববৈচিত্র্য, পরিবেশ ও প্রতিবেশ পুরোটাই নদীর উপর নির্ভরশীল। নদী মরে গেলে সকল হাওর-বাওর-বিল-ঝিলেরও অপমৃত্যু ঘটবে। তাই নদীকে বাঁচানো সবার নৈতিক দায়িত্ব।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে আব্দুল করিম কিম বলেন, নদীর গুরুত্ব আন্তর্জাতিক মহলে ইতিমধ্যে স্বীকৃত পেয়েছে। বর্তমান সরকারও ইতিমধ্যে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন গঠন করেছেন। সরকারের পাশাপাশি জনগণকেও এক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে। জনগণের জাগরণ ছাড়া নদী রক্ষা কিছুতেই সম্ভব নয়।

বক্তারা বলেন, ক্ষ্যাপা একটি ঐতিহ্যবাহী নদী। সে নদীর তীর কেটে থেকে অবৈধভাবে ইটভাটার জন্য মাটি কাটা হচ্ছে। নদীর অনেক অংশে চর জেগেছে। তাই পরিবেশ বিধ্বংসী সকল কর্মকান্ড বন্ধ করার জন্য তারা প্রশাসনসহ সবার প্রতি আহবান জানান। খর¯্রােতা এ নদীর নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য নদীতে ড্রেজিংয়ের জন্যও তারা দাবি জানিয়েছেন। জমায়েতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দেলোয়ার হোসেন, বেলাল আহমেদ, শহজাহান কবির খান, আমিন আহমেদ, ইলিয়াস আকরাম, সেলিম আহমদ, মামুনুর রশিদ, ইমরান, আলমগীর, জসীম, কাওছার, রায়হান, জুবায়ের, শরীফ, ফয়ছল, কয়ছর, রাজ্জাক, রাসেল মাহফুজ, মখলিস, আরীফ প্রমূখ।


এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: