সর্বশেষ আপডেট : ২২ মিনিট ৪০ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বেড়েছে চাল, কমেছে পেঁয়াজ-ডিমের দাম

নিউজ ডেস্ক:: স্বস্তি ফিরছে পেঁয়াজের বাজারে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর খুচরাবাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। সুখবর রয়েছে ডিমের দামেও। তবে নতুন করে চালের দাম বাড়ায় অস্বস্তিতে রয়েছে স্বল্প আয়ের মানুষ।

শুক্রবার রাজধানীর কাওরানবাজার ও নিউমার্কেটসহ কয়েকটি বাজারে সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে নিত্যপণ্যের বাজারদরের এই চিত্র পাওয়া যায়।

সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসেবে শুক্রবার বাজারে প্রতি কেজি নাজিরশাইল, মিনিকেট মানভেদে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, পাইজাম, লতা ৪৮ থেকে ৫৬ টাকা ও স্বর্ণা, ইরি ৪৩ থেকে ৪৬ টাকা দরে বিক্রি হয়। যা সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২ টাকা বেশী।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এখন চালের দাম বাড়ার কোন কারণ নেই। মিল মালিকরা কারসাজি করে চালের দর বাড়াচ্ছে।
এদিকে চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় চলতি মার্চ মাস থেকে সরকার সারাদেশে খোলাবাজারে চাল বিক্রি ( ওএমএস) কার্যক্রম শুরু করেছে। ৩০ টাকা কেজি দরে এ চাল বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া দ্বিতীয় পর্বের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫০ লাখ হতদরিদ্র মানুষকে ১০ টাকা কেজি দরে প্রতিমাসে ৩০ কেজি করে চাল দিচ্ছে সরকার।

এ প্রসঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, গরীব মানুষকে কম দামে চাল দেওয়ার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আমরা এই দুটি কার্যক্রম চালু করছি। আশা করি, এতে বাজারে চালের দাম কিছুটা কমে আসবে। দাম বাড়ার তালিকায় আরো রয়েছে চিনি। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি চিনিতে ২ টাকা বেড়ে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দরে। শুক্রবার বাজারে প্রতি কেজি দেশী পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫০ টাকা ও আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহ থেকে কেজিতে ১০ টাকা কম। কাওরানবাজারের পাইকারী পেঁয়াজ ব্যবসায়ী লতিফ বলেন, ভারতে পেঁয়াজের দাম কমেছে। এছাড়া বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। তাই পেঁয়াজের বাজার এখন কমতির দিকে।

দাম কমেছে ডিমেরও। বর্তমানে ফার্মের লাল ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ২৪ থেকে ২৫ টাকায়। এছাড়া স্থিতিশীল রয়েছে সবজির বাজার। শুক্রবার বাজারে প্রতি কেজি সিম ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, টমেটো ২০ টাকা, করল্লা ৮০ টাকা, আলু ১৬ থেকে ১৮ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, শশা ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, লতি ৫০ টাকা, কাঁচামরিচ ৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়। এছাড়া প্রতিটি ফুলকপি, বাঁধাকপি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লাউ ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়।

স্থিতিশীল রয়েছে মাছ ও মাংসের দাম। শুক্রবার বাজারে প্রতি কেজি রুই ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, কাতল ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, পাঙ্গাস ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, সিলভার কার্প ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, শিং ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা ও চিংড়ি ৪৫০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিকেজি গরুর মাংস ৪৮০ টাকা, খাসির মাংস ৭৫০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি ১২০ থেকে ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হয়।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: