সর্বশেষ আপডেট : ৮ মিনিট ৩৭ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

জগন্নাথপুরে দ্বিতীয় দফা সময় শেষ হলেও শেষ হয়নি বেড়িবাধ কাজ

ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদ,জগন্নাথপুর:: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বেধে দেয়া দ্বিতীয় দফা সময় শেষ হলেও শেষ হয়নি বেড়িবাধের কাজ। এ নিয়ে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে শঙ্কিত হওয়ার আশঙ্কা নেই। অন্য বছরের তুলনায় এবার দ্রুত ও মান সম্পন্ন কাজ হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি কাজের প্রথম দফা মেয়াদ শেষ হয়। এ সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হওয়ায় দ্বিতীয় দফায় আরো ৫ দিনের সময় বাড়ানো হলেও কাজ শেষ হয়নি। তবে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। আগামি এক সপ্তাহের মধ্যে বাকি কাজ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জানাগেছে, এ বছর প্রায় ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯২টি পিআইসি কমিটির মাধ্যমে জগন্নাথপুর উপজেলার ৫২ কিলোমিটার নলুয়ার হাওর ফসল রক্ষা বেড়িবাধের মেরামত ও নির্মাণ কাজ চলছে। তবে এখন পর্যন্ত বেড়িবাধের কোন প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি।
মঙ্গলবার সরজমিনে দেখা যায়, নলুয়ার হাওর বেড়িবাধের সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ ভুরাখালি রিং বাধের কাজ এখনো শেষ হয়নি। বাধের এ স্থানের ভাঙন দিয়ে পানি ঢুকে গত বছর নলুয়ার হাওর তলিয়ে গিয়েছিল। এ সময় এ বাধ অংশের কাজ পাওয়া পিআইসি কমিটির সভাপতি আ.লীগ নেতা হারুন রশীদ জানান, আশা করছি আগামি কয়েক দিনের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে।

সেই সাথে দাস নোয়াগাঁও এলাকায় পিআইসি কমিটির সভাপতি স্থানীয় ইউপি সদস্য রনধীর কান্তি দাসের অংশে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বাধের সাথে বাঁশের আড় দিয়ে ও বস্তা ফেলে উন্নত মানের কাজ করা হচ্ছে। যদিও তাঁর পুরো কাজ এখনো শেষ হয়নি। এ সময় রনধীর কান্তি দাস বলেন, আগামি এক সপ্তাহের মধ্যে কাজ শেষ হবে।

এছাড়া খোঁজ-খবর নিয়ে জানা যায়, ৬ মার্চ মঙ্গলবার কাজের দ্বিতীয় দফা সময় শেষ হলেও এখন পর্যন্ত উপজেলার কোন স্থানে বাধের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। এ সময় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে অনেকে অভিযোগ করে বলেন, বৈশাখ মাসে হাওরের যে সব রাস্তা দিয়ে গরুর গাড়ি যাতায়াত করতো এবার এসব রাস্তা কেটে মাটি নিয়ে বাধে ফেলা হয়েছে। এতে বৈশাখ মাসে হাওর থেকে ধান বাড়ি আনতে গিয়ে অনেক ভোগান্তি বাড়বে। তবে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান না থাকায় ও পিআইসি কমিটির মাধ্যমে কাজ করায় এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ এর অধিক তৎপরতায় অন্য বছরের তুলনায় এবার ভাল কাজ হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানান।


এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে এ রহিম সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪ (নিউজ) ০১৭১২৮৮৬৫০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: