সর্বশেষ আপডেট : ২৮ মিনিট ৩৮ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮, খ্রীষ্টাব্দ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত অভিযোগে গ্রেপ্তার ১৪

শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক::
ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত অভিযোগে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার ঢাকা ও ঢাকার বাইরে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তারদের একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহিম। সকালে গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিউ মার্কেট থানার ওসি আতিকুর রহমান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সকালে ওই স্কুল কেন্দ্রের সামনে ফাহিমকে মোবাইলসহ গ্রেপ্তার করা হয়। সে পরীক্ষার্থী ছোট ভাইকে সাহায্যের জন্য গিয়েছিল। কিন্তু মোবাইল নিয়ে নাড়াচাড়া করার সময় সন্দেহ হয়। পরে তাকে আটক করে মোবাইল পরীক্ষা করে দেখা যায় প্রশ্নপত্র। আমরা সেই প্রশ্ন দেখে পরীক্ষার হলে গিয়ে চলমান পরীক্ষার প্রশ্নের সাথে মিল পাই।

গত বছর নভেম্বর-ডিসেম্বরে প্রাথমিক ও অষ্টম শ্রেণি সমাপনী পরীক্ষার সকালে বিভিন্ন ফেসবুক পেইজ ও গ্রুপে প্রশ্ন ও উত্তর ছড়িয়ে পড়ে। একই ঘটনা ঘটছে এবার এসএসসি পরীক্ষায়, প্রতিটি পরীক্ষার আগেই প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়ছে ফেসবুক গ্রুপ-মেসেঞ্জারে।

এর আগের পরীক্ষাগুলোতে পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টাখানেক প্রশ্ন ফাঁস হলেও শনিবার ঘণ্টা দেড়েক আগেই কয়েকটি ফেসবুক গ্রুপে দেওয়া হয় গণিতের বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্রের উত্তরসহ ছবি।

সকালে পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে মোবাইল ফোনে প্রশ্ন দেখানোর সময় রাজশাহী ও যশোরে দুই কলেজ শিক্ষার্থীকে ধরে পুলিশে দেন অভিভাবকরা।

পরীক্ষা চলাকালে গাজীপুরের মাওনায় একটি কেন্দ্র থেকে প্রশ্ন নিয়ে বেরোনোর পর এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আমজাদ হোসেন নাহীন নামের ওই ব্যক্তি শ্রীপুরের রেড়াইদেরচালা আলহাজ্ব ধনাই বেপারী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সেখানে সহকারী কেন্দ্র সচিবের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

নিউ মার্কেট থানার ওসি জানান, মোবাইলসহ ধরা পড়ার আগে ফাহিম কেন্দ্রের সামনে দাঁড়িয়ে তার ছোট ভাইয়ের বন্ধু এক পরীক্ষার্থীকে সহযোগিতা করছিলেন। ওই ছেলেকেও ধরা হয়। তার সাথেও একটি মোবাইল পাওয়া যায়। তবে তাকে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। পরীক্ষার পর তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য ওই দুজনকে গোয়েন্দা পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়ে যায় বলে জানান তিনি। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে থেকে আরো ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে গোয়েন্দা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

রোববার সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে বলে জানান তিনি।

যশোরে আটক এই কলেজছাত্রের নাম মনিরুজ্জামান। তিনি যশোর সরকারি এমএম কলেজের মাস্টার্স শেষ বর্ষের ছাত্র ও ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ছোট ধোপাদী গ্রামের সানাউল্লাহর ছেলে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: