সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ২৮ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮, খ্রীষ্টাব্দ | ৬ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

স্বর্ণের মার্কেট থেকে ৮০ লাখ টাকাসহ যুবক গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক:: রাজধানীতে বায়তুল মোকাররম স্বর্ণের মার্কেট থেকে ৮০ লাখ টাকা অবৈধভাবে বহন করার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা। শুল্ক গোয়েন্দা ডিজি ড. মইনুল খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম মাহমুদুল হাসান মামুন (২৬)। তার বাবার নাম মো. হাবিবুর রহমান। বাড়ি ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার ওয়ারুক গ্রামে। তিনি রাজধানীর বিজয়নগর এলকায় থাকতেন।

 

ড. মইনুল খান জানান, বুধবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) প্রতিনিধিরা শুল্ক গোয়েন্দাকে জানান তাদের অফিসে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তির রয়েছেন, যার কাছে বিপুল পরিমাণ টাকা আছে।

এ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শুল্ক গোয়েন্দার একটি দল ওইদিন আনুমানিক বেলা সাড়ে ৩টায় বায়তুল মোকাররম মার্কেটে উপস্থিত হয়। তারা মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় কর্মরত সিকিউরিটি গার্ড মো. মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে জানতে পারেন যে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তি বায়তুল মোকাররম মার্কেটের আল হামরা জুয়েলার্সের শোরুম থেকে একটি ব্যাগ নিয়ে বের হয়েছিলেন, যা ওই সিকিউরিটি গার্ড দেখেছেন।

এর ওই যুবককে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির অফিস কক্ষে আনা হয়। তার ব্যাগ তল্লাশি করে নগদ টাকা পাওয়া যায়। পরে শুল্ক গোয়েন্দার দল টাকাভর্তি ব্যাগের বিষয়ে ওই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি এই টাকার উৎস ও বৈধতা সম্পর্কে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি বলে দাবি করেছে শুল্ক গোয়েন্দা।

শুল্ক গোয়েন্দা দলের ধারণা, ওই যুবক এই বিপুল পরিমাণ টাকা (৮০ লাখ) বায়তুল মোকাররমের কোনো একটি স্বর্ণের দোকানে অবৈধ চোরাচালানের স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে সংগ্রহ করেছেন। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তির নিকট স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয়ের কোনো রশিদ পাওয়া যায়নি।

জব্দ করা টাকার বিবরণ

ওই যুবকের কাছ থেকে বাংলাদেশি এক হাজার টাকার মোট বান্ডেল ৩০টি এবং প্রতি বান্ডেলে একশটি করে এ হাজার টাকার নোট, যা সর্বমোট ত্রিশ লাখ টাকা।

এছাড়া পাঁচশ টাকার একশটি বান্ডেল এবং প্রতি বান্ডেলে একশটি করে পাঁচশ টাকার নোট, যা সর্বমোট পঞ্চাশ লাখ টাকা।

শুল্ক গোয়েন্দা বরেছে, দেশের চলমান সার্বিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় নিয়ে এই বিপুল পরিমাণ টাকা কোনো ধরনের নাশকতার কাজে ব্যবহারের জন্য আনা হয়েছিল কি না তা নিশ্চিতে অধিকতর তদন্তের প্রয়োজন।

গোয়েন্দাদের ধারণা, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তি সংঘবদ্ধ অর্থপাচার চক্রের সদস্য, যারা পরস্পর যোগসাজশে অবৈধভাবে অর্জিত এই বিপুল পরিমাণ নগদ টাকার উৎস গোপন করে নিজ দখলে রেখেছিলেন, যা ২০১২ সালের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের (সংশোধনী ২০১৫) ধারা ২ (ফ) অনুসারে মানিলন্ডারিং হিসেবে সংজ্ঞায়িত।

এটি একই আইনের ৪(২) ধারা মতে অপরাধের সামিল হওয়ায় বর্ণিত আসামিকে আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। বুধবার রাতেই ওই যুবককে গ্রেফতার দেখিয়ে পল্টন মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ফরিদ আহম্মেদ এই এজাহার দায়ের করেছেন। পল্টন মডেল থানার মামলা নম্বর ১১।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: