সর্বশেষ আপডেট : ১০ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৮, খ্রীষ্টাব্দ | ৯ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

স্যার না বলায় চটে গেলেন ইউএনও

নিউজ ডেস্ক::

স্যার না বলায় স্থানীয় একসংবাদ কর্মীর ওপর চটে গেলেন পাবনার বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা খানম। এ সময় ইউএনও উত্তেজিত হয়ে এই সাংবাদিককে বলেন, আপনি কত দিন ধরে সাংবাদিকতা করেন। আপনি জানেন না একজন ইউএনওকে স্যার বা ম্যাডাম বলতে হয়।

বুধবার বিকেলে পেশাগত কাজে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন ও সময় টিভির পাবনা প্রতিনিধি সৈকত আফরোজ আসাদ মুঠোফোনে তার বক্তব্য জানার জন্যে ফোন করেন। মুঠোফোনে আলাপের মাঝে তাকে আপা বলে সম্মোধন করায় সে ক্ষিপ্ত হন। এ সময় তার সাথে অনেক বাক বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে ওই সংবাদকর্মী সদ্য বিদায়ী পাবনার জেলা প্রশাসক রেখা রানী বালোকে আপা বলে সম্মোধন করার বিষয়টি অবহিত করলে ইউএনও ফারজানা খানম বলেন, স্যারের বিষয়টি জানি না। আমাদের চাকুরীতে নিয়ম কানুন আছে অবশ্যই আমাকে স্যার বা ম্যাডাম বলে সম্মোধন করতে হবে। অন্য কারোর সাথে আমাকে বিবেচনা করা যাবে না।

বেড়ায় কর্মরত একাধিক সাংবাদিকরা জানান, সম্প্রতি ঢাকার জাতীয় দৈনিক বাংলা খবর প্রতিদিনের সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা খানমকে আপা বলায় চরম ক্ষিপ্ত হয়ে আশালীন আচরন করেন। শুধু তাই নয় তিনি বেড়ায় যোগদানের পর থেকেই শুধূ সাংবাদিকই নয় জনসাধারনের সাথে খুবই খারাপ আচরন করেন। উপজেলা একজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তার এই আচরনে সবাই অতিষ্ঠ হলেও কেউ মুখ খুলতে পারে না বলেও জানান তারা। বেড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই বিষয়টি নিয়ে চরম কানাঘুষা হলেও তিনি এমন আচরন করে আসছেন।

এ বিষয়ে পাবনা টেলিভিশন ও অনলাইন সাংবাদিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ ও এটিএন নিউজ’র পাবনা প্রতিনিধি রিজভী জয় বলেন, একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের নিকট থেকে এ ধরনের কামনা করতে পারেন না। কেননা আমরা তো বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রী শেষ করেই এই পেশায় কর্মরত আছি। একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অধীনে আমরা আবশ্যই কাজ করি না। সেখানে তাকে স্যার বা ম্যাডাম বলার প্রশ্নই ওঠে না।

এ বিষয়ে পাবনা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারন সম্পাদক কাজী মাহবুব মোর্শেদ বাবলা বলেন, বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একজন পেশাদার সাংবাদিকের সাথে যে আচরনটি করেছেন, তা মোটেও উচিত হয়নি। এতেই প্রমানিত হয় যে, তার আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে কেউ এ ধরনের পজিশনে নেই। তিনি এন পজিশনের থাকায় তার মধ্যে অহম বোধ কাজ করে বলেই এমন আচরন করেছেন। অবশ্যই তার ওই সাংবাদিকের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত বলেও জানান এই সাংবাদিক নেতা।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও মাছরাঙা টেলিভিশনের উত্তরাঞ্চলীয় ব্যুরোপ্রধান উৎপল মির্জা বলেন, আমলাদের মধ্যে এই ধরনের আমলাতান্ত্রিক মনোভাব দূর হওয়া প্রয়োজন। কেননা আমলারা জনগণের বা রাষ্ট্রের একজন কর্মচারী মাত্র। তারা কখনোই এই ধরনের প্রত্যাশা করতে পারে না। সর্বপরি সম্মান জোর করে আদায় করা যায় না। তাদের মধ্যে এ ধরনের আচরনের কারণে সাধারন লোকজন তাদের নিকট থেকে প্রত্যাশিত সেবা বঞ্চিত হচ্ছেন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: