সর্বশেষ আপডেট : ২১ মিনিট ৪ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০১৮, খ্রীষ্টাব্দ | ৫ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বন্ধু পরিচয়ে গভীর রাতে কলেজছাত্রীর ঘরে, অতঃপর…

নিউজ ডেস্ক::

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় উপজেলায় সালিশের মাধ্যমে যৌন নির্যাতনকারীকে মুক্ত করা হয়েছে বলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

এর আগে যৌন নির্যাতনকারী সিয়াম (১৬) নামের এক কলেজছাত্রকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে স্থানীয় জনতা।

 

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভাঙ্গুড়া পৌর সদরের চৌবাড়িয়া ভদ্রপাড়া মহল্লায় রোববার গভীর রাতে। নির্যাতিতা কিশোরী স্থানীয় একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের কলকতি গ্রামের হামিদ প্রামানিকের ছেলে সিয়াম ওই ছাত্রীর সহপাঠী হওয়ায় তার এক বন্ধুসহ শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে ওই ছাত্রীর বাসায় দেখা করতে যায়।

কলেজছাত্রীর বন্ধু পরিচয় দিয়ে তারা বাসার একটি কক্ষে বসে কথা বলছিল এবং বাসার অন্যান্যরা নিজেদের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। হঠাৎ ওই ছাত্রীর চিৎকার শুনে বাসার সদস্য ও প্রতিবেশীরা দৌড়ে এলে সিয়ামকে ধর্ষণের চেষ্টা করতে দেখে। এ সময় বখাটেরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা সিয়ামকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

পুলিশ আহত অবস্থায় সিয়ামকে উদ্ধার করে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে এ ঘটনায় রাজনৈতিক নেতাদের চাপে উভয় পক্ষকে নিয়ে সালিশ বসলে সিয়ামের সঙ্গে ওই ছাত্রীর বিয়ের দাবি জানায় ছাত্রীর পরিবার।

কিন্তু তাদের দাবি কর্ণপাত না করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে পৌর কাউন্সিলর বিষু, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুকসহ স্থানীয় গণ্যমান্যরা ওই ছাত্রীর ইজ্জতের মূল্য হিসেবে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করে সিয়ামকে মুক্ত করে দেয়।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা সাইদুল ইসলাম বলেন, আমি ও কাউন্সিলর এবং অন্যান্যরা মিলে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছি। এ টাকা মেয়ের নামে ব্যাংকে রেখে পরে বিবাহের কাজে লাগানো হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জুয়েল বলেন, ধর্ষণের চেষ্টার সময় এলাকাবাসী এক কলেজছাত্রকে আটক করে পুলিশে খবর দিলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে আমার কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ না দেয়ায় তাকে রাতে পুলিশ হেফাজত থেকে মুক্ত করে দেয়া হয়। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান ওসি।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: