সর্বশেষ আপডেট : ১৭ মিনিট ২১ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০১৮, খ্রীষ্টাব্দ | ৬ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সাংবাদিকের মোটরসাইকেল চুরি মামলা, বাদি’র ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ

নিজস্ব সংবাদদাতা:: সিলেটে এনটিভি প্রতিনিধি মারুফ আহমদের মোটরসাইকেল চুরির মামলায় ১৬৪ ধারায় তাঁর জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন আদালত।
সোমবার (১ জানুয়ারী) বিকেল সাড়ে ৪টায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতের বিচারক মামুনুর রশীদ এ জবানবন্দি নেন।
এর আগে সকাল সাড়ে ১১টায় এ মামলায় গ্রেফতার হওয়া পুলিশের সোর্স শাহজাহানের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি হয়। মুখ্য মহানগর আদালতের বিচারক সাইফুজ্জামান হিরো তা না মঞ্জুর করেন। গতকাল রোববার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খান মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ রিমান্ড আবেদন করেছিলেন। বিচারক আজ সোমবার শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন।
এসময় মামলার বাদি মারুফ আহমদ ও তদন্তকারী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খানের বক্তব্য শুনতে শুনানির সময় তাদের হাজির থাকারও নির্দেশ দেন বিচারক।
আজ সোমবার মুখ্য মহানগর আদালতের বিচারক সাইফুজ্জামান হিরো মামলার বাদি মারুফ আহমদ ও তদন্তকারী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খানের বক্তব্য শুনেন। পরে তিনি বাদির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেয়ার নির্দেশ দেন। তবে আদালতে দেয়া জব্দ তালিকায় কার হেফাজত থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে তা উল্লেখ না করায় তিনি পুলিশের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বিকেল সাড়ে ৪টায় মারুফ আহমদের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়।
জবানবন্দিতে তিনি মোটরসাইকেল উদ্ধারের বর্ননা দেন। তিনি বলেন, গত ২০ ডিসেম্বর বুধবার নগরীর মানিকপীর রোড এলাকা থেকে তার মোটরসাইকেল চুরি হয়। ২১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে কোতোয়ালী থানায় এজহার দাখিল করেন তিনি। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় ছুটিতে থাকা এসআই শফিকুর ইসলাম খানকে।
তিনি ছুটি শেষ করে ২৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে মামলাটি তদন্তে নামেন। এদিন সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় তিনি তার নতুন মোটরসাইকেলে সেন্সর হর্ণ লাগানোর জন্য নগরীর তালতলার একটি ওয়ার্কশপে যান। সেখানে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল নিয়ে উপস্থিত হন এক যুবক। পরে তিনি গাড়িটি নিজের বলে নিশ্চিত হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও অন্যান্য সাংবাদিকদের জানান। কিছু সময় পর পুলিশ পৌছে ওই যুবককে আটক করে এবং মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এসময় ওই যুবক নিজেকে এসএমপির দক্ষিণ ডিসি অফিসের আরও (এসআই) সমিরণ সিংহ বলে পরিচয় দেয়। রাতে পুলিশ চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি তার কাছে হস্তান্তর করে।
উল্লেখ্য, এসআই সমিরণ সিংহের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার সোর্স গোলাপগঞ্জ উপজেলার কানিশাইল নয়াপাড়া গ্রামের সাইফুর রহমানের ছেলে শাহজাহানকে ২৮ ডিসেম্বর রাতে গোলাপগঞ্জ থেকে আটক করা হয়। শাহজাহান আটকের পর বড়লেখার নাসিরের নাম পুলিশকে জানায়। এরপর থেকে পুলিশ নাসিরের খোঁজে রয়েছে।

 

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: