সর্বশেষ আপডেট : ১১ মিনিট ২৬ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ২৬ মে, ২০১৮, খ্রীষ্টাব্দ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

এবার বিপ্লবী নারীদের বই থেকে বাদ হচ্ছেন সু চি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক::

বিশ্বের স্বনামধন্য নারীদের নিয়ে রচিত একটি বই থেকে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির নাম বাদ দেয়ার দাবি উঠেছে। এর আগে অক্সফোর্ডসহ বিভিন্ন খেতাব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে তার নাম। এমন কি নোবেল শান্তি পুরস্কার ছিনিয়ে নেয়ারও দাবি করেছেন বিশ্বের শান্তিপ্রিয় মানুষেরা। এসবই হয়েছে মিয়ানমার সেনাদের রোহিঙ্গা নিধনের সময় সু চির নীরব থাকার প্রতিবাদে। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধন বন্ধে সু চি কোনো পদক্ষেপই নেননি। বরং সেনা নিপীড়নের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন।

এবার দাবি ওঠেছে লেখক এলেনা ফাভিলি এবং ফ্রান্সেস্কা কাভালোর লেখা ‘গুড নাইট স্টোরিজ ফর রিবেল গার্লস’বই থেকে সু চির নাম প্রত্যাহার করে করে নেয়ার। গত বছর খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল নারী বিষয়ক এ বইটি। মেরি কুরি থেকে হিলারি ক্লিনটন কিংবা সেরেনা উইলিয়ামসসহ একশ’জন বিপ্লবী, সাহসী ও সফল নারীকে নিয়ে লেখা এই বইতে অন্তর্ভুক্ত করা হয় সু চিকেও।

কিন্তু মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর দেশটির সেনাবাহিনীর গণহত্যাকে প্রকারান্তরে সমর্থন করায় ‘গুড নাইট স্টোরিজ ফর রিবেল গার্লস’বই থেকে মিয়ানমারের নেত্রী সু চির নাম বাদ দেয়ার দাবি উঠেছে। বইটিতে সু চির যে বিপ্লবী গল্প তুলে ধরা হয়েছে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। বইটি লেখার সময়ে সু চি আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন গণতন্ত্রের মানসকন্যা হিসেবে। তিনি তখন বিশ্বের চোখে নির্যাতিতদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো সাহসী এক কণ্ঠ। পেয়েছিলেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার।

কিন্তু রোহিঙ্গা সংকট তার সেই ইমেজ ধ্বংস করেছে। তিনি এখন মানবতার পক্ষ শক্তি হিসেবে নন, বিশ্ব জুড়ে পরিচিতি পাচ্ছেন স্বৈরাচার ও নিপীড়নকারীদের সমর্থক হিসেবে। তাই বইটির পরবর্তী সংস্করণে সু চির নাম বাদ দেয়ার দাবি উঠেছে। সে দাবি এতটাই জোরালো যে, বইয়ের দুই লেখিকা এলেনা ফাভিলি এবং ফ্রান্সেস্কা কাভালো বই থেকে সু চির অংশ সরিয়ে দেয়ার কথাই ভাবছেন। এই বইয়ে নজরকাড়া নারীদের লড়াকু জীবনের সঙ্গে রয়েছে নারী-শিল্পীদের হাতে আঁকা ছবিও

এতে সু চির ২১ বছরের গৃহবন্দি থাকার দিনগুলো থেকে শুরু করে তার মুক্তি পর্যন্ত সময়কাল ধরা রয়েছে। সু চিকে নিয়ে এমন সব কথা পড়ে বইটি কিনেছেন এমন কিছু অভিভাবক এখন রীতিমতো ফুঁসছেন। ফেসবুকে একজন অভিভাবক লিখেছেন, বইটির ৯৯ শতাংশ খুবই অসাধারণ। কিন্তু জাতিগত নিধনে অভিযুক্ত কেউ কীভাবে এ বইতে থাকতে পারেন? এটা বিরক্তিকর।

তিনি আরও জানান, সু চি এমন একজন, যিনি কিছুই করেন না। উল্টো জাতিনিধন, শিশু হত্যা, গণধর্ষণের মতো নির্যাতনের অভিযোগ শুনে চুপ করে থাকেন! আরেক অভিভাবক লিখেছেন, ‘তিন বছরের মেয়েকে গোলাপি রাজকুমারির দুনিয়া ছেড়ে অন্য কিছু শেখাতে চেয়েছিলাম। এ বইতে এমন কয়েকজন নারী রোল মডেলের কথা রয়েছে, যারা নিজেদের জীবনের লড়াইটা নিজেই লড়েছেন। কোনো রাজপুত্রের ভরসায় থাকেননি। সেখানে সু চিকে দেখে আমি হতাশ। রোহিঙ্গা সংকটের পরে তাকে আর মেনে নেয়া যায় না।’

সূত্র: ইন্টারনেট




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: