সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ৫০ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২৩ মে, ২০১৮, খ্রীষ্টাব্দ | ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ক্রিসমাস ট্রির অজানা গল্প

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
বড়দিনের অন্যতম অনুষঙ্গ ক্রিসমাস ট্রি। চিরসবুজ এমন গাছের ব্যবহার শুরু হয়েছিল যিশুখ্রিষ্টের জন্মের আগেই। খ্রিষ্ট-ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসবে বিশেষভাবে আলোকসজ্জিত করা হয় যে গাছকে তারই সাধারণ নাম ক্রিসমাস ট্রি। খ্রিষ্টীয় ঐতিহ্য অনুসারে, ২৪ ডিসেম্বর ক্রিসমাস ইভ এর আগে এই গাছ সাজানো যায় না। আর এটি সরিয়ে ফেলা হয় ১২তম রাতে অর্থাৎ ৬ জানুয়ারি।

আপেল, পাখি, মোমবাতি, ঘুঘু, মাছ, ফুল, ফল, স্বর্গদূত আর রঙ বেরঙের কাগজ ও বাতি দিয়ে ক্রিসমাস ট্রি সাজানো হয়। ক্রিসমাস ট্রি হিসেবে যে গাছটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় সেটি হলো ফার গাছ। এটি মূলত দেবদারু জাতীয় গাছ। এই গাছই বিভিন্ন রংয়ের আলো আর বিভিন্ন দ্রব্যে সাজিয়ে রাখা হয়। এই গাছের উপরে একটি তারা বা স্বর্গদূত বসানো হয়। এই স্বর্গদূত বেথেলেহেমে জন্ম নেওয়া যিশুখ্রিস্টের প্রতীক। এছাড়া ঝাউ জাতীয় গাছও ক্রিসমাস ট্রি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ক্রিসমাস ট্রি হতে পারে জীবিত আবার কৃত্রিমও হতে পারে, তবে যেটাই হোক সেটি হতে হবে এই দেবদারু গাছ।

ইউরোপের ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ক্রিসমাস ট্রি সাজানোর শুরুটা। ১৫ শতকে লন্ডনের প্রতিটি বাড়ি ও গির্জা আইভিলতা দিয়ে সাজানো হতো। তাদের বিশ্বাস ছিল, আইভিলতার পাতা পৃথিবীতে যিশুর আগমনের প্রতীক।

ক্রিসমাস ট্রি অর্থাৎ দেবদারু গাছ দিয়ে ঘর সাজানোর ঐতিহ্য প্রথম শুরু হয় ব্রিটেনে। সাল ১৫১০ থেকে লাটভিয়ায় শুরু হয় ক্রিসমাস ট্রি’র বিক্রি। এরপর থেকেই আসতে আসতে গোটা বিশ্বেই ছড়িয়ে পড়ে দেবদারু গাছের ‘মহিমা’। ক্রিসমাস আর বছর শেষের সেলিব্রেশনে দেবদারু গাছই সবার পছন্দ। কি কারণে এই গাছকেই বেছে নেওয়া হল সে বিষয়ে কোনও সঠিক তথ্য এখনও না পাওয়া গেলেও এই তথ্যটা অনেকেরই জানা, অনেক দেশই আছে যেখানে ক্রিসমাস সেলিব্রেশনের ক্রিসমাস ট্রি পুড়িয়ে ফেলার রীতি প্রচলিত রয়েছে।

খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীর মানুষ এই ক্রিসমাস ট্রি’কে শুভ মনে করেন। প্রাচীনকালে শীতপ্রধান দেশের মানুষ পাইন বা দেবদারুগাছকে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে মনে করত। তখনকার মানুষের ধারণা ছিল, বাড়ির আঙিনায় চিরসবুজ এই গাছগুলো থাকলে ভূত-পেতনিসহ কোনো অশুভ শক্তি বাড়ির ত্রিসীমানায় ঘেঁষতে পারে না!

সূত্র: ইন্টারনেট




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: