সর্বশেষ আপডেট : ৪৪ মিনিট ২১ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ২২ মে, ২০১৮, খ্রীষ্টাব্দ | ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

দুই বছর থেকে ঝুলে আছে সেতু নির্মাণ, ভোগান্তি চরমে

বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি ::
বিয়ানীবাজার উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাহাড়িয়াবহরের একটি সেতু নির্মাণের কাজ দুই বছর থেকে ঝুলে আছে। সেতু নির্মাণ কাজ যথাসময়ে শেষ না হওয়ায় এলাকাবাসী যাতায়াত বিড়ম্বনায় পড়েছেন। গত দুই বছর থেকে এলাকা বাঁশের সাকো দিয়ে এলাকার লোকজন চলাচল করছেন, বন্ধ রয়েছে যান চলাচল।
সেতু নির্মাণ করতে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান রাফিদ এন্টারপ্রাইজ প্রায় দুই বছর পূর্বে দক্ষিণ পাহাড়িয়াবহর খালের উপর পুরাতন সেতু ভেঙ্গে ফেলে। একই সাথে নতুন সেতু নির্মাণ করতে গভীর গর্ত করা হয়। গর্ত করার পর কাজ শুরু না করায় গর্তের পাশর্^বর্তী ফসলি জমিতে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।
বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের প্রথম দিকে ১ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার ও একটি সেতু (কালভার্ট) নির্মাণের জন্য রাদিফ এন্টারপ্রাইজকে ঠিকাদার নিয়োগ দেয়া হয়। রাস্তা ও সেতু নির্মাণে ব্যয় হবে ৭০ লাখ টাকা। এর মধ্যে রাস্তা সংস্কার করার জন্য ৫৭ লাখ টাকা এবং কালভার্টের জন্য ব্যয় হবে ১৩ লাখ টাকা। রাস্তা সংস্কার ও সেতু নির্মাণের সময় সীমা (দুই বছরের মেয়াদ) আগামী জানুয়ারীতে শেষ হবে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, উপজেলা প্রকৌশল অফিসের দায়িত্বশীলদের গাফিলতি ও খামখেয়ালিপনার সুযোগে নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু করেনি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। সেতু নির্মাণ না হওয়ায় গত দুই বছর থেকে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। মুমূর্ষ রোগীদের নিয়ে প্রায়ই ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর।
সরেজমিনে জলঢুপ দক্ষিণ পাড়িয়াবহর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কালভার্টের জন্য খালে গর্ত করায় দু’পাশে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে পাশর্^বর্তী ফসলি জমিতে। সেতু এলাকায় বাঁশের সাকো দিয়ে শিক্ষার্থী, মহিলা ও শিশুরা ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন।
লাউতা ইউনিয়নের উদ্যোক্তা তাজিরুন আক্তার বলেন, দীর্ঘদিন থেকে ঝুঁকি নিয়ে এ রাস্তায় চলাচল করতে হচ্ছে। সাঁকো পাড়ি দিতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তিনি বলেন, ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিদের সাথে অনেকবার বলেও আমাদের দুর্ভোগ নিয়ে কারো কোন মাথা ব্যথা নেই।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান রাফিদ এন্টারপ্রাইজের পরিচালক এমাদ উদ্দিন বলেন, সেতু নির্মাণের জন্য গর্ত খোঁড়ার পর অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে কাজ বন্ধ রাখা হয়ে। এছাড়া এই এলাকার সাবেক মেম্বার কালু মিয়ার আপত্তি এবং জমি সংক্রান্ত জামেলার কারণে কাজের বিলম্ব হয়েছে। এখন কাজ শুরু করেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করতে ২০ জন শ্রমিক কাজ করছেন।
জমি সংক্রান্ত আপত্তির বিষয়ে সাবেক মেম্বার কালু মিয়া বলেন, সরকারের জমি রয়েছে। কিন্তু এলাকার কিছু লোক এখানে আমার জমি দিয়ে সেতু ও রাস্তা নির্মাণের চেষ্ঠা করলে আমি প্রতিবাদ করি। তবে এটা অনেক আগেই মিমাংসা হয়েছে।
বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রকৌশলী রামেন্দ্র হোম চৌধুরী বলেন, এখনো কাজের মেয়াদ আগেই শেষ হয়েছে। তবে অকাল বন্যার কারণে কাজ স্থগিত ছিল। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের আবেদনের ভিত্তিতে সময় বর্ধিত করে দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: