সর্বশেষ আপডেট : ২৮ মিনিট ১৬ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ছাতকে ওএমএস’র ৩০ চালসহ পিক-আপ আটকের ঘটনায় তোলপাড়

ছাতক প্রতিনিধি:: ছাতকে ওএমএস’র চালসহ একটি পিক-আপ আটক করেছে জনতা। পরে আটককৃত চালসহ পিক-আপটি জাউয়া তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে যায় পুলিশ। চাল আটকের ঘটনায় গোটা উপজেলা জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

সোমবার বিকেলে উপজেলার জাউয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, উপজেলার সিংচাপইড় ইউনিয়নের ওএমএস’র ডিলার এমাদুর রহমান চাল উত্তোলন করে একটি পিক-আপ যোগে ইউনিয়নের জিয়াপুর বাজারে তার গোদামে নিয়ে যাওয়ার পথে স্থানীয় জনতা জাউয়া বাজারে পিক-আপসহ চাল আটক করে। ৩ টন ৬০ বস্তা ওএমএসর চাল নিয়ে যাওয়ার কথা থাকলে দেড় টন চাল অন্যত্র বিক্রি করে দেয়া হয়। বাকী চাল পিক-আপ যোগে গোদামে নিয়ে যাওয়ার সময় জনতার হাতে আটক হয়। এসময় পিক-আপ ড্রাইভার গোদামের চালান কপি পুলিশকে দেখায়। চালান কপিতে ৬০ বস্তা চালের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলে পিক-আপে পাওয়া যায় ৩০ বস্তা। চালান ও মালের মধ্যে ব্যাপক গড়মিল থাকায় পিক-আপসহ চাল জাউয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে আটক করে রাখা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ গোদামের ওসিএলএসডির সহায়তায় দূনীতিবাজ ডিলাররা জনগণের হক গোদাম থেকেই দালালদের মাধমে বিক্রি করা হচ্ছে। এসব কাজে গোদামের ওসিএলএসডি অবৈধ আর্থিক সহায়তা নিয়ে প্রত্যক্ষভাবে চোরাই কাজে সহায়তা করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওএমএস’র ৩০ বস্তা চাল জাউয়া পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন সাহেল জানান, তার ইউনিয়নের দরিদ্র জনগোষ্ঠির হক এভাবেই লুটে-পুটে খাচ্ছে দালালরা। ইউনিয়নের বঞ্চিত জনতা চোর হাতেনাতে ধরে প্রমান করে দিয়েছে। ওএমএস, কাবিখা, কাবিটাসহ সরকারী সযোগ সুবিধা থেকে এমনকি উন্নয়ন থেকে সিংচাপইড় ইউনিয়নকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। মাসিক সমন্বয় সভায় তিনি এসব বিষয় বার-বার উত্থাপন করেও কোন ফল পাননি। প্রতিকার না পাওয়ার কারন হিসেবে জানান, লুটপাটের টাকা স্থানীয় রাঘব-বোয়ালদের অংশিদারিত্ব রয়েছে। তার ইউনিয়নের ওএমএস’র ডিলার এমাদুর রহমান স্থানীয় এমপির ঘনিষ্টজন। ইউপি নির্বাচনে নৌকার বিরুদ্ধে এমপির মনোনীত সতন্ত্র প্রার্থী ছিল এমাদুর রহমানের ভাই মোজাহিদুর রহমান। জনগণই লুটপাটের চিত্র আজ সকলের সামনে পরিস্কার করেছে। ডিলার এমাদুর রহমান জানান, পরিবহনের কারনে তিনি দু’পিক-আপে করে চাল নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ ব্যাপারে গোদামের ওসিএলএসডির সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। জাউয়া তদন্ত কেন্দ্রের এসআই নূর মোহাম্মদ খান চাল আটকের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা শাহাব উদ্দিন জানান, গোদাম থেকে এক বারেই সব মাল বের করে নিয়ে যাওয়ার বিধান রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনা শুনেছেন বলে জানান। তবে ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও বলেন তিনি।

 

 

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: