সর্বশেষ আপডেট : ৩০ মিনিট ১৭ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কোচের সনদই জাল!

খেলাধুলা ডেস্ক::
সনদ জাল করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) কোচ হওয়ায় সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। আজ (বুধবার) সাত কোচের বিরুদ্ধে আলাদা আলাদা মামলা দায়েরের তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

অভিযুক্তরা হলেন বিকেএসপির সাবেক চিফ শ্যূটিং কোচ সৈয়দ আসবাব আলী, সাবেক আরচারি কোচ মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, ফুটবলের বর্তমান কোচ মোহাম্মদ মাকসুদুল আমিন (রানা), জুডোর বর্তমান কোচ মো. আবু বকর ছিদ্দিক, বক্সিংয়ের বর্তমান কোচ মো.আবু সুফিয়ান চিশতী, জিমন্যাস্টিকসের সাবেক কোচ কাজী আকরাম আলী ও সাবেক বক্সিং কোচ মো.জহির উদ্দিন।

দুদক থেকে জানানো হয়েছে, কোচ হিসেবে যোগদানের আগে বিকেএসপিতে সর্বোচ্চ যে সনদ দাখিল করেছিলেন তারা , তার সবগুলোই ছিল জাল। দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম এসব অভিযোগ অনুসন্ধান করেন জানিয়ে তিনি বলেন, “শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

শ্যূটিং কোচ সৈয়দ আসবাব আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, জালিয়াতির মাধ্যমে বিএসসি পাসের জাল সনদ খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে কোচ পদে ২০১১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর যোগ দেন।

দুদকের অনুসন্ধান চলাকালে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর তিনি ইস্তফা নেন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়।

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বিএসএস (সম্মান) জাল সনদ দেখিয়ে ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি বিকেএসপির আরচারি কোচ হিসেবে যোগ দিয়ে ওই বছরের ১১ মে ইস্তফা নেন।

ফুটবল কোচ মোহাম্মদ মাকসুদুল আমিন ওরফে রানা বিএ পাসের জাল সনদ দিয়ে ২০১৬ সালের ৬ জানুয়ারি যোগ দেন। তিনি এখনও চাকরিতে বহাল রয়েছেন।

আবু বকর ছিদ্দিকও বিএ (অনার্স) পাসের জাল সনদ দেখিয়ে ২০১১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর চাকরিতে যোগ দিয়ে এখনও বহাল আছেন।

আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিএ (সম্মান) পাসের জাল সনদ ব্যবহার করে ১৯৯৯ সালের ৪ জুলাই চাকরিতে যোগ দেন। তিনি এখনও চাকরিতে বহাল আছেন।

কাজী আকরাম আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, জাল বিএসএস সনদ ব্যবহার করে ১৯৯৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি যোগ দেন। এরপর দুদকের অনুসন্ধানের সময় গত বছরের ১২ জুন চাকরি থেকে ইস্তফা নেন।

জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বিএসসি (সম্মান) জাল সনদ ব্যবহার করে ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি যোগ দিয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি ইস্তফা নেন।

প্রণব জানান, ২০১৬ সালে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: