সর্বশেষ আপডেট : ৩ মিনিট ১৬ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সুনামগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ সভায় জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ

সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা:: সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের জায়গা দখলের অপচেষ্টা ও জাতীয় পতাকা অবমাননার দায়ে বিএনপি নেতা ফিরোজ মিয়া ও তার সহযোগীদের আটক করার দাবী জানিয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের হালুয়ারঘাট বাজারে ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট প্রাঙ্গনে তাৎক্ষণিকভাবে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সভায় এ দাবী জানানো হয়। ইউনিয়ন কমান্ডার ও ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল কালাম ওয়াজকুরুনীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস ছাত্তার ডিলার, উপজেলা ডেপুটি কমান্ডার শাহ-আলম,বীর মুক্তিযোদ্ধা আলমাছ মিয়া,নূর মিয়া,মমিন মহরী,মোহাম্মদ আলী ও নবী হোসেনসহ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা এতে বক্তব্য রাখেন। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল মজিদ বলেন,সুরমা জাহাঙ্গীরনগর ও রঙ্গারচর এ ৩ ইউনিয়নের আমরা ১৬৩ জন মুক্তিযোদ্ধারা সুরমা নদীর পাড়স্থ মনমনতেছর মৌজার খাস খতিয়ানের জায়গায় গত ৩ বছর আগে আমরা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কার্যালয় ও মার্কেটসহ মুক্তিযোদ্ধা পল্লী স্থাপন করি। এতে পাশর্^বর্তী হালুয়ারগাঁও-রহমতপুর গ্রামের ফিরোজ মিয়া,আতাউর,চেরাগ আলী,আলী হায়দর ও আলী আমজদগং ঈর্ষান্বিত হয়ে আমাদের জায়গা দখলে বিভিন্ন অপতৎপরতা চালায়। এর অংশ হিসেবে সোমবার সকালে আমাদের জায়গার সীমানা খুটি তুলে নিয়ে যায়। এবং জাতীয় পতাকা ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পতাকা ছিড়ে ফেলে। এ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে স্থানীয় বালিকান্দি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা নবী হোসেন বাদী হয়ে জাতীয় পতাকা অবমাননার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ফিরোজ মিয়াগংদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। আমরা সকল মুক্তিযোদ্ধারা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

অভিযোগের ব্যাপারে সাবেক মেম্বার ফিরোজ মিয়া বলেন,জাতীয় পতাকা বা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পতাকা অবমাননার যে অভিযোগ আমার উপর আনা হয়েছে তার সাথে আমি বা আমার গ্রামের কেউ ঘুণাক্ষরেও জড়িত নয়। মূল ঘটনা হচ্ছে,৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল কালাম ওয়াজকুরুনী লাল নিশান ঘেড়ে আমাদের গ্রামবাসীর ৬৬৫-৬৬৮ নং দাগের ১১ জনের রেকর্ডীয় জায়গা জোরপূর্বক দখল করতে গেলে সোমবার সকাল ১১টায় মহিলাদের সাথে তাদের মৌখিক বাদানুবাদ হয়। এর জের ধরে আবুল কালাম ওয়াজকুরুনীগং নিজেরা জাতীয় পতাকা ও সংসদের পতাকা ছিড়ে ফেলে আমাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ সৃজন করেছেন। অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধারা চ্যালেঞ্জ করে বলেন,ফিরোজ মিয়াগংরাই পতাকা অবমাননার জন্য দায়ী। সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মোঃ শহিদুল্লাহ বলেন,জায়গার মালিকানা নির্ধারন বা বন্দোবস্ত দাতা হচ্ছে ভূমি প্রশাসন। বিরোধীয় দুপক্ষের মধ্যে কারা বৈধ আর অবৈধ তা নির্ধারন জেলা প্রশাসনের এখতিয়ারের আওতায় পড়ে। আমরা কোন ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

 

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: