সর্বশেষ আপডেট : ২৪ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ২ পৌষ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ঐতিহাসিক ভাটেরার ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করবে ভাটেরা স্কুল এন্ড কলেজের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান –কবি কালাম আজাদ

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ কবি কালাম আজাদ বলেছেন, একটি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ৫০ বছর হয়তো বড় কিছু নয়, কিন্তু একজন ব্যক্তির জীবনে ৫০ বছর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বেশিরভাগ মানুষের জীবন পঞ্চাশ বছরপূর্তি বা সুবর্ণজয়ন্তী একবারই হয়ে থাকে। তাই আমার মনে হয়, এরকম একটি দুর্লভ সুযোগ হাতছাড়া করে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের কেউই নিজেকে দুর্ভাগা করতে চাইবেন না। সিলেট বিভাগের ইতিহাসে স্মারক জনপদ হিসেবে ভাটেরা অঞ্চলের স্বতন্ত্র গুরুত্ব বিদ্যমান। ঐতিহাসিক জনপদ ভাটেরায় প্রতিষ্ঠিত ভাটেরা স্কুল এন্ড কলেজের সুবর্ণজয়ন্তী আয়োজন ভাটেরার ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় সূচিত হবে, ভাটেরা স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ভাটেরার সকল নাগরিক হবেন গৌরবান্বিত।

গতকাল শুক্রবার বিকাল ৩টায় সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ মিলানয়তনে সিলেটে বসবাসরত ভাটেরা স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে আয়োজিত ভাটেরা স্কুল এন্ড কলেজের সুবর্ণজয়ন্তী-২০১৭ এর রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কবি কালাম আজাদ উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

তিনি রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমে কোনো রকম বৈষম্য না করার আহ্বান জানিয়ে আরো বলেন, এ প্রতিষ্ঠানে যদি কোনো শিক্ষার্থী মাত্র ৩ দিনও অধ্যয়ন করে থাকেন তবে গৌরবের এ অনুষ্ঠানে তাকে সম্পৃক্ত করতে হবে, পরবর্তী জীবনে কার কত ডিগ্রি সঞ্চিত হয়েছে তা বিবেচনায় না রাখলেই তবে প্রকৃত মিলনউৎসবে পরিণত হবে। তিনি প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষকদের রেজিস্ট্রেশনের অন্তর্ভুক্ত না করে শিক্ষাগুরু হিসেবে সম্মানিত করার আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেন, সুবর্ণজয়ন্তীর স্মরণিকা শত শত বছর পরেও ভাটেরার ইতিহাসের দলিল হয়ে থাকবে। নাতিপুতিরা তাদের পূর্বপুরুষদের নিয়ে গৌরব করার সুযোগ পাবে। তাই প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করে তাদের গুরুদায়িত্বটা পালন করবেন এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস। এর মাধ্যমে সকল ভাটেরাবাসী গৌরবের সিড়িতে অধিষ্ঠিত হবেন আমি এটাই আশা করি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভাটেরা স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন ছাত্র আব্দুল করিম। সভার শুরুতে মহাগ্রন্থ আল-কুরআন থেকে অর্থসহ তেলাওয়াত করেন আব্দুর রহমান। কেক কেটে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমে উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধান অতিথি কবি কালাম আজাদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উৎসব উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক এ.কে.এম মতিউর রহমান আজাদ ও সদস্যসচিব বশিরুল ইসলাম।

বক্তব্য রাখেন, প্রাক্তন ছাত্র আব্দুল মুমিন ফজলু, মো. শফিকুর রহমান, মো. ফয়জুর রহমান রানা, জুলেহা বেগম, মো. লুৎফুর রহমান, আহমদ কবির রিপন, ডা. মিজানুর রহমান মামুন, রিয়াজ আহমদ, শিব্বির আহমদ, ঝর্ণা চৌধুরী, নাদিয়া আক্তার চৌধুরী, লুৎফা বেগম, মুহিবুর রহমান, শাহ ফাবিহা তাছনিম ও কামরুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ১৯ জন শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেন।
অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন মুহাম্মদ লুৎফুর রহমান, শামীম আহমদ ও এহসান রেজা। বিজ্ঞপ্তি

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: