সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ৩৯ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ২ পৌষ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ফের বাড়ছে রোহিঙ্গাদের স্রোত

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ দিয়ে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অনুপ্রবেশ আবারও বাড়তে শুরু করেছে। অনুপ্রবেশের ঘটনা সপ্তাহ-খানেক আগে কিছুটা কমে যাওয়ার পর গত ২৬শে সেপ্টেম্বর থেকে আবারো বেড়েছে।

এ ক’দিনে এখান দিয়ে প্রায় অর্ধ লক্ষ রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে বলে ধারণা করছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আলী হোসেন। তিনি বলেন, গত তিন চারদিনে চল্লিশ হাজারের মতো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে তারা ধারণা করছেন। এই আসার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছে যে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা পাঁচ লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে। শাহপরীর দ্বীপের খোলাপাড়ার স্থানীয় ইউপি সদস্য ফজলুল হক জানান, কিছুক্ষণ আগেই সেখানে ২৭০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী গিয়ে পৌঁছেছে। তারা কয়েকটি নৌকায় করে পৌঁছেছে। এসব নৌকা মিয়ানমার থেকে এসে শরণার্থীদের নামিয়ে দিয়েই আবার ফিরে যায়।

জানা যাচ্ছে, এখন বাংলাদেশে যেসব রোহিঙ্গা শরণার্থী আসছেন তাদের প্রায় সবাই নৌকা দিয়ে এই শাহপরীর দ্বীপেই আসছেন। এখানে রয়েছেন কোস্ট গার্ড ও বিজিবির লোকজন। তারা এদের দেখভাল করছেন, এবং এখান থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় কুতুপালং হোয়াইক্যাংসহ বিভিন্ন আশ্রয়শিবিরে তাদের পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে।

এলাকাটি পড়েছে সাবরাং ইউনিয়নের ভেতরে। ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নূর হোসেন বলেন, আগত শরণার্থীর সংখ্যা প্রতিদিনই সন্ধ্যের পর বেড়ে যায়।
প্রতিদিন সন্ধ্যে বেলায় অন্তত দুই তিন হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী শাহপরীর দ্বীপে এসে পৌঁছাচ্ছে বলে জানান নূর হোসেন।

তিনি বলেন, আমরা শুনেছি যে ওখানে মুসলমানদেরকে নাকি নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জন্যে বাড়ির বাইরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। সেকারণে তারা বাংলাদেশে চলে আসছেন। তিনি বলেন, মিয়ানমারের সরকার মাঝখানে দু-চার-পাঁচ দিন তাদেরকে বিভিন্ন কথায় ভুলিয়ে রেখেছিল। মানুষ এপারে আসার জন্য রওয়ানা দিলে তাদের বাড়িঘরে ঢুকিয়ে দিয়েছে। এটা তারা করেছে আন্তর্জাতিক চাপের কারণে। এটা এক ধরণের প্রতারণা তারা করেছে। দু’চারদিন পর এখন আবার তারা নির্যাতন শুরু করে দিয়েছে।

তিনি আরো জানান, রাখাইন প্রদেশে মিয়ানমারের সৈন্যরা এখন রীতিমত মাইকিং করে রোহিঙ্গা মুসলমানদের বলছে যে, জমিজমা ছেড়ে দিয়ে বাড়িঘর খালি করে তারা যেন বাংলাদেশে চলে যায়। একই রকম বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ফজলুল হকের কাছ থেকেও, যিনি প্রতিদিনই শাহপরীর দ্বীপে আগত শত শত রোহিঙ্গা শরণার্থীর সঙ্গে কথাবার্তা বলছেন এবং তাদের নানা রকমের সহায়তা দিচ্ছেন। খবর বিবিসি বাংলা

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: