সর্বশেষ আপডেট : ৯ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ২ পৌষ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

পল্লী বিদ্যুতেও মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডও (আরইবি) গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। বুধবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে টিসিবি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে তাদের বিদ্যুতের দাম গড়ে ১০.৭৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) আয়োজিত ধারাবাহিক গণশুনানির তৃতীয় দিনে আরইবির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন এই প্রস্তাব দেন। তবে বিইআরসি কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি বিদ্যুতের দাম গড়ে ৭.১৯ শতাংশ বৃদ্ধিতে মত দিয়েছে। আরইবি চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমানে প্রতি ইউনিট খরচ ৬.৭৮ টাকা আর জনগণের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে গড়ে ৬.১২ টাকা। এর মধ্যে প্রতি ইউনিটে .৬৬ টাকা লোকসান দেওয়া হচ্ছে। গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১০.৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

বিইআরসির চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলামের সভাপতিত্বে বিইআরসি কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি বিদ্যমান ভারিত গড় খুচরা ট্যারিফ ইউনিটপ্রতি ৬.১২ টাকা থেকে ০.৪৪ টাকা অর্থাৎ ৭.১৯ শতাংশ বৃদ্ধি করে নিট রাজস্ব চাহিদা ৬.৫৬ টাকা করার পক্ষে মত দেয়। এখানে ইউনিটপ্রতি নিট রাজস্ব চাহিদা ৬.৫৬ টাকার মধ্যে বিদ্যুৎ ক্রয় খরচ ৪.৯৬ টাকা ও নিট বিতরণ খরচ ১.৬০ টাকা ধরা হয়েছে। আরইবির তথ্যমতে, সারা দেশে তাদের গ্রাহক সংযোগ ২ কোটি ১ লাখ। এর মধ্যে বিদ্যুৎ সুবিধাভোগী ৭৫ শতাংশ। বিদ্যুৎ গ্রহণের সক্ষমতা ৮ হাজার ২৯৩ মেগাওয়াট। মাসিক বিক্রয় ১২৫০ কোটি এবং সিস্টেম লস ১১.৪৪ শতাংশ।

আরইবি আবাসিকে ন্যূনতম বিল ৬৫ টাকা থেকে ২০ টাকা বাড়িয়ে ৮৫ টাকা করার প্রস্তাব করেছে। এ ছাড়া সার্ভিস চার্জ ১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। আবাসিকে সর্বনিম্ন ১.৫৬ শতাংশ থেকে ১২.৪৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব করে আরইবি। এতে সর্বোচ্চ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিট ব্যবহারকারী গ্রাহকদের। এই ধাপে বর্তমানে ইউনিট প্রতি ৫.৬৩ টাকা রয়েছে। প্রস্তাব অনুমোদন হলে ইউনিটপ্রতি দাম পড়বে ৬.৩৩ টাকা।

দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়ার সময় আরইবির চলমান প্রকল্প ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়। সিস্টেম উন্নয়ন পরিকল্পনায় ১৬টি চলমান প্রকল্পের ৪২৩টি নতুন উপকেন্দ্র নির্মাণ এবং ৬৩টি উপকেন্দ্র আপগ্রেশন চলছে। ৯০ লাখ ডিজিটাল মিটার স্থাপন করা হয়েছে যা আগামী বছরের জুনে ১.৩০ কোটিতে উন্নীত করা হবে। ২০১৮ সালের মধ্যে আরো ১.২০ লাখ বিতরণ ট্রান্সফরমার স্থাপন করা হবে। একই সময়ের মধ্যে ১০.১৬ লাখ প্রিপেইড মিটার ও ৭টি সোলার চার্জিং স্টেশন নির্মাণ করা হবে। তবে মিটার বা ট্রান্সফরমার গ্রাহকদের দ্বারা নষ্ট হলে তার ব্যয়ভারও গ্রাহকদের ওপরই বর্তাবে বলে জানা গেছে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: