সর্বশেষ আপডেট : ৩০ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৮ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কমলগঞ্জে ইউএনও হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্য বিয়ে, বর ও বরের পিতাকে আটক

মো.মোস্তাফিজুর রহমান, কমলগঞ্জ:: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ইউএনও হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্য বিয়ে। রক্ষা পেলে অছিয়া আক্তার নামের কিশোরীটি। শুক্রবার বিয়ের অনুষ্টান চলাকালে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক পুলিশ নিয়ে বন্ধ করে দেন বাল্য বিয়েটি। এ সময় বর ও বরের বাবাকে পুলিশ আটক করে। শুক্রবার (২২ সেপ্টে¤র) বিকাল তিনটায় এ ঘটনাটি ঘটে উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পারুয়াবিল ইসলামাবাদ গ্রামে।

জানা যায়, পারুয়াবিল ইসলামাবাদ গ্রামের মৃত আরব উল্যার মেয়ে কিশোরী আছিয়া আক্তার (১৫) এর বিয়ে ঠিক করা হয় একই ইউনিয়নের মাধবপুর চা বাগানের ময়না মিয়ার ছেলে ট্রলি চালক রশিদ মিয়া (১৬)-র সাথে। বর কনের বিয়ের বয়স অল্প হওয়ায় বাল্য বিয়ে বন্ধ করার জন্য এলাকাবাসী বর পক্ষকে জানালেও তারা বিয়ে বন্ধ না কওে ঘরুয়া পরিবেশে গোপনে কোন প্রকার আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই বিয়ের আয়োজন চলছিল। কনে কিশোরী আছিয়াকেও রাখা হয়েছিল প্রতিবেশী রফিক মিয়ার বাড়িতে।

এলাকাবাসীর সংবাদ পেয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহমাম্মদ মাহমুদুল হক দ্রুত কমলগঞ্জ থানার এসআই শহিদুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল নিয়ে পারুয়াবিল গ্রামে রফিক মিয়ার বাড়িতে গিয়ে বাল্য বিবাহ বন্ধ করেন। গ্রাম পঞ্চায়েত ও জনপ্রতিনিধিরা কিশোরী কনের পরিবারের পক্ষে নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অঙ্গীকার করেন প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত তার বিয়ে হবে না তখনই কনে ও তার পরিবার সদস্যদের জনপ্রতিনিধি ও পঞ্চায়েতের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

অপর দিকে বাল্য বিবাহ অপরাধে বর কিশোর রশিদ মিয়া ও তার বাবা ময়না মিয়াকে আটক করে কমলগঞ্জ থানা নিয়ে যাওয়া হয়। মাধবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পুষ্প কুমার কানু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক বর ও তার বাবার পক্ষে স্বজনরা এসে প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার আগে বিয়ে করবে না বলে অঙ্গীকার করলে তখন তাদের জিম্মায় নিয়ে আসা যাবে।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী হাকিম মোহামম্মদ মাহমদুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক ট্রলি চালক কিশোর রশিদ মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে সে আগের বছরও এক কিশোরীকে বিয়ে করতে চাইলে সচেতন এলাকাবাসীর কারণে ব্যর্থ হয়েছিল। এখন আবারও বাল্য বিবাহের চেষ্টা করে। তাই বাবা ও ছেলেকে এখন থানা হাজতে আটকে রাখা হয়েছে। এখন পরবর্তী কাজ পুলিশ প্রশাসনের।

 

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: