সর্বশেষ আপডেট : ৬ মিনিট ৫৯ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৮ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মার্কেটগুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের ভীড়,বিক্রেতাদের বেড়েছে ব্যস্ততা

জীবন পাল:: আসন্ন দুর্গাপূজাকে সামনে রেখেছে জমে উঠছে কেনাকাটা। শেষ মুহুর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন নগরীর প্রতিটি শপিংমলগুলো। প্রতিটি শপিংমল ও বিপনীবিতানগুলোর ক্রেতাদের ভীড় লেগে আছে। সকাল থেকে রাত অবধি যে ভীড় চোখে পড়ে। সমানতালে

বেড়েছে পিস কাপড় বিক্রেতাদের কেনাবেচার ব্যস্ততাও। জিন্দাবাজার,আল-মারজান শপিং সেন্টার,সমবায় মার্কেট ও মধুবন মার্কেট ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেল।

পিস কাপড় কিনে নিজের পছন্দমত পোশাক পরতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন সুজয় দেব জেসন। তাই প্রতিবারের মত এবারও পিস কাপড় কিনে পোশাক বানানোর জন্য আল-মারজানে ভীড় জমিয়েছে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির শেষ বর্ষের এই ছাত্র।
তার মতে, পুজোই পরার মত পোশাক কাপড় কিনে বানানোতেই আমি অভ্যস্ত। যদিও এর বাইরেও ইতিমধ্যে ২টি শার্ট ও ১টি প্যান্ট কেনা হয়ে গেছে।

নগরীর কুমারপাড়া,নয়াসড়ক এলাকায় একদিকে যেমন ক্রেতাদের ভীড় বেড়েছে তেমনি বেড়েছে বেচাকেনাও। সকল ব্র্যান্ডশপগুলো এই এলাকায় হওয়ায় কেনাকাটার জন্য উচ্চ ও মধ্যবিত্তদের ভীড়টাই বেশি এই এলাকায়।

আড়ং থেকে শপিং শেষ করা শাবির প্রকোশলী বিভাগের দিতীয় বর্ষের ছাত্রী সেতু দাশ জানান, পুজোর কেনাকাটা প্রায় শেষ। তবে টুকটাক কেনাকাটা যা রয়ে গেছে কয়েকদিনের মধ্যে সেটাও সেরে ফেলবো।
তিনি জানান, নয়াসড়কের চন্দ্রবিন্দু,আড়ং,মাহা,ডিজাইনার থেকে পরিবারের সবার ও নিজের জন্য এবারের শপিং শেষ করেছি।

তবে সকল শ্রেনীর ক্রেতাদের মধ্যে একদিকে যেমন শুকরিয়া মার্কেটে মেয়েদের ভীড় দেখা গেছে অন্যদিকে ছেলেদের ভীড়টা দেখা গেছে কাজী ম্যানশনে।

লাভা ইন্টারন্যাশনাল এইচকে লি.মি এর সিলেট মেট্রোর মার্কেটিং রিপ্রেজেন্টিব সুজয় রায় বলেন, নিজে শপিং এখনো করিনি। বন্ধু-বান্ধব ও বড় ভাইদের থেকে অলরেডি কয়েকটা গিফট পেয়ে গেছি। বন্ধুদের সাথে শপিংমলগুলোতে যাওয়ার অভিজ্ঞতায় বলবো যে,গতবারের তুলনায় এইবার এখনো তেমনভাবে জমে উঠেনি।

কাজী ম্যানশনে শপিং করতে আসা উদয় দেব জয় জানান, ছেলেরা এখন আর ব্র্যান্ডশপে বিশ্বাস করতে পারছেনা। তাই বেশিরভাগ ছেলেরা কাজী ম্যানশনে ছুটে আসছে। কেননা,কাজী ম্যানশনে যে দামে কাপড় কিনতে পাওয়া যায় সেই একই কোয়ালিটির কাপড় ব্র্যান্ডশপে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে। যার সুবাদে ছেলেদের ব্র্যান্ড শপগুলোতে কেনাবেচা কমেছে বলে আমি বলবো। সেই তুলনায় বেড়েছে কাজী ম্যানশনের বেচাকেনা।

এদিকে শপিং করতে আসা শুভ কর জানান, পুজোর শপিংটা খুব একটা স্বস্তিতে করতে পারছিনা। কেননা,গত ঈদে দোকানগুলোতে যে কাপড় এনেছিল থেকে যাওয়া সে সব কাপড়ই পুজোই চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই ব্র্যান্ডেরশপে না গিয়ে কাজী ম্যানশন থেকে আনন্দে শপিং করতে পারছি। এদের কালেকশন ভালই দেখছি। মানটাও খুব খারাপ না কিন্তু। সেই সাথে দামটাও হাতের নাগালে বলতে হয়।

ব্র্যান্ডশপ বার্টন এর সেলসম্যান বদরুল জানান, পুজোর বাজার ভালই জমেছে। আমরা শার্ট ও পাঞ্জাবীতে ৫০ % ছাড় দিয়েছি। যা আগামী দুইদিন পর্যন্ত বলবত থাকবে।

আপাতত বেচাকেনাটা স্বাভাবিক রয়েছে। তবে দুই এক দিনের মধ্যে পুজার বাজার বাজার জমবে বলে জানান শুকরিয়া মার্কেটের লাকি ফ্যাশনের ম্যানেজার এনা মিয়া।

এদিকে, অন্যবারের চেয়ে এবার কেনাবেচাটা অনেকটাই বেড়েছে বলে জানান কাজী ম্যানশনের এলিগ্যান্ট ফ্যাশনের ম্যানাজার মো. দুলাল আহমেদ।
তিনি জানান, আমাদেও এখানে দরদাম কওে চাহিদা ও পছন্দমত পোশাক কিনতে পারায় তরুনদেও ভীড়টা বেশি দেখা যাচ্ছে। ব্র্যান্ডশপে যে সুবিধাটা নেই।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: